মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে দগ্ধ কিশোর
jugantor
মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে দগ্ধ কিশোর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ নভেম্বর ২০২০, ১১:৩২:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে দগ্ধ কিশোর

রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক কিশোর দগ্ধ হয়েছে। তার নাম মো. রকিব (১৫)।

সোমবার রাতে তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আগুনে ওই কিশোরের শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

দগ্ধ রাকিব কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানা এলাকার মাতকলা গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে। তার পরিবার গ্রামে থাকলেও সে সাততলা বস্তিতে এক আত্মীয়ের বাসায় থেকে ট্রাকের লেবার হিসেবে কাজ করত।

দগ্ধ রাকিব জানায়, রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে সে। এর কিছুক্ষণ পরই ঘুমন্ত অবস্থায় শরীরে আগুনের তাপ অনুভব করে সে। এর পর তাকিয়ে দেখে চারদিকে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে সে ঘর থেকে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে যায়। তবে তার আগেই তার হাত, পা ও বুক দগ্ধ হয়।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ রাকিবের হাত, পা ও বুকসহ শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এর আগে রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

কন্ট্রোলরুমের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বলেন, মহাখালী সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালের সামনে সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটকে পাঠানো হয়। আগুনের গতিবেগ বেশি হওয়াতে পরে আরও ইউনিট যোগ করা হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করে।

কন্ট্রোলরুমের অপারেটর দানা মিয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে চারপাশে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে দগ্ধ কিশোর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ নভেম্বর ২০২০, ১১:৩২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুনে দগ্ধ কিশোর
ফাইল ছবি

রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক কিশোর দগ্ধ হয়েছে। তার নাম মো. রকিব (১৫)।

সোমবার রাতে তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এবং প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আগুনে ওই কিশোরের শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

দগ্ধ রাকিব কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানা এলাকার মাতকলা গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে। তার পরিবার গ্রামে থাকলেও সে সাততলা বস্তিতে এক আত্মীয়ের বাসায় থেকে ট্রাকের লেবার হিসেবে কাজ করত।

দগ্ধ রাকিব জানায়, রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে সে। এর কিছুক্ষণ পরই ঘুমন্ত অবস্থায় শরীরে আগুনের তাপ অনুভব করে সে। এর পর তাকিয়ে দেখে চারদিকে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে সে ঘর থেকে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে যায়। তবে তার আগেই তার হাত, পা ও বুক দগ্ধ হয়।

বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ রাকিবের হাত, পা ও বুকসহ শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এর আগে রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

কন্ট্রোলরুমের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বলেন, মহাখালী সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালের সামনে সাততলা বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটকে পাঠানো হয়। আগুনের গতিবেগ বেশি হওয়াতে পরে আরও ইউনিট যোগ করা হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করে।

কন্ট্রোলরুমের অপারেটর দানা মিয়া জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে চারপাশে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও  ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।