ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: ভিপি নূর
jugantor
ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: ভিপি নূর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২০:৩৭:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, এ দেশের জনগণ ভোট দিয়ে কোনো রাজা-রানী বানায় নাই। জনগণ তাদের সেবক বানায়, জনপ্রতিনিধি বানায়, জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনা করার অধিকার এ দেশের মানুষের আছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কী এমন হয়ে গেলেন, এমপি-মন্ত্রীরা কী এমন হয়ে গেলেন যে তাদের বিরুদ্ধে দুই-চারটা কথা বললেই তাদের মানহানির ঘটনা ঘটে। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়, আসলে আপনাদের ইজ্জত আছে?

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পাদদেশে শুক্রবার বিকালে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ভিপি নূর বলেন, কখনো হাতুড়ি দিয়ে, কখনো হেলমেট দিয়ে, কখনো পুলিশ দিয়ে, কখনো ছাত্রলীগ দিয়ে, কখনো যুবলীগ দিয়ে, যারাই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে, তাদেরকেই এই নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে দমন-পীড়ন হয়েছে, সামরিক শাসনামলেও হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সামরিক শাসনকেও অতিক্রম করে গেছে।

নুরুল হক নূর বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেটিকে সরকার একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভিন্ন মতের মানুষের দমন-পীড়নে। আপনি কথা বলবেন, লিখবেন, প্রত্যেকটা জায়গায় সেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে আপনার কণ্ঠকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আজকে কেউই আর নিরাপদ নাই এই সরকারের কাছ থেকে।

সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় নাগরিক সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন প্রমুখ।

ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: ভিপি নূর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৮:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, এ দেশের জনগণ ভোট দিয়ে কোনো রাজা-রানী বানায় নাই। জনগণ তাদের সেবক বানায়, জনপ্রতিনিধি বানায়, জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনা করার অধিকার এ দেশের মানুষের আছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কী এমন হয়ে গেলেন, এমপি-মন্ত্রীরা কী এমন হয়ে গেলেন যে তাদের বিরুদ্ধে দুই-চারটা কথা বললেই তাদের মানহানির ঘটনা ঘটে। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়, আসলে আপনাদের ইজ্জত আছে?

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পাদদেশে শুক্রবার বিকালে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ভিপি নূর বলেন, কখনো হাতুড়ি দিয়ে, কখনো হেলমেট দিয়ে, কখনো পুলিশ দিয়ে, কখনো ছাত্রলীগ দিয়ে, কখনো যুবলীগ দিয়ে, যারাই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে, তাদেরকেই এই নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে দমন-পীড়ন হয়েছে, সামরিক শাসনামলেও হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সামরিক শাসনকেও অতিক্রম করে গেছে।

নুরুল হক নূর বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেটিকে সরকার একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভিন্ন মতের মানুষের দমন-পীড়নে। আপনি কথা বলবেন, লিখবেন, প্রত্যেকটা জায়গায় সেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে আপনার কণ্ঠকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আজকে কেউই আর নিরাপদ নাই এই সরকারের কাছ থেকে।

সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় নাগরিক সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন প্রমুখ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন