ভেঙে ফেলতে হচ্ছে বছিলা সেতু
jugantor
ভেঙে ফেলতে হচ্ছে বছিলা সেতু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৭:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

বসিলা ব্রিজ

ঢাকার মোহাম্মদপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত শহীদ বুদ্ধিজীবী (বছিলা ব্রিজ) সেতুটি ভেঙ্গে ফেলা হবে। পানির স্তর থেকে উচ্চতা কম হওয়ায় নৌচলাচলে বিঘ্ন ঘটে বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সরকারের এমন চিন্তার-ভাবনার কথা জানান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, সারাদেশে ৮০৫টি লোহার ব্রিজ ভেঙে নির্বিঘ্ন নৌচলাচলের স্বার্থে প্রয়োজনীয় উচ্চতায় পুনঃনির্মাণ করা হবে। মোহাম্মদপুর বসিলা ব্রিজও আমাদের কোনো কাজে আসেনি। ব্রিজটির কারণে তুরাগ নদীতে পণ্যবাহী কার্গোগুলো চলাচল করতে পারে না। ব্রিজটি ভাঙার চিন্তা-ভাবনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকে প্রায় ২ হাজার ৫৭৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আয়রন ব্রিজ পুনর্নির্মাণ/পুনর্বাসন’ সংশোধন প্রকল্পও রয়েছে। আগের এক হাজার ৮৩৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার প্রকল্প বাড়িয়ে দুই হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা করা হয়েছে। এই প্রকল্প নিয়ে আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণে উচ্চতা ঠিক রাখার নির্দেশনা দেন। পরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘বছিলা ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানে বর্ষাকালে কার্গোগুলো আসতে পারে না। ২০০৯ সালে এটা উদ্বোধন হয়েছে। কিন্তু এখন এটাকে উঁচু করার জন্য নতুন করে ভাঙার চিন্তা করা হচ্ছে। কিন্তু এটা তো জাতীয় অপচয়। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে খুবই সচেতন।’

বছিলা ব্রিজ কত টাকায় নির্মাণ করা হয়েছিল এবং এটা নিয়ে আপনাদের পরিকল্পন কী, এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘বছিলা ব্রিজ হচ্ছে একটি বিশেষ কেস। এটা নিয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলতে চাই না। এটা জানতে হলে পরে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জানানো হবে।’

২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি উদ্বোধন করেন। বছিলা এলাকাটি রাজধানীর সঙ্গে কেরাণীগঞ্জের সংযোগ স্থাপন করেছে। জানা গেছে, ৮৪ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ ৭০৮ মিটার ও প্রস্থ ১০ মিটার।

ভেঙে ফেলতে হচ্ছে বছিলা সেতু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ জুলাই ২০২১, ০৫:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বসিলা ব্রিজ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার মোহাম্মদপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত শহীদ বুদ্ধিজীবী (বছিলা ব্রিজ) সেতুটি ভেঙ্গে ফেলা হবে। পানির স্তর থেকে উচ্চতা কম হওয়ায় নৌচলাচলে বিঘ্ন ঘটে বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সরকারের এমন চিন্তার-ভাবনার কথা জানান। 

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, সারাদেশে ৮০৫টি লোহার ব্রিজ ভেঙে নির্বিঘ্ন নৌচলাচলের স্বার্থে প্রয়োজনীয় উচ্চতায় পুনঃনির্মাণ করা হবে। মোহাম্মদপুর বসিলা ব্রিজও আমাদের কোনো কাজে আসেনি। ব্রিজটির কারণে তুরাগ নদীতে পণ্যবাহী কার্গোগুলো চলাচল করতে পারে না। ব্রিজটি ভাঙার চিন্তা-ভাবনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকে প্রায় ২ হাজার ৫৭৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আয়রন ব্রিজ পুনর্নির্মাণ/পুনর্বাসন’ সংশোধন প্রকল্পও রয়েছে। আগের এক হাজার ৮৩৫ কোটি ৭০ লাখ টাকার প্রকল্প বাড়িয়ে দুই হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা করা হয়েছে। এই প্রকল্প নিয়ে আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণে উচ্চতা ঠিক রাখার নির্দেশনা দেন। পরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনের প্রসঙ্গটি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘বছিলা ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখানে বর্ষাকালে কার্গোগুলো আসতে পারে না। ২০০৯ সালে এটা উদ্বোধন হয়েছে। কিন্তু এখন এটাকে উঁচু করার জন্য নতুন করে ভাঙার চিন্তা করা হচ্ছে। কিন্তু এটা তো জাতীয় অপচয়। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে খুবই সচেতন।’

বছিলা ব্রিজ কত টাকায় নির্মাণ করা হয়েছিল এবং এটা নিয়ে আপনাদের পরিকল্পন কী, এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘বছিলা ব্রিজ হচ্ছে একটি বিশেষ কেস। এটা নিয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলতে চাই না। এটা জানতে হলে পরে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জানানো হবে।’

২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি উদ্বোধন করেন। বছিলা এলাকাটি রাজধানীর সঙ্গে কেরাণীগঞ্জের সংযোগ স্থাপন করেছে। জানা গেছে, ৮৪ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দৈর্ঘ ৭০৮ মিটার ও প্রস্থ ১০ মিটার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন