কৃষ্ণা রানীর পরিবার ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছে

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন কৃষ্ণা রানী। ছবি-সংগৃহীত

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ট্রাস্ট পরিবহনের বাসচাপায় পা হারানো কৃষ্ণা রানী রায় চৌধুরীর পরিবার দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছে। 

এ-সংক্রান্ত একটি আইনি নোটিশ ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর ডাকমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। 

কৃষ্ণা রানীর স্বামী রাধে শ্যাম গতকাল রোববার আইনি নোটিশটি পাঠান বলে তার আইনজীবী ইমরান হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

ইমরান হোসেন বলেন, ক্ষতিপূরণ দুভাবে চাওয়া হয়েছে। তার (কৃষ্ণা) যে পারিবারিক দুর্ভোগ হয়েছে, সে জন্য এক কোটি টাকা। আর ব্যক্তিগতভাবে যে দুর্ভোগ হয়েছে, সে জন্য আরও এক কোটি টাকা। মোট দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশের কপি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজিপি, বিআরটিএর চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। 

তাদের বলা হয়েছে এই টাকা সংগ্রহ করে ভুক্তভোগীকে প্রদান করার জন্য।

গত ২৭ আগস্ট রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ট্রাস্ট পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক পা হারান তিনি।

এ ঘটনায় ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় কৃষ্ণা রায়ের স্বামী রাধেশ্যাম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় বাসটির চালক-মালিক ও হেলপারকে আসামি করা হয়েছে।

কৃষ্ণা রানী বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক।

বর্তমানে তিনি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন। গত ২৭ আগস্ট রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ট্রাস্ট পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক পা হারান তিনি।

এ ঘটনায় ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় কৃষ্ণা রায়ের স্বামী রাধেশ্যাম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় বাসটির চালক-মালিক ও হেলপারকে আসামি করা হয়েছে।

কৃষ্ণা রানী বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক।

বর্তমানে তিনি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন।গত ২৭ আগস্ট রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ট্রাস্ট পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের চাপায় এক পা হারান তিনি।

এ ঘটনায় ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় কৃষ্ণা রায়ের স্বামী রাধেশ্যাম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় বাসটির চালক-মালিক ও হেলপারকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর বাসটির অনিয়মিত চালক মো. মোরশদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে কারাগারে। 

তবে কৃষ্ণা রানীর বাঁ পা পিষে দেয়া বাসের মালিক ও চালকের সহকারীকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

কৃষ্ণা রানী বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক।

বর্তমানে তিনি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার বাম পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ কেটে ফেলা হয়েছে।