জুরাইনে রাস্তায় পড়ে ছিল লাশ, আতঙ্কে কাছে যায়নি কেউ
jugantor
জুরাইনে রাস্তায় পড়ে ছিল লাশ, আতঙ্কে কাছে যায়নি কেউ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৬ এপ্রিল ২০২০, ১৯:৫৯:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

লাশ

রাজধানীর জুরাইন মুন্সিবাড়ি ঢালে প্রধান সড়কের পাশে মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন নাসির উদ্দিন (৬৬) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

রোববার রাতে দীর্ঘক্ষণ পড়েছিল ওই ব্যক্তির লাশ। স্থানীয় লোকজন দেখলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ভয়ে কেউ তার কাছে যায়নি। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় আতংক।

পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। পরে মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশ ওই ব্যক্তির লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তবে পুলিশের ধারণা, হৃদরোগের কারণে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে।

শ্যামপুর থানার ওসি মফিজুল আলম যুগান্তরকে বলেছেন, ‘রাতে জুরাইন মুন্সিবাড়ির ঢালে একটি মৃতদেহ পড়ে আছে এমন খবর পাওয়া যায়। করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণে স্থানীয়রা লাশের কাছে না গিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নিহতের কাছে ফোন নাম্বারে থানা ফোনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায়, নিহত ওই ব্যক্তির নাম নাসির উদ্দিন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নাসির উদ্দিনের বাসা কমদতলীতে। তিনি ফুটপাতে ছোটখাটো ব্যবসা করতেন। দুপুরে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরি আসেননি।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি জানন, নাসির উদ্দিন এর আগেও একবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার দেহের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ ছিল না বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন। তারপরও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

জুরাইনে রাস্তায় পড়ে ছিল লাশ, আতঙ্কে কাছে যায়নি কেউ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৬ এপ্রিল ২০২০, ০৭:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাশ
ফাইল ছবি

রাজধানীর জুরাইন মুন্সিবাড়ি ঢালে প্রধান সড়কের পাশে মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন নাসির উদ্দিন (৬৬) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। 

রোববার রাতে দীর্ঘক্ষণ পড়েছিল ওই ব্যক্তির লাশ। স্থানীয় লোকজন দেখলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ভয়ে কেউ তার কাছে যায়নি। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের এলাকায় দেখা দেয় আতংক। 

পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। পরে মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশ ওই ব্যক্তির লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তবে পুলিশের ধারণা, হৃদরোগের কারণে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে।

শ্যামপুর থানার ওসি মফিজুল আলম যুগান্তরকে বলেছেন, ‘রাতে জুরাইন মুন্সিবাড়ির ঢালে একটি মৃতদেহ পড়ে আছে এমন খবর পাওয়া যায়। করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণে স্থানীয়রা লাশের কাছে না গিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নিহতের কাছে ফোন নাম্বারে থানা ফোনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায়, নিহত ওই ব্যক্তির নাম নাসির উদ্দিন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নাসির উদ্দিনের বাসা কমদতলীতে। তিনি ফুটপাতে ছোটখাটো ব্যবসা করতেন। দুপুরে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরি আসেননি।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি জানন, নাসির উদ্দিন এর আগেও একবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার দেহের মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ ছিল না বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন। তারপরও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।  

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও খবর