‘মৃত ঘোষণার জন্য আবরারকে ইউনিভার্সেল হাসপাতালে আনা হয়’

  যুগান্তর ডেস্ক ০৩ নভেম্বর ২০১৯, ১২:১১:৫৭ | অনলাইন সংস্করণ

নাইমুল আবরার রাহাত। ফাইল ছবি

কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পর্শে নিহত রেসিডেন্সিয়ালের ছাত্র নাইমুল আবরারকে আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত ঘোষণার জন্য তার লাশ মহাখালীর ইউনিভার্সেল হাসপাতালে আনা হয়েছিল।

ইউনিভার্সেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশিস কুমার চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আবরার স্কুলের মাঠেই মারা গিয়েছিল। তবে একজনকে মৃত ঘোষণা করতে হলে কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে, সেগুলো সম্পন্ন করতেই সেখানে থাকা দুজন চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

ডা. আশিস বলেন, আবরারের সঙ্গে কিশোর আলোর দুজন স্বেচ্ছাসেবীও ছিল। তাকে মেডিকেল ক্যাম্পেই চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেছিলেন। সেখানে কিশোর আলোর যে স্বেচ্ছাসেবীরা ছিলেন, তারা তা জানতো। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। তখন তারা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছিল কিনা, তা আমরা জানি না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একজন চিকিৎসক মেডিকেল ক্যাম্প থেকে ফোন দিয়ে জানান কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। পরে হাসপাতালে পৌঁছলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তার হার্টবিট পাচ্ছিল না, পালস পাচ্ছিল না। তারপরও সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন চিকিৎসকরা। বিকাল ৪টা ৫১ মিনিটে ছেলেটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

‘পরে গীতিকার কবীর বকুল আমাকে ফোন দেন। আমি তাকে বিষয়টি জানাই। এরপর প্রথম আলোর আনিসুল হকের সঙ্গেও আমার কথা হয়। তারা সাড়ে ৬টার দিকে ছেলেটিকে দেখতে হাসপাতালে আসেন।’

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ পাশে থাকার পরেও তাকে কেন মহাখালী নেওয়া হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেখানে চিকিৎসকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছিল।’

ঘটনাপ্রবাহ : রেসিডেনসিয়াল ছাত্র আবরারের মৃত্যু

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত