মামলা থেকে মুক্ত হয়ে আলোচিত শাফিনের সংবাদ সম্মেলন
jugantor
মামলা থেকে মুক্ত হয়ে আলোচিত শাফিনের সংবাদ সম্মেলন

  অনলাইন ডেস্ক  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:০৯:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

গত বছর জুলাই মাসে ইংলিশ স্পোকেন এবং কোচিং সেন্টার শাফিন'স এর মালিক শেখ বুলবুল আহমেদ শাফিন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানী মামলাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক ভিডিও ও ছবি ট্রল হয়। তবে মামলার এজাহারে যে সময় যৌন হয়রানীর অভিযোগ করা হয় সে সময় দেশেই ছিলেন না শাফিন।

এমনকি মামলার কথিত বাদী নারী সাদিয়া আফরিনের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পায়নি পুলিশ। মামলায় একাধিক বার আদালতে হাজিরা দেন শাফিন কিন্তু বাদী সাদিয়া আফরিন একবারও আদালতে আসেননি। অবশেষে মামলার আসামি শেখ বুলবুল আহমেদকে (শাফিন) মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন আদালত।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা দিয়ে সম্মানহানি ও ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি এই মিথ্যা মামলা দেয়ার সাথে জড়িত এবং এখনো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা শাফিনের বিরুদ্ধে কুৎসা রাটাচ্ছে তাদের বিচার দাবি করেন।

শাফিন বলেন, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে ইংলিশ স্পোকেন ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ সেন্টার শাফিন'স এর মাধ্যমে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি পেশাজীবীদের ইংরেজি ভাষা শিখিয়ে আসছেন। কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি গত পাঁচ বছর যাবত তিনি নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অনলাইনে ফ্রি ইংলিশ শিখিয়ে আসছেন। যার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিনা মূল্যে ইংরেজি ভাষা শিখতে পারছে।

সম্প্রতি শেখ বুলবুল আহমেদের (শাফিন) ইউটিউব চ্যানেলটি দেশের শীর্ষ চ্যানেলে পরিণত হয়, চ্যানেলটিতে সাবস্ক্রাইবার ৬ লাখেরও বেশি। তবে একটি কুচক্রী মহলের চোখ পড়ে তার ব্যবসায়িক সাফল্য ও জনপ্রিয়তায়। গত বছর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে শেখ বুলবুল আহমেদের সাথে সুপে ব্যাটারি পাওয়া নিয়ে ঘটে যাওয়া একটি তুচ্ছ ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

ওই ঘটনার পরই একটি মহল তার ব্যবসায়িক ক্ষতি ও সম্মানহানির জন্য নানা তৎপরতা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের জুলাইয়ে তার নামে তারই কোচিং সেন্টারের ছাত্রী পরিচয়ে এক তরুণী যৌন হয়রানীর মামলা করে। যা ইতিমধ্যেই আদালতে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।

সাদিয়া আরফিন নামক ওই তরুণী বাদী হয়ে মিরপুর পল্লবী থানায় গত বছরের ১০ জুলাই শেখ বুলবুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। যে মামলার চার্জশিট নম্বর ১২০ যা ২ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

শেখ বুলবুলের দাবি, কুচক্রী মহলটি ওই তরুণীকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা ওই তরুণীকে দিয়ে একটি চ্যানেলের সহযোগিতা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই আমাকে অপরাধী করে সংবাদ পরিবেশন করে যা আমার ইমেজকে আরো ক্ষুণ্ণ করেছে। এ কুচক্রী মহলের বিচার দাবি করেন শেখ বুলবুল আহমেদ শাফিন।

মামলা থেকে মুক্ত হয়ে আলোচিত শাফিনের সংবাদ সম্মেলন

 অনলাইন ডেস্ক 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত বছর জুলাই মাসে ইংলিশ স্পোকেন এবং কোচিং সেন্টার শাফিন'স এর মালিক শেখ বুলবুল আহমেদ শাফিন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানী মামলাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক ভিডিও ও ছবি ট্রল হয়। তবে মামলার এজাহারে যে সময় যৌন হয়রানীর অভিযোগ করা হয় সে সময় দেশেই ছিলেন না শাফিন।

এমনকি মামলার কথিত বাদী নারী সাদিয়া আফরিনের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পায়নি পুলিশ। মামলায় একাধিক বার আদালতে হাজিরা দেন শাফিন কিন্তু বাদী সাদিয়া আফরিন একবারও আদালতে আসেননি। অবশেষে মামলার আসামি শেখ বুলবুল আহমেদকে (শাফিন) মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন আদালত।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা দিয়ে সম্মানহানি ও ব্যবসায়িক ক্ষতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি এই মিথ্যা মামলা দেয়ার সাথে জড়িত এবং এখনো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা শাফিনের বিরুদ্ধে কুৎসা রাটাচ্ছে তাদের বিচার দাবি করেন।

শাফিন বলেন, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে ইংলিশ স্পোকেন ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ সেন্টার শাফিন'স এর মাধ্যমে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি পেশাজীবীদের ইংরেজি ভাষা শিখিয়ে আসছেন। কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি গত পাঁচ বছর যাবত তিনি নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অনলাইনে ফ্রি ইংলিশ শিখিয়ে আসছেন। যার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ বিনা মূল্যে ইংরেজি ভাষা শিখতে পারছে।

সম্প্রতি শেখ বুলবুল আহমেদের (শাফিন) ইউটিউব চ্যানেলটি দেশের শীর্ষ চ্যানেলে পরিণত হয়, চ্যানেলটিতে সাবস্ক্রাইবার ৬ লাখেরও বেশি। তবে একটি কুচক্রী মহলের চোখ পড়ে তার ব্যবসায়িক সাফল্য ও জনপ্রিয়তায়। গত বছর গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে শেখ বুলবুল আহমেদের সাথে সুপে ব্যাটারি পাওয়া নিয়ে ঘটে যাওয়া একটি তুচ্ছ ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।

ওই ঘটনার পরই একটি মহল তার ব্যবসায়িক ক্ষতি ও সম্মানহানির জন্য নানা তৎপরতা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের জুলাইয়ে তার নামে তারই কোচিং সেন্টারের ছাত্রী পরিচয়ে এক তরুণী যৌন হয়রানীর মামলা করে। যা ইতিমধ্যেই আদালতে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।

সাদিয়া আরফিন নামক ওই তরুণী বাদী হয়ে মিরপুর পল্লবী থানায় গত বছরের ১০ জুলাই শেখ বুলবুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। যে মামলার চার্জশিট নম্বর ১২০ যা ২ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

শেখ বুলবুলের দাবি, কুচক্রী মহলটি ওই তরুণীকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা ওই তরুণীকে দিয়ে একটি চ্যানেলের সহযোগিতা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই আমাকে অপরাধী করে সংবাদ পরিবেশন করে যা আমার ইমেজকে আরো ক্ষুণ্ণ করেছে। এ কুচক্রী মহলের বিচার দাবি করেন শেখ বুলবুল আহমেদ শাফিন।