প্রতিদ্বন্দ্বীদের ‘ষড়যন্ত্র’ মোকাবেলা করে কাউন্সিলর হলেন ঢাবিছাত্রী সাহানা
jugantor
প্রতিদ্বন্দ্বীদের ‘ষড়যন্ত্র’ মোকাবেলা করে কাউন্সিলর হলেন ঢাবিছাত্রী সাহানা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:০৫:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সাহানা আক্তার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাহানা আক্তার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, দুই সিটি মিলিয়ে ১২৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলরের মধ্যে তিনিই একমাত্র নারী।

তবে নির্বাচনে জয় পাওয়া তার জন্য অতটা সহজ ব্যাপার ছিল না। এ জন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীর বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র, হয়রানি ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়েছে।

জানা গেছে, রেডিও প্রতীকে ৩ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাহানা আক্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসির আহম্মদ ভুঁইয়া (টিফিন ক্যারিয়ার মার্কা) পেয়েছেন ২ হাজার ২৫০ ভোট।

সাহানা আক্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী। এর আগে তিনি ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে এলএলএম সম্পন্ন করেছেন।

নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও কীভাবে পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সমান তালে লড়াই করে জয়ী হলেন সেসব বিষয় নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সোহানা।

নবনির্বাচিত এই কাউন্সিলর তার এ জয়কে সাধারণ ও মেহনতি মানুষের জয় বলেই মনে করছেন।

তিনি জানান, তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে কিশোরী ও নারীদের শতভাগ ভোটে তার জয় নিশ্চিত হয়েছে।

সোহানার বাবা সাইদুর রহমান সহিদও এই ওয়ার্ডে ২৫ বছর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।তাই ছোটবেলা থেকেই বাবার রাজনৈতিক নেতৃত্বকে চোখের সামনে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে তার।

সোহানা বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম পাস করব। যার কাছেই গেছি, তিনি আমাকে ভোট দেয়ার কথা বলেছিলেন।

নির্বাচনী প্রচারে বাধা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অপর প্রার্থীরা আমার মনোবল হারাতে পোস্টার ছিঁড়েছে। রাতে দেয়ালে স্টিকার লাগিয়েছি; সকালে গিয়েই দেখতাম ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

‘এমনকি নির্বাচনের আগের রাতেও প্রশাসন দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে। কিন্তু এতে আমার মনের শক্তি আরও বেড়েছে।’

তিনি আরও বলে, মানুষের সেবার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাটা চালিয়ে যাব। কাউন্সিলর হওয়ার কারণে এখন আমাকে দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হবে। তবে সেটি মেনে নিয়েই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলাম।

প্রতিদ্বন্দ্বীদের ‘ষড়যন্ত্র’ মোকাবেলা করে কাউন্সিলর হলেন ঢাবিছাত্রী সাহানা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০২:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সাহানা আক্তার
নির্বাচনী প্রচারের সময় সাহানা আক্তার। ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাহানা আক্তার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, দুই সিটি মিলিয়ে ১২৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলরের মধ্যে তিনিই একমাত্র নারী।

তবে নির্বাচনে জয় পাওয়া তার জন্য অতটা সহজ ব্যাপার ছিল না। এ জন্য তাকে প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীর বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র, হয়রানি ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়েছে।

জানা গেছে, রেডিও প্রতীকে ৩ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাহানা আক্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসির আহম্মদ ভুঁইয়া (টিফিন ক্যারিয়ার মার্কা) পেয়েছেন ২ হাজার ২৫০ ভোট। 

সাহানা আক্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী। এর আগে তিনি ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে এলএলএম সম্পন্ন করেছেন।

নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও কীভাবে পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সমান তালে লড়াই করে জয়ী হলেন সেসব বিষয় নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সোহানা।

নবনির্বাচিত এই কাউন্সিলর তার এ জয়কে সাধারণ ও মেহনতি মানুষের জয় বলেই মনে করছেন। 

তিনি জানান, তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে কিশোরী ও নারীদের শতভাগ ভোটে তার জয় নিশ্চিত হয়েছে।

সোহানার বাবা সাইদুর রহমান সহিদও এই ওয়ার্ডে ২৫ বছর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই ছোটবেলা থেকেই বাবার রাজনৈতিক নেতৃত্বকে চোখের সামনে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে তার। 

সোহানা বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম পাস করব। যার কাছেই গেছি, তিনি আমাকে ভোট দেয়ার কথা বলেছিলেন। 

নির্বাচনী প্রচারে বাধা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অপর প্রার্থীরা আমার মনোবল হারাতে পোস্টার ছিঁড়েছে। রাতে দেয়ালে স্টিকার লাগিয়েছি; সকালে গিয়েই দেখতাম ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। 

‘এমনকি নির্বাচনের আগের রাতেও প্রশাসন দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হয়েছে। কিন্তু এতে আমার মনের শক্তি আরও বেড়েছে।’

তিনি আরও বলে, মানুষের সেবার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনাটা চালিয়ে যাব। কাউন্সিলর হওয়ার কারণে এখন আমাকে দ্বিগুণ পরিশ্রম করতে হবে। তবে সেটি মেনে নিয়েই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-২০২০

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০