শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা বাড়াবে
jugantor
শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা বাড়াবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন   

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৩৩:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের কর্মস্পৃহাকে বৃদ্ধি করবে। রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২ নগর ভবনে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলপত্র প্রণয়ন এবং ২০১৭ সালে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা প্রণয়ন করে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে ডিএনসিসির ৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০২০-২০২১ প্রদানের জন্য এবং একজন কাউন্সিলরকে শুদ্ধাচার সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়।

শুদ্ধাচার পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ হলেন অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা (৫ম গ্রেড) এ. এস. এম. সফিউল আজম, ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (৪র্থ গ্রেড) আবুল হাসনাত মো.আশরাফুল আলম এবং সাচিবিক দফতরের সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী(১৪তম গ্রেড) সিরাজুল ইসলাম খান, অঞ্চল-৩ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড) নিলুফা আক্তার এবং অঞ্চল-৫ এর পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক (১৪তম গ্রেড) মো.শহিদুল ইসলাম।শুদ্ধাচার সম্মাননাপ্রাপ্ত হলেন, ডিএনসিসির ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেওয়ান আব্দুল মান্নান।

ডিএনসিসি মেয়র শুদ্ধাচার পুরস্কার ও সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পুরস্কার হিসেবে একটি সার্টিফিকেট এবং এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করেন।
এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সেলিম রেজাসহ ঊর্ধ্বতন সকল কর্মকর্তা এবং কাউন্সিলরবৃন্দ।

শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা বাড়াবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন  
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান
শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। ছবি: যুগান্তর

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের কর্মস্পৃহাকে বৃদ্ধি করবে। রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলশান-২ নগর ভবনে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলপত্র প্রণয়ন এবং ২০১৭ সালে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা প্রণয়ন করে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, বিস্তারিত পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে ডিএনসিসির ৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০২০-২০২১ প্রদানের জন্য এবং একজন কাউন্সিলরকে শুদ্ধাচার সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়।

 শুদ্ধাচার পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ হলেন অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নিবার্হী কর্মকর্তা (৫ম গ্রেড) এ. এস. এম. সফিউল আজম, ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (৪র্থ গ্রেড) আবুল হাসনাত মো. আশরাফুল আলম এবং সাচিবিক দফতরের সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (১৪তম গ্রেড) সিরাজুল ইসলাম খান, অঞ্চল-৩ এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা (১০ম গ্রেড) নিলুফা আক্তার এবং অঞ্চল-৫ এর পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক (১৪তম গ্রেড) মো. শহিদুল ইসলাম। শুদ্ধাচার সম্মাননাপ্রাপ্ত হলেন, ডিএনসিসির ১১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেওয়ান আব্দুল মান্নান।

ডিএনসিসি মেয়র শুদ্ধাচার পুরস্কার ও সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পুরস্কার হিসেবে একটি সার্টিফিকেট এবং এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করেন।
এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজাসহ ঊর্ধ্বতন সকল কর্মকর্তা এবং কাউন্সিলরবৃন্দ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন