বন্দি অবস্থায় মারা গেলেন তারেক মাসুদের ঘাতক সেই বাসচালক

  যুগান্তর রিপোর্ট ০২ আগস্ট ২০২০, ১৫:৪৭:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং খ্যাতিমান চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীর ও ঘাতক বাসচালক জামির হোসেন। (বাঁ থেকে)

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং খ্যাতিমান চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরের মৃত্যুতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বাসচালক জামির হোসেন মারা (৬০) গেছেন।

শনিবার ঈদের দিন সকালে ঢাকার শহীদ সোহওয়ার্দী হৃদরোগ ইন্সিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই আসামি।

বাসচালক জামির হোসেনের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার দৌলাতদিয়াড় গ্রামের স্কুলপাড়ায়। তিনি চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের চালক ছিলেন।

জামিরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তার মরদেহ নিজ গ্রামে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের ব্যবস্থাপক আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জামির হোসেন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকাকালে শুক্রবার হৃদ্‌রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর অবস্থায় ওই দিনই তাকে কারাগার থেকে ঢাকার জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঈদের দিন সকালে তিনি মারা যান।

প্রসঙ্গত, সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরের নিহতের ঘটনাটি ছিল সে বছরের বেশ আলোচিত ঘটনা। ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট গাবতলী-পাটুরিয়া সড়কের মানিকগঞ্জ ঘিওরে মাইক্রোবাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগে জমির হোসেনের চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স পরিবহনের বাসটির। ঘটনাস্থলে তারেক মাসুদ ও মিশুক মনিরসহ মোট ৫ জন মারা যান। আহতদের মধ্যে তারেক মাসুদের স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদসহ অন্য আরোহীরা বেঁচে যান।

সে ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় মেহেরপুর গাংনীর চৌগাছা থেকে গ্রেফতার করা হয় বাসচালক জামির হোসেনকে। বিচারে জামির হোসেনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত