খিলক্ষেতে শিশুকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আরেক শিশু খুন
jugantor
খিলক্ষেতে শিশুকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আরেক শিশু খুন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ এপ্রিল ২০২১, ১৫:২৮:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

খিলক্ষেতে শিশুকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আরেক শিশু খুন

রাজধানীর খিলক্ষেতে রনি (১১) নামের এক শিশু খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খিলক্ষেত থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক এসআই মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় খিলক্ষেত মধ্যপাড়া তাদের ভাড়া বাসা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ১৬ এপ্রিল বিকালে রনিদের পাশের রুমের বাসিন্দা ফয়েজ মিয়া তার মেয়েকে মারধর করছিল। সে সময় রনি ফয়েজ মিয়াকে মারধরে বাধা দেয়। এ সময় ফয়েজ একটি পুতুলের হাতল দিয়ে স্বজোরে রনিকে আঘাত করেন। আঘাতটি রনির বুকে লাগে। এতে সে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। রনি প্রথমে বিষয়টি তার মাকে জানায় নি।

পরে যন্ত্রনা সইতে না পেরে পরিবারকে জানায়। এরপর তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার রনির অবস্থার অবনতি হলে খিলক্ষেতস্থ আশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ওইদিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় তার মৃত্যু হয়। পরে স্বজনরা মরদেহটি বাসায় নিয়ে যায়।

শিশুটির মামা স্বপন মিয়া জানান, রনিদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাসে। ৪৪/৩ মধ্যপাড়া খিলক্ষেতের বাসায় পরিবারের সঙ্গে সে থাকত।

দরিদ্র পরিবারের রনি চা ও মাক্স বিক্রি করতো। তারা বাবা মো. রায়হান পেশায় রাজমিস্ত্রী। মা গৃহিণী, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। রনি ছিল বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান ।

ঘটনার পর থেকে ফয়েজ মিয়া পলাতক রয়েছে।

খিলক্ষেতে শিশুকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আরেক শিশু খুন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ এপ্রিল ২০২১, ০৩:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খিলক্ষেতে শিশুকে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে আরেক শিশু খুন
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর খিলক্ষেতে রনি (১১) নামের  এক শিশু খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খিলক্ষেত থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। 

খিলক্ষেত থানার উপপরিদর্শক এসআই মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় খিলক্ষেত মধ্যপাড়া তাদের ভাড়া বাসা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে  ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। 

নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে  তিনি জানান, ১৬ এপ্রিল বিকালে রনিদের পাশের রুমের বাসিন্দা ফয়েজ মিয়া তার মেয়েকে মারধর করছিল। সে সময় রনি ফয়েজ মিয়াকে মারধরে বাধা দেয়। এ সময় ফয়েজ একটি পুতুলের হাতল দিয়ে স্বজোরে রনিকে আঘাত করেন।  আঘাতটি রনির বুকে লাগে। এতে সে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়। রনি প্রথমে বিষয়টি তার মাকে জানায় নি। 

পরে যন্ত্রনা সইতে না পেরে পরিবারকে জানায়। এরপর তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

মঙ্গলবার রনির অবস্থার অবনতি হলে খিলক্ষেতস্থ আশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ওইদিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টায় তার মৃত্যু হয়। পরে স্বজনরা মরদেহটি বাসায় নিয়ে যায়। 
 
শিশুটির মামা স্বপন মিয়া জানান, রনিদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাসে। ৪৪/৩ মধ্যপাড়া খিলক্ষেতের বাসায় পরিবারের সঙ্গে সে থাকত। 

দরিদ্র পরিবারের রনি চা ও মাক্স বিক্রি করতো। তারা বাবা মো. রায়হান পেশায় রাজমিস্ত্রী। মা গৃহিণী, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। রনি ছিল বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান । 

ঘটনার পর থেকে ফয়েজ মিয়া পলাতক রয়েছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন