ঢাকা এখন ফাঁকা
jugantor
ঢাকা এখন ফাঁকা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ মে ২০২১, ১৬:০১:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গত এক সপ্তাহ ধরে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে নগরবাসীর ব্যস্ততা ছিল কেনাকাটা আর গ্রামে ফেরার। করোনা সংক্রমণের কারণে দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা ছেড়েছে মানুষ। তবে ঈদের আগের দিনে রাজধানী শহরে নেই ব্যস্ততা, নেই কোলাহল। ঢাকার রাস্তা এখন ফাঁকা আর সুনসান নিরবতা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, শাহবাগ, মতিঝিল, বিশ্বরোডসহ বেশকিছু এলাকা ঘুরে ফাঁকা ঢাকাই দেখা গেছে। সড়কে ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। অন্যান্য দিনের তুলনায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, রিক্সা, ব্যক্তিগত পরিবহন কম চলাচল করছে।

সুনসান নিরবতার মধ্যেও পুলিশ, ডাক্তার, গণমাধ্যমকর্মীসহ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বাইরে দেখা গেছে। মগবাজার এলাকায় বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ইসরাত জাহান বলেন, ঈদে ছুটি পাইনি। ন হাসপাতালে ডিউটিতে যাচ্ছি। রাস্তায় আজ যানজট নেই বললেই চলে, খুব সহজেই চলে এলাম।

উত্তরা, গাবতলী ও মহাখালীতে ঘরমুখো কিছু মানুষকে দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে সকালে ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে। গাবতলীতে কথা হয় আফজাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, পাবনা যাবো; তবে সরাসরি গাড়ি পাচ্ছি না। ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।

এদিকে শপিংমলে কিছু সংখ্যক মানুষকে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে। নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা বিউটি বেগম বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয়নি। গেল কয়েকদিনে যা ভিড় ছিল। তাই কেনাকাটাই করতে আসিনি। এখনতো ফাঁকা, তাই প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটা করতে এসেছি।

ঢাকা এখন ফাঁকা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ মে ২০২১, ০৪:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত এক সপ্তাহ ধরে বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে নগরবাসীর ব্যস্ততা ছিল কেনাকাটা আর গ্রামে ফেরার। করোনা সংক্রমণের কারণে দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা ছেড়েছে মানুষ। তবে ঈদের আগের দিনে রাজধানী শহরে নেই ব্যস্ততা, নেই কোলাহল। ঢাকার রাস্তা এখন ফাঁকা আর সুনসান নিরবতা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, শাহবাগ, মতিঝিল, বিশ্বরোডসহ বেশকিছু এলাকা ঘুরে ফাঁকা ঢাকাই দেখা গেছে। সড়কে ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। অন্যান্য দিনের তুলনায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, রিক্সা, ব্যক্তিগত পরিবহন কম চলাচল করছে।

সুনসান নিরবতার মধ্যেও পুলিশ, ডাক্তার, গণমাধ্যমকর্মীসহ জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বাইরে দেখা গেছে। মগবাজার এলাকায় বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ইসরাত জাহান বলেন, ঈদে ছুটি পাইনি। ন হাসপাতালে ডিউটিতে যাচ্ছি। রাস্তায় আজ যানজট নেই বললেই চলে, খুব সহজেই চলে এলাম।

উত্তরা, গাবতলী ও মহাখালীতে ঘরমুখো কিছু মানুষকে দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকার প্রবেশপথগুলোতে সকালে ভিড় থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে।  গাবতলীতে কথা হয় আফজাল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, পাবনা যাবো; তবে সরাসরি গাড়ি পাচ্ছি না। ভেঙ্গে ভেঙ্গে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। 

এদিকে শপিংমলে কিছু সংখ্যক মানুষকে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে। নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা বিউটি বেগম বলেন, এবার ঈদে গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয়নি।  গেল কয়েকদিনে যা ভিড় ছিল। তাই কেনাকাটাই করতে আসিনি। এখনতো ফাঁকা, তাই প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটা করতে এসেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর