হাজী সেলিমের এলাকায় আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
jugantor
হাজী সেলিমের এলাকায় আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

  পুরান ঢাকা প্রতিনিধি  

২৩ নভেম্বর ২০২০, ১৫:১২:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

উচ্ছেদ অভিযান

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

সোমবার বেলা ১১টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। দ্বিতীয় দিনের মতো চলা এ অভিযানে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। আজকের অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

এ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব জামিল। ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিমসহ সংস্থাটির অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

ঘটনাস্থল থেকে আমাদের পুরান ঢাকা প্রতিনিধি জানান, আজ মিটফোর্ড হাসপাতালের পাশের বালুঘাট থেকে পশ্চিম দিকে প্রায় শতাধিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।

এ ছাড়া হাজী সেলিমের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন ট্রান্সপোর্টের অফিস উচ্ছেদ করা হয়েছে।

তবে বিআইডব্লিউটিএর জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হাজী সেলিমের ‘চান সরদার কোল্ডস্টোরেজ’ উচ্ছেদ করা হয়নি। ভেতরে কাঁচামাল থাকায় পরে এটি নিজেরাই ভেঙে ফেলবে বলে জানিয়েছে কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী যুগান্তরকে জানান, সকাল থেকে আমরা এ পর্যন্ত অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। অভিযান এখনও চলছে।

হাজী সেলিমের কোল্ডস্টোরেজ না ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোল্ডস্টোরেজটির ভেতরে ব্যবসায়ীদের কাঁচামাল রয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযান চালালে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাই স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সেটি ভাঙা হয়নি। তবে মালামাল সরানোর পর তারা নিজেরাই এটি ভেঙে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত গতকাল রোববার ওয়াইজঘাট থেকে বাদামতলী এলাকা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বাদামতলী এলাকায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন। গতকালের অভিযানে ১৭০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এতে উদ্ধার হয় নদীতীরের অন্তত তিন একর জমি।

হাজী সেলিমের এলাকায় আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

 পুরান ঢাকা প্রতিনিধি 
২৩ নভেম্বর ২০২০, ০৩:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উচ্ছেদ অভিযান
ছবি-সংগৃহীত

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। 

সোমবার বেলা ১১টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়। দ্বিতীয় দিনের মতো চলা এ অভিযানে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আরও শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। আজকের অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজসংলগ্ন এলাকা থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত নদীর জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

এ অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব জামিল। ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিমসহ সংস্থাটির অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

ঘটনাস্থল থেকে আমাদের পুরান ঢাকা প্রতিনিধি জানান, আজ মিটফোর্ড হাসপাতালের পাশের বালুঘাট থেকে পশ্চিম দিকে প্রায় শতাধিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে।  

এ ছাড়া হাজী সেলিমের ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন ট্রান্সপোর্টের অফিস উচ্ছেদ করা হয়েছে। 

তবে বিআইডব্লিউটিএর জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা হাজী সেলিমের ‘চান সরদার কোল্ডস্টোরেজ’ উচ্ছেদ করা হয়নি। ভেতরে কাঁচামাল থাকায় পরে এটি নিজেরাই ভেঙে ফেলবে বলে জানিয়েছে কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ। 

ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক (বন্দর) গুলজার আলী যুগান্তরকে জানান, সকাল থেকে আমরা এ পর্যন্ত অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। অভিযান এখনও চলছে।  

হাজী সেলিমের কোল্ডস্টোরেজ না ভাঙার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোল্ডস্টোরেজটির ভেতরে ব্যবসায়ীদের কাঁচামাল রয়েছে। 
উচ্ছেদ অভিযান চালালে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাই স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের অনুরোধে সেটি ভাঙা হয়নি। তবে মালামাল সরানোর পর তারা নিজেরাই এটি ভেঙে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত গতকাল রোববার ওয়াইজঘাট থেকে বাদামতলী এলাকা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। হাজী সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বাদামতলী এলাকায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেছিলেন। গতকালের অভিযানে ১৭০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এতে উদ্ধার হয় নদীতীরের অন্তত তিন একর জমি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : হাজী সেলিমপুত্র ইরফানের কাণ্ড