ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিটের চেষ্টায় আরমানিটোলার আগুন নিয়ন্ত্রণে 
jugantor
ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিটের চেষ্টায় আরমানিটোলার আগুন নিয়ন্ত্রণে 

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:০৮:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ফায়ার সার্ভিসের ১৯ টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে এসেছে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার রাসায়নিকের গুদামের আগুন। ততক্ষণে দুজনের মৃত্যু ও ২৫ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে আরমানিটোলার হাজি মুসা ম্যানশনের নিচতলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তারা প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর সকাল ৬টায় নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মাহফুজ রিভেন জানান, নিহত দুজনের মধ্যে একজন সুরাইয়া (২২)। আরেকজন নিরাপত্তাকর্মী রাসেল মিয়া।

সুরাইয়াকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেমিক্যাল থেকে লাগা আগুন দ্রুত ছয়তলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভবনের বাসিন্দারা দৌড়ে ছাদে উঠেন। সেখানে অনেকে আটকা পড়ে আর্তচিৎকার করতে থাকেন। তাদের জানালা ও বারান্দার গ্রিল কেটে বের করে আনা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ছয়তলা ভবনটিতে নিচতলায় দোকান ও রাসায়নিক গুদাম ছিল বলে এলাকাবাসী জানান। অন্য ফ্লোরে লোকজন ভাড়া নিয়ে বসবাস করত।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান জানান, ভোররাত সোয়া তিনটার আগুন লাগে। ১৯টি ইউনিট তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর আজ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে। পুরো ভবন তল্লাশি করে আর কাউকে পাওয়া যায়নি। ভবনের বাসিন্দাদের জানালার গ্রিল কেটে বের করে আনা হয়েছে।

জিল্লুর রহমান আরও বলেন, ধোঁয়ার কারণেই বেশির ভাগ মানুষ অসুস্থ হয়েছেন। আহতেরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দুই থেকে তিনজন চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো বোঝা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস তদন্ত কমিটি গঠন করবে।

ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিটের চেষ্টায় আরমানিটোলার আগুন নিয়ন্ত্রণে 

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফায়ার সার্ভিসের ১৯ টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে এসেছে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার রাসায়নিকের গুদামের আগুন। ততক্ষণে দুজনের মৃত্যু ও ২৫ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোররাতে আরমানিটোলার হাজি মুসা ম্যানশনের নিচতলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তারা প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর সকাল ৬টায় নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মাহফুজ রিভেন জানান, নিহত দুজনের মধ্যে একজন সুরাইয়া (২২)। আরেকজন নিরাপত্তাকর্মী রাসেল মিয়া। 

সুরাইয়াকে উদ্ধার করে মিটফোর্ড হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেমিক্যাল থেকে লাগা আগুন দ্রুত ছয়তলা ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভবনের বাসিন্দারা দৌড়ে ছাদে উঠেন।  সেখানে অনেকে আটকা পড়ে আর্তচিৎকার করতে থাকেন। তাদের জানালা ও বারান্দার গ্রিল কেটে বের করে আনা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ছয়তলা ভবনটিতে নিচতলায় দোকান ও রাসায়নিক গুদাম ছিল বলে এলাকাবাসী জানান।  অন্য ফ্লোরে লোকজন ভাড়া নিয়ে বসবাস করত। 

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান জানান, ভোররাত সোয়া তিনটার আগুন লাগে। ১৯টি ইউনিট তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর আজ সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে। পুরো ভবন তল্লাশি করে আর কাউকে পাওয়া যায়নি। ভবনের বাসিন্দাদের জানালার গ্রিল কেটে বের করে আনা হয়েছে।

জিল্লুর রহমান আরও বলেন, ধোঁয়ার কারণেই বেশির ভাগ মানুষ অসুস্থ হয়েছেন। আহতেরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দুই থেকে তিনজন চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো বোঝা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস তদন্ত কমিটি গঠন করবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন