‘কাগজ ব্যবসায়ীদের অবস্থান ধর্মঘট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

কাগজ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট।
কাগজ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট। ফাইল ছবি

‘কাগজ ব্যবসায়ীদের অবস্থান ধর্মঘট’ শিরোনামে শনিবার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকার কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘প্রকাশিত সংবাদের ৬ষ্ঠ অনুচ্ছেদে কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীরের আত্মীয়-স্বজনের নামে বেনামে ৬টি বন্ড ও এএন্ডএফ লাইসেন্স রয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওই ৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে ৫টি প্রতিষ্ঠানের নাম সংবাদে উল্লেখিত রয়েছে। এদের মধ্যে ৪টি প্রতিষ্ঠান (গ্রিণ স্টার ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, মেসার্স সার্ভিস লাইন্স লিমিটেড, ফুজিয়ান এক্সপোর্ট ইন্ডাট্রিজ লিমিটেড এবং হ্যাংসাং ইন্ডাট্রিজ লিমিটেড) এ দফতরের আওতাধীন নয়। তবে আইডিয়াল পলিমার এক্সপোর্ট লিমিটেড, ঠিকানা- উথুড়া বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ নামীয় প্রতিষ্ঠানটির নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি এ দফতর থেকে ওয়্যার হাউজ লাইসেন্স গ্রহণ করেছে গত ৫ নভেম্বর ২০১৩ সালে। এ দফতরের বর্তমান কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীর দফটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন গত বছরের ১৯ জানুয়ারি’।

‘সুতরাং ওই প্রতিষ্ঠানের বন্ড লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এ দফতরের কমিশনার এসএম হুমায়ুন কবীরের সম্পৃক্ততা থাকার কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া ওই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা/পরিচালনা পর্যদের সদস্যরা হলেন, এস এম আমজাদ হোসেন ও মো. আমজাদ হোসেন। এদের কেউই এ দফতরের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। এ ছাড়াও এ দফতর কর্তৃক উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে সর্বশেষ অনুমোদিত আমদানি প্রাপ্যতার মোট পরিমাণ ১০ হাজার ৩৮০ মে. টন; যা প্রতিবেদনে উল্লেখিত প্রাপ্যতার পরিমাণের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ’।

প্রতিবাদ লিপিতে আরও বলা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক বন্ড সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধ, রাজস্ব আহরণ এবং দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশনা ও কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবীরের গতিশীল নেতৃত্বে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট ঢাকা নিয়মিতভাবে বিষেশ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।’

প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়, ‘২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্তর দফতরটির পক্ষ থেকে ২১৫টি প্রিভেনটিভ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ২০৭ কোটি টাকার শূল্ক-করাদি ফাঁকি উদঘাটন করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় ১০৩ কোটি টাকা রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। এ ছাড়া বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের অভিযোগ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় ২০১৯ সালে মোট ৩৯০টি বন্ড লাইসেন্স সাসপেন্ড ও BIN Lock করা হয়েছে।’

এছাড়াও এ দফতর কর্তৃক বন্ডেড অবৈধ পণ্যের দুর্ভেদ্য ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পুরাতন ঢাকার ইসলামপুর, সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১১টি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৫৬ ২৬
বিশ্ব ৯,৩৬,২০৪ ১,৯৪,৫৭৮ ৪৭,২৪৯
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×