ভিক্ষায় ব্যবহারের জন্য শিশু চুরি
jugantor
ভিক্ষায় ব্যবহারের জন্য শিশু চুরি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ মে ২০২১, ২২:০৫:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ভিক্ষায় ব্যবহারের জন্য শিশু চুরি, গ্রেফতার ২

পুরান ঢাকার বংশাল থেকে অপহরণের এক সপ্তাহের মাথায় গত শনিবার দুই বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বংশাল থানা পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা সুমা (২৫) রাস্তা থেকে ভাঙারি ও কাগজ সংগ্রহ করে তা বিক্রিরমাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত ২৫ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে বেরিয়ে কাগজ ও ভাঙারি খোঁজার জন্যবংশালে যান। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে পুরাতন বংশাল রোডের মাথায় মেয়ে রাশিদা আক্তারকে (২) বসিয়ে রেখে কাগজসংগ্রহ করছিলেন সুমা। কিছুক্ষণ পরে দেখতে পান তার মেয়ে আর সেখানে নেই। আশেপাশে খুঁজে তাকে না পেয়ে বংশালথানায় একটি জিডি (নম্বর-১১৬১) করেন সুমা। ওই জিডির পরিপ্রেক্ষিতে শিশু রাশিদাকে খুঁজে পেতে চার সদস্যের টিম গঠনকরে পুলিশ। তদন্তে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুইজনকে শনাক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণ করে শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কদমতলীর শহিদনগর এলাকা থেকে শিশু রাশিদাকে উদ্ধারসহ দুইজনকেগ্রেফতার করা হয়।

বংশাল থানার ওসি মো. শাহীন ফকির জানান, আসামি নীলা বেগম ও আরেকজন(অপ্রাপ্ত বয়স্ক) পরস্পরের যোগসাজশে শিশুরাশিদা আক্তারকে চকলেট খাইয়ে কথাবার্তার মাধ্যমে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিশু রাশিদাকেভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার করা। আর সেজন্য মারধর করে শিশুটির চেহারা বিকৃত করে দেওয়া হচ্ছিল।

ওসি বলেন, উদ্ধার শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাদেওয়া হয়। পুলিশের তৎপরতায় শিশুটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তার মায়ের কোলে।

এ ঘটনায় জড়িত দুইজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি শাহীন ফকির।

ভিক্ষায় ব্যবহারের জন্য শিশু চুরি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ মে ২০২১, ১০:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভিক্ষায় ব্যবহারের জন্য শিশু চুরি, গ্রেফতার ২
প্রতীকী ছবি

পুরান ঢাকার বংশাল থেকে অপহরণের এক সপ্তাহের মাথায় গত শনিবার দুই বছরের এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অপহরণকারী এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বংশাল থানা পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা সুমা (২৫) রাস্তা থেকে ভাঙারি ও কাগজ সংগ্রহ করে তা বিক্রির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। গত ২৫ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে বেরিয়ে কাগজ ও ভাঙারি খোঁজার জন্য বংশালে যান। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে পুরাতন বংশাল রোডের মাথায় মেয়ে রাশিদা আক্তারকে (২) বসিয়ে রেখে কাগজ সংগ্রহ করছিলেন সুমা। কিছুক্ষণ পরে দেখতে পান তার মেয়ে আর সেখানে নেই। আশেপাশে খুঁজে তাকে না পেয়ে বংশাল থানায় একটি জিডি (নম্বর-১১৬১) করেন সুমা। ওই জিডির পরিপ্রেক্ষিতে শিশু রাশিদাকে খুঁজে পেতে চার সদস্যের টিম গঠন করে পুলিশ। তদন্তে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুইজনকে শনাক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কদমতলীর শহিদনগর এলাকা থেকে শিশু রাশিদাকে উদ্ধারসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। 

বংশাল থানার ওসি মো. শাহীন ফকির জানান, আসামি নীলা বেগম ও আরেকজন(অপ্রাপ্ত বয়স্ক) পরস্পরের যোগসাজশে শিশু রাশিদা আক্তারকে চকলেট খাইয়ে কথাবার্তার মাধ্যমে কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শিশু রাশিদাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহার করা। আর সেজন্য মারধর করে শিশুটির চেহারা বিকৃত করে দেওয়া হচ্ছিল। 

ওসি বলেন, উদ্ধার শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুলিশের তৎপরতায় শিশুটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় তার মায়ের কোলে।

এ ঘটনায় জড়িত দুইজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ওসি শাহীন ফকির।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন