জমে উঠেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাংসের হাট
jugantor
জমে উঠেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাংসের হাট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২১ জুলাই ২০২১, ১৯:১৫:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাংসের হাট। ঈদুল আজহায় সারাদিন বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস নিয়ে হাট বসিয়েছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

এসব মাংসের ক্রেতাও অবশ্য নিম্ন আয়ের মানুষ। যারা কোরবানি দিতে পারেননি আবার কারও বাড়ি গিয়ে মাংস সংগ্রহ করতে পারেননি তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের একটি দিন মাংস খাওয়ানোর জন্য অল্প দামে কেনেন এসব মাংস।

বুধবার ফাঁকা ঢাকার বিভিন্ন বড় রাস্তার মোড়ে, বাজারের সামনে ছিল ছোট জটলা। প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা।

এসব মাংসের দাম তুলনামূলক অনেক কম। তাই বাজারে কিংবা কসাইয়ের দোকানে না গিয়ে এখান থেকেই মাংস কেনেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

বুধবার বিভিন্ন স্থানে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যারা এখানে মাংস বিক্রি করছেন তাদের বেশিরভাগই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করেছেন। এর বাইরে মৌসুমি কসাইয়ের কাজ যারা করেছেন তারাও এসব জায়গায় মাংস বিক্রি করছেন।

মৌসুমি কসাই রবিন বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গরু কেটেছি। সেখান থেকে ভাগে প্রায় ১০ কেজির মতো মাংস পেয়েছি। বাড়ির জন্য কিছুটা রেখে বাকিগুলো বিক্রি করতে এসেছি।

জাহেদা বেগম নামে এক নারী বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করে পাওয়া মাংস নিয়ে বাজারে এসেছি। কিছুটা বাড়ির জন্য রেখে বাকিগুলো বিক্রি করে দিব।

শরীফ নামে এক ক্রেতা বলেন, আমি রিকশা চালাই। লকডাউনে তেমন আয় নরা থাকায় অল্প দামে মাংস কেনার জন্য এসেছি।

জমে উঠেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাংসের হাট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২১ জুলাই ২০২১, ০৭:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাংসের হাট। ঈদুল আজহায় সারাদিন বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস নিয়ে হাট বসিয়েছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। 

এসব মাংসের ক্রেতাও অবশ্য নিম্ন আয়ের মানুষ। যারা কোরবানি দিতে পারেননি আবার কারও বাড়ি গিয়ে মাংস সংগ্রহ করতে পারেননি তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের একটি দিন মাংস খাওয়ানোর জন্য অল্প দামে কেনেন এসব মাংস। 

বুধবার ফাঁকা ঢাকার বিভিন্ন বড় রাস্তার মোড়ে, বাজারের সামনে ছিল ছোট জটলা। প্রতিবছরই এই দিনে চোখে পড়ে এমন জটলা। 

এসব মাংসের দাম তুলনামূলক অনেক কম। তাই বাজারে কিংবা কসাইয়ের দোকানে না গিয়ে এখান থেকেই মাংস কেনেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। 

বুধবার বিভিন্ন স্থানে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যারা এখানে মাংস বিক্রি করছেন তাদের বেশিরভাগই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করেছেন। এর বাইরে মৌসুমি কসাইয়ের কাজ যারা করেছেন তারাও এসব জায়গায় মাংস বিক্রি করছেন।

মৌসুমি কসাই রবিন বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গরু কেটেছি। সেখান থেকে ভাগে প্রায় ১০ কেজির মতো মাংস পেয়েছি। বাড়ির জন্য কিছুটা রেখে বাকিগুলো বিক্রি করতে এসেছি। 

জাহেদা বেগম নামে এক নারী বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করে পাওয়া মাংস নিয়ে বাজারে এসেছি। কিছুটা বাড়ির জন্য রেখে বাকিগুলো বিক্রি করে দিব।

শরীফ নামে এক ক্রেতা বলেন, আমি রিকশা চালাই। লকডাউনে তেমন আয় নরা থাকায় অল্প দামে মাংস কেনার জন্য এসেছি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন