বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা
jugantor
বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জুন ২০২১, ২২:৪২:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা

রাজধানীর মালিবাগের গুলবাগে বান্ধবীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে রুবিনা ইয়াসমিন নদী (২১) নামের এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার বিকাল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নদীর বান্ধবী মারিয়ম বলেন, দুই বছর আগে সাইমুন নামের এক যুবকের সঙ্গে নদীর বিয়ে হয়। বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। এ নিয়ে সে বিষন্নতায় ভুগছিল। প্রায় সময় সে বলতো ‘আমি জীবন রাখব না, পরপারে চলে যাব।’

তিনি বলেন, আমরা দুজন আমজাড়া নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলাম। আমরা শাহজাহানপুর থানাধীন মালিবাগের ৩৯১ গুলবাগের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় সাবলেট থাকি। বুধবার নদী ডিউটিতে যায়নি। বিকাল তিনটার দিকে আমাকে ভিডিও কল দিয়ে বলে আমি আত্মহত্যা করব। ভিডিও কলে কথা বলার সময় সে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচাচ্ছিল। দ্রুত অফিস থেকে বাসায় এসে দেখি দরজা বন্ধ, দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মারিয়ম জানান, নদী বরগুনা জেলার বেতাগী থানার রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সে ডেফোডিল ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে পড়াশোনা করত। নদীর বাবা বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার পুলিশের এসআই। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে নদী ছিল বড়।

ঢামেক সূত্র জানায়, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জুন ২০২১, ১০:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা
রুবিনা ইয়াসমিন নদী।ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মালিবাগের গুলবাগে বান্ধবীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে রুবিনা ইয়াসমিন নদী (২১) নামের এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার বিকাল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নদীর বান্ধবী মারিয়ম বলেন, দুই বছর আগে সাইমুন নামের এক যুবকের সঙ্গে নদীর বিয়ে হয়। বেশ কিছুদিন যাওয়ার পর তাদের বিচ্ছেদ হয়। এ নিয়ে সে বিষন্নতায় ভুগছিল। প্রায় সময় সে বলতো ‘আমি জীবন রাখব না, পরপারে চলে যাব।’ 

তিনি বলেন, আমরা দুজন আমজাড়া নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলাম। আমরা শাহজাহানপুর থানাধীন মালিবাগের ৩৯১ গুলবাগের একটি ভবনের পঞ্চম তলায় সাবলেট থাকি। বুধবার নদী ডিউটিতে যায়নি। বিকাল তিনটার দিকে আমাকে ভিডিও কল দিয়ে বলে আমি আত্মহত্যা করব।  ভিডিও কলে কথা বলার সময় সে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচাচ্ছিল। দ্রুত অফিস থেকে বাসায় এসে দেখি দরজা বন্ধ, দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে।  তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

মারিয়ম জানান, নদী বরগুনা জেলার বেতাগী থানার রফিকুল ইসলামের মেয়ে। সে ডেফোডিল ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে পড়াশোনা করত। নদীর বাবা বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার পুলিশের এসআই। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে নদী ছিল বড়। 

ঢামেক সূত্র জানায়, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর