লাশের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার: মুন্নার বিচার চাইলেন তার বাবা
jugantor
লাশের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার: মুন্নার বিচার চাইলেন তার বাবা

  রাজবাড়ী প্রতিনিধি  

২১ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫৯:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

লাশের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার: মুন্নার বিচার চাইলেন তার বাবা

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে মৃত কিশোরীদের ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হাতে গ্রেফতার ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্তের বিচার চাইলেন তার বাবা সুইপার দুলাল ভক্ত।

তিনি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের জুরান মোল্লার পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার ভোরে দুলাল ভক্তের সঙ্গে যুগান্তরের কথা হলে তিনি বলেন, মুন্না গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিল।

‘এরপর আমার স্ত্রীর মেজভাই যতন কুমার লালের সঙ্গে মর্গে ডোমের সহযোগী হয়ে দেড়বছর ধরে তার বাসায় থেকে কাজ করতো।’

দুলাল ভক্ত বলেন, শুক্রবার মানুষের মুখে শুনলাম, আমার ছেলে মুন্না ভক্ত বড় একটা অপকর্ম করেছে; এবং মানুষজন সেটা শুনে ছি ছি করছে! ছেলেমানুষ একটা বড় অন্যায় করেছে; মুন্না যদি বড় কোনো অপকর্ম করে, তাহলে আমি তার বিচার দাবি করি।

তিনি আরও বলেন, তার এ অপকর্মের অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত।

স্থানীয় বাসিন্দা অনিল ভক্ত বলেন, মুন্নার আচরণ আগে থেকেই খারাপ ছিলো, মাঝে মাঝে সে নেশা করতো বলে শুনতাম। পরে আমাদের এখান থেকে সে ঢাকায় চলে যায়; তবে মুন্না যে ধরনের অপকর্ম করেছে এইজন্য অবশ্যই তার বিচার হওয়া উচিত।

গোয়ালন্দ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের জুরান মোল্লাপাড়ার সুইপার কলোনির বাসিন্দা মিঠু ভক্ত বলেন, কোনো মানুষ যে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে, সেটা আমার জীবনে এই প্রথম শুনলাম, তার এ অপকর্মের কথা মুখে আনাও আমাদের পাপ।

গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন মৃত কিশোরীর মরদেহ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। ওই কিশোরীদের বয়স ছিলো ১১ থেকে ১৭ বছর।

আত্মহত্যার পর তাদের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়।

লাশের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার: মুন্নার বিচার চাইলেন তার বাবা

 রাজবাড়ী প্রতিনিধি 
২১ নভেম্বর ২০২০, ১০:৫৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাশের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচার: মুন্নার বিচার চাইলেন তার বাবা
ছবি: যুগান্তর

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের লাশকাটা ঘরে মৃত কিশোরীদের ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হাতে গ্রেফতার ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্তের বিচার চাইলেন তার বাবা সুইপার দুলাল ভক্ত।

তিনি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের জুরান মোল্লার পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার ভোরে দুলাল ভক্তের সঙ্গে যুগান্তরের কথা হলে তিনি বলেন, মুন্না গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিল।

‘এরপর আমার স্ত্রীর মেজভাই যতন কুমার লালের সঙ্গে মর্গে ডোমের সহযোগী হয়ে দেড়বছর ধরে তার বাসায় থেকে কাজ করতো।’

দুলাল ভক্ত বলেন, শুক্রবার মানুষের মুখে শুনলাম, আমার ছেলে মুন্না ভক্ত বড় একটা অপকর্ম করেছে; এবং মানুষজন সেটা শুনে ছি ছি করছে! ছেলেমানুষ একটা বড় অন্যায় করেছে; মুন্না যদি বড় কোনো অপকর্ম করে, তাহলে আমি তার বিচার দাবি করি।

তিনি আরও বলেন, তার এ অপকর্মের  অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত।

স্থানীয় বাসিন্দা অনিল ভক্ত বলেন, মুন্নার আচরণ আগে থেকেই খারাপ ছিলো, মাঝে মাঝে সে নেশা করতো বলে শুনতাম। পরে আমাদের এখান থেকে সে ঢাকায় চলে যায়; তবে মুন্না যে ধরনের অপকর্ম করেছে এইজন্য অবশ্যই তার বিচার হওয়া উচিত।

গোয়ালন্দ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের জুরান মোল্লাপাড়ার সুইপার কলোনির বাসিন্দা মিঠু ভক্ত বলেন, কোনো মানুষ যে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে, সেটা আমার জীবনে এই প্রথম শুনলাম, তার এ অপকর্মের কথা মুখে আনাও আমাদের পাপ।

গত বছরের ২৯ মার্চ থেকে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন মৃত কিশোরীর মরদেহ ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি। ওই কিশোরীদের বয়স ছিলো ১১ থেকে ১৭ বছর।

আত্মহত্যার পর তাদের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়।