রাতারাতি ধনী হতে ব্যবসায়ীদের এ কেমন উদ্যোগ?

  যুগান্তর ডেস্ক ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

খেজুর
নতুন প্যাকেটে পচা খেজুর। ছবি: সংগৃহীত

আমাদের দেশের কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী রাতারাতি বড়লোক হতে চান। তবে সেটি কোনো ভালো পন্থায় নয়; অবৈধ পন্থায়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গিয়ে নিজের এই উপলব্ধি ব্যক্ত করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, আমাদের দেশের কিছুসংখ্যক ব্যবসায়ী রাতারাতি বড়লোক হতে চান। কোনো একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান একটি নতুন পণ্য বাজারজাত করলে বা একটি নতুন ব্যবসা শুরু করলে প্রথম প্রথম বেশ কিছুদিন পণ্যের গুণগতমান বা সেবার মান ভালো রাখার চেষ্টা করে।

কিন্তু কিছুদিন পর রাতারাতি ধনী হওয়ার বা কম সময়ে বেশি লাভ করার প্রবণতার কারণে সে মান আর বজায় রাখে না।

কথাগুলো বললাম তার কারণ হলো- রাজধানীর বাদামতলিতে গত দুই বছর আগে খেজুরের একটি মানসম্মত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মৌসুমি ট্রেডার্স গড়ে তোলেন এক ব্যবসায়ী।

গত বছর অভিযানে গিয়ে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে আসি এবং আমি নিজে পাঁচ কেজি খেজুর কিনে নিয়ে আসি। কিন্তু আজ গিয়ে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটি প্রচুর মেয়াদোত্তীর্ণ, নষ্ট খেজুর নতুন প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করছে।

সে জন্য তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা এবং তিনজনকে দুই বছর এবং তিনজনকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মেয়াদোত্তীর্ণ ও নষ্ট খেজুরের মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে নতুন প্যাকেটজাত করে বিক্রি করায় রাজধানীর বাদামতলির মৌসুমি ট্রেডার্স ও মনির এন্টারপ্রাইজকে ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা এবং ছয়জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাব ও বিএসটিআইয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। ছয় হাজার কেজি মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর জব্দ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×