ঢাকা-৫ উপনির্বাচন: শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
jugantor
ঢাকা-৫ উপনির্বাচন: শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৪৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ভয়ভীতি ও হামলা-মামলা উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এ আসনে ১৭ অক্টোবর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার পর থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গাড়িবহর নিয়ে প্রচার শুরু করেছেন।

নির্বাচন কমিশনে এ বিষয়ে অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয়নি। অথচ আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রচারে দুই দিন হামলা চালানো হয়েছে। যতই হামলা চালানো হোক শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মাঠে থাকব। ঘরে ফিরে যাব না।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বুধবার বেলা ১১টায় সায়েদাবাদ আর কে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের সামনে পূর্বঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচি ছিল; যা একদিন আগেই আমরা পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করেছি। কিন্তু আজকে পুলিশ প্রশাসনের সামনেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর আবুল কালাম অনুর নেতৃত্ব এ হামলা চালানো হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের ওপর বারবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং আওয়ামী লীগ নেতা হারুন আর রশিদের নেতৃত্বে হামলা চালানো হচ্ছে। এভাবে আমাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখা যাবে না। আমরা জনগণের কাছে যাব। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকব। নির্বাচন কমিশনকে পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর ব্যত্যয় ঘটলে এখান থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। আবার যদি হামলা হয়, জনগণ রুখে দাঁড়াবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা অলীক কল্পনা। এটা আশা করা যায় না। নির্বাচন কমিশন তো স্বীকারই করে নিয়েছে রাতে নির্বাচন হয়। এবার আর হবে না। আসলে নির্বাচন কমিশন পাপের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ হুড়মুড় করে আসবে। ধানের শীষের পক্ষে জনস্রোত তৈরি হবে। আর আওয়ামী লীগ লেজ গুটিয়ে পালাবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, ভোট দিয়েছে ধানের শীষে চলে গেছে নৌকায়। এটা বিগত প্রতিটি নির্বাচনে এমনটা হয়েছে। নির্বাচনে প্রচারণায় বাধা ও হামলা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, তামাশার নির্বাচন থেকে সরে আসুন, সুষ্ঠু নির্বাচন না দিতে পারলে সরে দাঁড়ান। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। মাঠে আছি শেষ পর্যন্ত থাকব।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আবদুস সালাম আজাদ, তানভীর আহমদে রবিন প্রমুখ।

বুধবার ১১টায় রাজধানীর সায়েদাবাদ আর কে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের সামনে ধানের শীষের প্রার্থী সালাউদ্দিনের পূর্বঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করতে পারেনি। কর্মসূচি শুরুর আগেই সেখানে জড়ো হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন অভিযোগ করেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হয়। তারা মঙ্গলবারও হামলা চালিয়েছে। এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ হতে পারে না।

ঢাকা-৫ উপনির্বাচন: শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভয়ভীতি ও হামলা-মামলা উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এ আসনে ১৭ অক্টোবর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার পর থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গাড়িবহর নিয়ে প্রচার শুরু করেছেন।

নির্বাচন কমিশনে এ বিষয়ে অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয়নি। অথচ আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রচারে দুই দিন হামলা চালানো হয়েছে। যতই হামলা চালানো হোক শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মাঠে থাকব। ঘরে ফিরে যাব না।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বুধবার বেলা ১১টায় সায়েদাবাদ আর কে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের সামনে পূর্বঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচি ছিল; যা একদিন আগেই আমরা পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করেছি। কিন্তু আজকে পুলিশ প্রশাসনের সামনেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর আবুল কালাম অনুর নেতৃত্ব এ হামলা চালানো হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের ওপর বারবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং আওয়ামী লীগ নেতা হারুন আর রশিদের নেতৃত্বে হামলা চালানো হচ্ছে। এভাবে আমাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখা যাবে না। আমরা জনগণের কাছে যাব। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকব। নির্বাচন কমিশনকে পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর ব্যত্যয় ঘটলে এখান থেকেই সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। আবার যদি হামলা হয়, জনগণ রুখে দাঁড়াবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে এটা অলীক কল্পনা। এটা আশা করা যায় না। নির্বাচন কমিশন তো স্বীকারই করে নিয়েছে রাতে নির্বাচন হয়। এবার আর হবে না। আসলে নির্বাচন কমিশন পাপের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণ হুড়মুড় করে আসবে। ধানের শীষের পক্ষে জনস্রোত তৈরি হবে। আর আওয়ামী লীগ লেজ গুটিয়ে পালাবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, ভোট দিয়েছে ধানের শীষে চলে গেছে নৌকায়। এটা বিগত প্রতিটি নির্বাচনে এমনটা হয়েছে। নির্বাচনে প্রচারণায় বাধা ও হামলা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, তামাশার নির্বাচন থেকে সরে আসুন, সুষ্ঠু নির্বাচন না দিতে পারলে সরে দাঁড়ান। ভোটের অধিকার ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। মাঠে আছি শেষ পর্যন্ত থাকব।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, আবদুস সালাম আজাদ, তানভীর আহমদে রবিন প্রমুখ।

বুধবার ১১টায় রাজধানীর সায়েদাবাদ আর কে চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের সামনে ধানের শীষের প্রার্থী সালাউদ্দিনের পূর্বঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করতে পারেনি। কর্মসূচি শুরুর আগেই সেখানে জড়ো হওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন অভিযোগ করেন, পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হয়। তারা মঙ্গলবারও হামলা চালিয়েছে। এটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ হতে পারে না।