রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় স্বামী
jugantor
রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় স্বামী

  যুগান্তর রিপোর্ট    

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৪৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর হাজারীবাগে স্ত্রী হত্যার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ইউসুফ রানা নামের এক ব্যক্তি। পারিবারিক কলহের জেরে বুধবার রাতে লোহার বস্তু দিয়ে আঘাত করে রোকসানা আক্তার ময়নাকে (২৮) হত্যা করেন।

রায়েরবাজার হাইস্কুলের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য ময়নার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় লোহার বস্তু দিয়ে সরাসরি ময়নার মাথায় আঘাত করেন ইউসুফ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মৃতদেহ বাসায় রেখে দরজায় তালা লাগিয়ে ছোট ছোট দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে যান ইউসুফ।

হাজরীবাগ থানার ওসি সাজেদুর রহমান সাজিদ যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার পর ইউসুফ রানা তার দুই সন্তানকে নিয়ে তার মায়ের বাসায় যান। আমরা প্রথমে রানার ভাইকে আটক করি। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে এক বছর বয়সী সন্তানকে কোলে নিয়ে থানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল রানা। এসময় আমরা তাকে গ্রেফতার করি। গ্রেফতারের পর রানা পুলিশকে জানায়, আমি আত্মসমর্পণের জন্যই থানায় আসছিলাম।

হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহত ময়নার বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বারইনগর গ্রামে। এক ছেলে, এক মেয়ে নিয়ে স্বামী ইউসুফ রানার সঙ্গে পূর্ব রায়েরবাজার হাইস্কুলের পেছনে আনোয়ার খানের বাড়িতে থাকতেন। ময়না গৃহিণী ছিলেন। ইউসুফ ফুসকা বিক্রি করেন।

এসআই জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায়ও ঝগড়া হয়।

রাজধানীতে স্ত্রীকে হত্যার পর থানায় স্বামী

 যুগান্তর রিপোর্ট   
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর হাজারীবাগে স্ত্রী হত্যার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন ইউসুফ রানা নামের এক ব্যক্তি। পারিবারিক কলহের জেরে বুধবার রাতে লোহার বস্তু দিয়ে আঘাত করে রোকসানা আক্তার ময়নাকে (২৮) হত্যা করেন।

রায়েরবাজার হাইস্কুলের পেছনে এ ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তের জন্য ময়নার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায় লোহার বস্তু দিয়ে সরাসরি ময়নার মাথায় আঘাত করেন ইউসুফ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মৃতদেহ বাসায় রেখে দরজায় তালা লাগিয়ে ছোট ছোট দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে যান ইউসুফ।

হাজরীবাগ থানার ওসি সাজেদুর রহমান সাজিদ যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার পর ইউসুফ রানা তার দুই সন্তানকে নিয়ে তার মায়ের বাসায় যান। আমরা প্রথমে রানার ভাইকে আটক করি। পরে বৃহস্পতিবার ভোরে এক বছর বয়সী সন্তানকে কোলে নিয়ে থানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল রানা। এসময় আমরা তাকে গ্রেফতার করি। গ্রেফতারের পর রানা পুলিশকে জানায়, আমি আত্মসমর্পণের জন্যই থানায় আসছিলাম।

হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, নিহত ময়নার বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার বারইনগর গ্রামে। এক ছেলে, এক মেয়ে নিয়ে স্বামী ইউসুফ রানার সঙ্গে পূর্ব রায়েরবাজার হাইস্কুলের পেছনে আনোয়ার খানের বাড়িতে থাকতেন। ময়না গৃহিণী ছিলেন। ইউসুফ ফুসকা বিক্রি করেন।

এসআই জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। বুধবার সন্ধ্যায়ও ঝগড়া হয়।