গ্রেফতার এড়াতে ৩ ‘রক্ষিতা’ নিয়ে উত্তরায় লুকিয়ে ছিলেন নাসির
jugantor
গ্রেফতার এড়াতে ৩ ‘রক্ষিতা’ নিয়ে উত্তরায় লুকিয়ে ছিলেন নাসির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ জুন ২০২১, ০২:২১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চিত্রনায়িকা পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ গ্রেফতার এড়াতে এ নায়িকার ‘বন্ধু’ অমির বাসায় লুকিয়ে ছিলেন। এসময় তার সঙ্গে ৩ নারীকে পাওয়া গেছে। যাদেরকে নাসিরের ‘রক্ষিতা’ বলছেন পুলিশ।

সোমবার দুপুরে উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডস্থ বাসাটি থেকে নাসিরসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গ্রেফতারের পর গণমাধ্যমকে এসব তথ্য দেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ।

নাসিরের সঙ্গে গ্রেফতার অল্পবয়সী তিন নারীর মধ্যে অমির গার্লফ্রেন্ড স্নিগ্ধা ও নাসিরের সঙ্গী লিপি ও সুমি রয়েছেন।

নাসিরের গ্রেফতারের বিষয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অমির বাসা থেকে গ্রেফতার হয়েছেন নাসির। পরীমণির সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে নাসির তার তিন রক্ষিতাকে নিয়ে এ বাসায় লুকিয়ে ছিলেন। ওই বাসা থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ-বিয়ার ও এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাদক রাখার অভিযোগে ওই তিন জনকেও আমরা গ্রেফতার করেছি। তাদের কাজই মদের ব্যবসা করা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন নাসির। তিনি এই কাজই করেন। তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট মেয়েকে রক্ষিতা রাখেন। আমরা এখনও তদন্ত করছি।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অমির ওই বাসায় প্রতিদিন ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন নাসির। উঠতি বয়সী তরুণীদের দিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপ করানো হতো। বাড়িটিতে যাতায়াত ছিল অনেকের।

নাসিরের বিরুদ্ধে আগেও মাদক ও নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ। বলেন, ‘মাদক ও নারী নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে তাকে উত্তরা ক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জেনেছি। কেউ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আমরা সেগুলোর তদন্ত করব।’

নাসিরের বিষয়ে এসব জানা সত্ত্বেও পরীমনির স্ট্যাটাসের পর পর অভিযানে যাওয়া হয়নি কেন প্রশ্নে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, এই ঘটনা নিয়ে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরীমনি। সংবাদ সম্মেলনের পরপরই আমরা অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, তবে যেহেতু রাতে মামলা হয়নি, তাই আমরা অ্যাকশনে যাইনি। সাভার থানায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা অভিযান চালিয়ে নাসিরকে গ্রেফতার করি।

এর আগে কারও নাম উল্লেখ না করে তাকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন পরীমনি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মা সম্বোধন করে তার কাছে বিচার চান। এর পরের দিন রোববার তিনি বনানীর নিজ বাসায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে ঢাকা বোট ক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের নাম উল্লেখ করেন।

গ্রেফতার এড়াতে ৩ ‘রক্ষিতা’ নিয়ে উত্তরায় লুকিয়ে ছিলেন নাসির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ জুন ২০২১, ০২:২১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চিত্রনায়িকা পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ গ্রেফতার এড়াতে এ নায়িকার ‘বন্ধু’ অমির বাসায় লুকিয়ে ছিলেন। এসময় তার সঙ্গে ৩ নারীকে পাওয়া গেছে। যাদেরকে নাসিরের  ‘রক্ষিতা’ বলছেন পুলিশ।

সোমবার দুপুরে উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডস্থ বাসাটি থেকে নাসিরসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গ্রেফতারের পর গণমাধ্যমকে এসব তথ্য দেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ।

নাসিরের সঙ্গে গ্রেফতার অল্পবয়সী তিন নারীর মধ্যে অমির গার্লফ্রেন্ড স্নিগ্ধা ও নাসিরের সঙ্গী লিপি ও সুমি রয়েছেন।

নাসিরের গ্রেফতারের বিষয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অমির বাসা থেকে গ্রেফতার হয়েছেন নাসির। পরীমণির সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে নাসির তার তিন রক্ষিতাকে নিয়ে এ বাসায় লুকিয়ে ছিলেন। ওই বাসা থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ-বিয়ার ও এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাদক রাখার অভিযোগে ওই তিন জনকেও আমরা গ্রেফতার করেছি। তাদের কাজই মদের ব্যবসা করা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন নাসির। তিনি এই কাজই করেন। তিনি বিভিন্ন ছোট ছোট মেয়েকে রক্ষিতা রাখেন। আমরা এখনও তদন্ত করছি।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অমির ওই বাসায় প্রতিদিন ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন নাসির। উঠতি বয়সী তরুণীদের দিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপ করানো হতো। বাড়িটিতে যাতায়াত ছিল অনেকের।

নাসিরের বিরুদ্ধে আগেও মাদক ও নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ। বলেন, ‘মাদক ও নারী নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে তাকে উত্তরা ক্লাব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জেনেছি। কেউ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে আমরা সেগুলোর তদন্ত করব।’

নাসিরের বিষয়ে এসব জানা সত্ত্বেও পরীমনির স্ট্যাটাসের পর পর অভিযানে যাওয়া হয়নি কেন প্রশ্নে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, এই ঘটনা নিয়ে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেন পরীমনি। সংবাদ সম্মেলনের পরপরই আমরা অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, তবে যেহেতু রাতে মামলা হয়নি, তাই আমরা অ্যাকশনে যাইনি। সাভার থানায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা অভিযান চালিয়ে নাসিরকে গ্রেফতার করি।
 
এর আগে কারও নাম উল্লেখ না করে তাকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন পরীমনি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মা সম্বোধন করে তার কাছে বিচার চান। এর পরের দিন রোববার তিনি বনানীর নিজ বাসায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে ঢাকা বোট ক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের নাম উল্লেখ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টা