‘আয়শা খানম জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন’
jugantor
‘আয়শা খানম জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৪২:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

নারী আন্দোলন ও মানবাধিকার আন্দোলনের অগ্রণী নেত্রী এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রোববার মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে অনলাইনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম।

স্মৃতিচারণ করেন চ্যানেল আইয়ের বিশেষ সংবাদদাতা জান্নাতুল বাকিয়া কেকা, সংগঠনের পাঠচক্রের সদস্য হালিমা তুস সাদিয়া, দৈনিক ভোরের কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার সেবিকা দেবনাথ, মেন এন্ড বয়েজ এনগেজমেন্টের জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হাবিবুর রহমান, হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশন্যালের প্রকল্প কর্মকর্তা নাজমা আরা বেগম পপি, দৈনিক যুগান্তরের রীতা ভৌমিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি, ডিবিসি নিউজের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ইশরাত জাহান উর্মি, অবস এন্ড গাইনোকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি সামিনা চৌধুরী, নারীপক্ষের সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার, সেভ দ্য চিলড্রেনের জেন্ডার অ্যাডভাইজার উম্মে সালমা বেগম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর অর্পিতা দাশ, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের ডেপুটি ডিরেক্টর শাহানাজ সুমী, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের নির্বাহী সমন্বয়ক জিনাত আরা হক, ব্লাস্টের অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর মাহবুবা আক্তার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরমিন্দ নিলোর্মী।

স্বাগত বক্তব্যে সীমা মোসলেম বলেন, আয়শা খানমের জীবনের যে জীবনের বহমানতা দেখি তাতে দেখি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সমাজের সর্বত্র সাম্য ও মৈত্রী প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। তিনি নারীর মানাবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারী আন্দোলন, অসাম্প্রদায়িকতা এবং প্রগতিশীলতার আন্দোলনে গোটা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।

সভায় বক্তারা আয়শা খানমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি ছিলেন অনেক বড় মাপের একজন নারী নেত্রী। তার যোগাযোগ তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন পর্যন্ত। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন আয়শা খানম।

তারা আরো বলেন, নারীদের অগ্রযাত্রায় মহিলা পরিষদের ভূমিকা যেমন শেষ করা যাবে না, তেমনি আয়শা খানমের অবদানের কথাও ভুলতে পারব না।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সবার সাথে কাজ করা, কৌশলী হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও দূরদর্শী ছিলেন। সাম্প্রদায়িকতার সাথে আপোষহীন থেকে তিনি সবসময় কাজ করেছেন। একজন আয়শা খানম হয়তো তৈরি হবে না, তবে নারী আন্দোলনের কাজ চলতে থাকবে তার দেখিয়ে যাওয়া পথ অনুসরণ করে।

সভার শুরুতে প্রয়াত সভাপতি আয়শা খানমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক বুলা ওসমানের মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের আইনজীবী দিপ্তী রানী সিকদার।

‘আয়শা খানম জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সাম্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারী আন্দোলন ও মানবাধিকার আন্দোলনের অগ্রণী নেত্রী এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানমের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রোববার মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে অনলাইনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম।

স্মৃতিচারণ করেন চ্যানেল আইয়ের বিশেষ সংবাদদাতা জান্নাতুল বাকিয়া কেকা, সংগঠনের পাঠচক্রের সদস্য হালিমা তুস সাদিয়া, দৈনিক ভোরের কাগজের সিনিয়র রিপোর্টার সেবিকা দেবনাথ, মেন এন্ড বয়েজ এনগেজমেন্টের জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হাবিবুর রহমান, হ্যান্ডিক্যাপ ইন্টারন্যাশন্যালের প্রকল্প কর্মকর্তা নাজমা আরা বেগম পপি, দৈনিক যুগান্তরের রীতা ভৌমিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি, ডিবিসি নিউজের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ইশরাত জাহান উর্মি, অবস এন্ড গাইনোকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি সামিনা চৌধুরী, নারীপক্ষের সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুন নাহার, সেভ দ্য চিলড্রেনের জেন্ডার অ্যাডভাইজার উম্মে সালমা বেগম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর অর্পিতা দাশ, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের ডেপুটি ডিরেক্টর শাহানাজ সুমী, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের নির্বাহী সমন্বয়ক জিনাত আরা হক, ব্লাস্টের অ্যাডভোকেসি ও কমিউনিকেশন বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর মাহবুবা আক্তার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরমিন্দ নিলোর্মী।

স্বাগত বক্তব্যে সীমা মোসলেম বলেন, আয়শা খানমের জীবনের যে জীবনের বহমানতা দেখি তাতে দেখি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সমাজের সর্বত্র সাম্য ও মৈত্রী প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন। তিনি নারীর মানাবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারী আন্দোলন, অসাম্প্রদায়িকতা এবং প্রগতিশীলতার আন্দোলনে গোটা জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।

সভায় বক্তারা আয়শা খানমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি ছিলেন অনেক বড় মাপের একজন নারী নেত্রী। তার যোগাযোগ তৃণমূল থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন পর্যন্ত। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব ছিলেন আয়শা খানম।

তারা আরো বলেন, নারীদের অগ্রযাত্রায় মহিলা পরিষদের ভূমিকা যেমন শেষ করা যাবে না, তেমনি আয়শা খানমের অবদানের কথাও ভুলতে পারব না।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সবার সাথে কাজ করা, কৌশলী হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও দূরদর্শী ছিলেন। সাম্প্রদায়িকতার সাথে আপোষহীন থেকে তিনি সবসময় কাজ করেছেন। একজন আয়শা খানম হয়তো তৈরি হবে না, তবে নারী আন্দোলনের কাজ চলতে থাকবে তার দেখিয়ে যাওয়া পথ অনুসরণ করে।

সভার শুরুতে প্রয়াত সভাপতি আয়শা খানমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক বুলা ওসমানের মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের আইনজীবী দিপ্তী রানী সিকদার।