হাতিরপুলে ৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ
jugantor
হাতিরপুলে ৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:০৪:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ।

রাজধানীর হাতিরপুলে ওষুধ সরবরাহকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান চালিয়ে এই নকল ওষুধ জব্দ করা হয়।

নকলভাবে তৈরি করে এসব ওষুধ বিদেশি নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করত প্রতিষ্ঠানগুলো। এই চক্রের সঙ্গে কিছু চিকিৎসক জাড়িত আছে বলে জানায় র‌্যাব।

অভিযানে পাওয়া গেছে, ওষুধের মোড়কে মেয়াদ বসানোর যন্ত্র, পুরান ঢাকায় তৈরি বিদেশি ব্র্যান্ডের প্যাকেট ও ইচ্ছামতো বসানোর মূল্য তালিকা। এভাবেই নকল বিদেশি ওষুধ তৈরি করছে সিলভ্যান ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া চোখে ব্যবহারের ড্রপ, বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী থেকে শুরু করে ভিটামিন জাতীয় ওষুধ নকল করে সারা দেশের খুচরা বাজারে ছড়িয়ে দিত চক্রটি।

সিলভ্যান ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম অপরাধ স্বীকার করে বলেন,


একবারে সবটা বিক্রি হয় না। তাই ওই ফাইলটা আমরা ছোট করে বিক্রি করি। তবে এই ওষুধের অনুমোদন নেই, এটা আমার অপরাধ।

এসব অভিযোগে সিলভ্যান ট্রেডিংয়ের মালিক ও প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ওষুধ প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, এসব পণ্য রোগীরা ব্যবহার করলে, প্রাণঘাতী যে রোগ দেখা দিতে পারে।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম বলেন, অভিযানে আমরা কিছু ডিসপেনশারির তালিকা পেয়েছি। তারা ওষুধগুলো এখান থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া আমাদের কিছু চিকিৎসক এই ওষুধগুলো জেনে না জেনে প্রেসক্রিপশনে লিখে ও কিছু কমিশনও তারা পায়।

অনৈতিক কারণে এই প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২০ লাখ টাকা জরিমান, দুই বছরের দণ্ড দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

হাতিরপুলে ৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ।
৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ। ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর হাতিরপুলে ওষুধ সরবরাহকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার নকল ওষুধ জব্দ করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান চালিয়ে এই নকল ওষুধ জব্দ করা হয়। 

নকলভাবে তৈরি করে এসব ওষুধ বিদেশি নামিদামি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করত প্রতিষ্ঠানগুলো। এই চক্রের সঙ্গে কিছু চিকিৎসক জাড়িত আছে বলে জানায় র‌্যাব।

অভিযানে পাওয়া গেছে, ওষুধের মোড়কে মেয়াদ বসানোর যন্ত্র, পুরান ঢাকায় তৈরি বিদেশি ব্র্যান্ডের প্যাকেট ও ইচ্ছামতো বসানোর মূল্য তালিকা। এভাবেই নকল বিদেশি ওষুধ তৈরি করছে সিলভ্যান ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া চোখে ব্যবহারের ড্রপ, বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী থেকে শুরু করে ভিটামিন জাতীয় ওষুধ নকল করে সারা দেশের খুচরা বাজারে ছড়িয়ে দিত চক্রটি।

সিলভ্যান ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী জাহাঙ্গীর আলম অপরাধ স্বীকার করে বলেন, 


একবারে সবটা বিক্রি হয় না। তাই ওই ফাইলটা আমরা ছোট করে বিক্রি করি। তবে এই ওষুধের অনুমোদন নেই, এটা আমার অপরাধ।

এসব অভিযোগে সিলভ্যান ট্রেডিংয়ের মালিক ও প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ওষুধ প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে, এসব পণ্য রোগীরা ব্যবহার করলে, প্রাণঘাতী যে রোগ দেখা দিতে পারে।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম বলেন, অভিযানে আমরা কিছু ডিসপেনশারির তালিকা পেয়েছি। তারা ওষুধগুলো এখান থেকে ক্রয় করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া  আমাদের কিছু চিকিৎসক এই ওষুধগুলো জেনে না জেনে প্রেসক্রিপশনে লিখে ও কিছু কমিশনও তারা পায়। 

অনৈতিক কারণে এই প্রতিষ্ঠানের মালিককে ২০ লাখ টাকা জরিমান, দুই বছরের দণ্ড দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।