বেরাইদে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ
jugantor
বেরাইদে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৬ আগস্ট ২০২০, ২৩:৩২:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪২নং ওয়ার্ড বেরাইদে ফকিরখালিসহ বন্যাদুর্গত এলাকায় বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফা ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু।

এক হাজার পরিবারকে ১৫ কেজি করে ত্রাণসামগ্রী দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, লবণ ও ওরস্যালাইন। ৩০ জুলাই প্রথমবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ত্রাণ বিতরণকাজে সহযোগিতা করেন সাবেক ইউপি সদস্য এস এইচ সুজন, মাজহারুল ইসলাম মিন্টু, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু মনে বলেন, ‘ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ-কাম-ইস্টার্ণ বাইপাস সড়ক প্রকল্প’ এই অঞ্চলে বন্যার দুর্ভোগ থেকে বাঁচার একমাত্র সমাধান।

১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের প্লাবনের পর এবারই বড় বন্যার কবলে পড়েছে বালুুনদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের মানুষ। ফকিরখালিসহ বেশকিছু জনপদের মানুষ মাসখানেক ধরে বন্যার সঙ্গে লড়াই করছে। 

বাড়ির চালা, উঠোন ও হেঁসেল পেরিয়ে বসতঘরে ঢুকেছে বন্যার পানি।একদিকে পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে টেকা দায়, অন্যদিকে রাতে সাপ-জোঁকের ভয়। অনেকেরই চালচুলা বন্ধ, ভুগছেন খাবারের কষ্ট।

এলাকাবাসীর জানায়, ‘ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম-ইস্টার্ণ বাইপাস সড়ক প্রকল্প’ বাস্তবায়নের কথা বন্যা আসলেই কেবল প্রশাসনের মনে পড়ে, ফাইল নাড়াচড়া শুরু হয়। বন্যা কেটে গেলে ‘যেই লাউ সেই কদু’।

১৯৮৮ সালের বন্যার সময় রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলে বন্যা প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তৎকালিন সরকার। নির্মিত হয় বাাঁধ। পূর্বাঞ্চলে বানের পানি প্রবেশ ঠেকাতে প্রগতি সরণি উঁচু করা হয়। অতিবর্ষণে গুলশান লেক, রামপুরা এলাকাসহ মহানগরীর ভেতরকার বাড়তি পানি সরাতে রামপুরা ব্রিজের পাশে পাম্পহাউস স্থাপন করা হয়। ডেমরা রোডে পাকা ওয়াল নির্মাণ করে সামাল দেয়া হয় বানের পানি।

এক দশক পর ১৯৯৮ সালে আবার বন্যা।বাঁধ নির্মাণের ইস্যু আবার সামনে চলে আসে। শুরু হয় ফাইল চালাচালি। বালুনদে ড্রেজিং। 

উদ্দেশ্য নদীর মাটি বাঁধ নির্মাণ কাজে লাগানো যায় কীনা, পরীক্ষা করে দেখা। এতোকিছুর পর আবার সবকিছু ঝিমিয়ে পড়ে। চলতি বছর ফের বন্যার কবলে দেশের বড় একটি অংশ। 

রাজধানীও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তলিয়ে গেছে ফকিরখালিসহ নিম্নাঞ্চল।পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, সবকিছু যথাসময়ে সম্পন্ন হলে আগামীবছর ইস্টার্ণ বাইপাস সড়কের নির্মাণকাজ শুরু হবে।
 

বেরাইদে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৬ আগস্ট ২০২০, ১১:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৪২নং ওয়ার্ড বেরাইদে ফকিরখালিসহ বন্যাদুর্গত এলাকায় বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফা ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু।

এক হাজার পরিবারকে ১৫ কেজি করে ত্রাণসামগ্রী দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, আলু, তেল, পেঁয়াজ, লবণ ও ওরস্যালাইন। ৩০ জুলাই প্রথমবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে ত্রাণ বিতরণকাজে সহযোগিতা করেন সাবেক ইউপি সদস্য এস এইচ সুজন, মাজহারুল ইসলাম মিন্টু, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু মনে বলেন, ‘ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ-কাম-ইস্টার্ণ বাইপাস সড়ক প্রকল্প’ এই অঞ্চলে বন্যার দুর্ভোগ থেকে বাঁচার একমাত্র সমাধান।

১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের প্লাবনের পর এবারই বড় বন্যার কবলে পড়েছে বালুুনদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের মানুষ। ফকিরখালিসহ বেশকিছু জনপদের মানুষ মাসখানেক ধরে বন্যার সঙ্গে লড়াই করছে।

বাড়ির চালা, উঠোন ও হেঁসেল পেরিয়ে বসতঘরে ঢুকেছে বন্যার পানি।একদিকে পঁচা-দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে টেকা দায়, অন্যদিকে রাতে সাপ-জোঁকের ভয়। অনেকেরই চালচুলা বন্ধ, ভুগছেন খাবারের কষ্ট।

এলাকাবাসীর জানায়, ‘ঢাকা সমন্বিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কাম-ইস্টার্ণ বাইপাস সড়ক প্রকল্প’ বাস্তবায়নের কথা বন্যা আসলেই কেবল প্রশাসনের মনে পড়ে, ফাইল নাড়াচড়া শুরু হয়। বন্যা কেটে গেলে ‘যেই লাউ সেই কদু’।

১৯৮৮ সালের বন্যার সময় রাজধানীর পশ্চিমাঞ্চলে বন্যা প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তৎকালিন সরকার। নির্মিত হয় বাাঁধ। পূর্বাঞ্চলে বানের পানি প্রবেশ ঠেকাতে প্রগতি সরণি উঁচু করা হয়। অতিবর্ষণে গুলশান লেক, রামপুরা এলাকাসহ মহানগরীর ভেতরকার বাড়তি পানি সরাতে রামপুরা ব্রিজের পাশে পাম্পহাউস স্থাপন করা হয়। ডেমরা রোডে পাকা ওয়াল নির্মাণ করে সামাল দেয়া হয় বানের পানি।

এক দশক পর ১৯৯৮ সালে আবার বন্যা।বাঁধ নির্মাণের ইস্যু আবার সামনে চলে আসে। শুরু হয় ফাইল চালাচালি। বালুনদে ড্রেজিং।

উদ্দেশ্য নদীর মাটি বাঁধ নির্মাণ কাজে লাগানো যায় কীনা, পরীক্ষা করে দেখা। এতোকিছুর পর আবার সবকিছু ঝিমিয়ে পড়ে। চলতি বছর ফের বন্যার কবলে দেশের বড় একটি অংশ।

রাজধানীও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তলিয়ে গেছে ফকিরখালিসহ নিম্নাঞ্চল।পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি সূত্র জানায়, সবকিছু যথাসময়ে সম্পন্ন হলে আগামীবছর ইস্টার্ণ বাইপাস সড়কের নির্মাণকাজ শুরু হবে।