৯৯৯-এ ফোন করে প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিলেন চাকরিপ্রত্যাশীরা
jugantor
৯৯৯-এ ফোন করে প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিলেন চাকরিপ্রত্যাশীরা

  মিরপুর প্রতিনিধি  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৮:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

চক্র

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিলেন ভুক্তভোগী চাকরিপ্রত্যাশীরা।

শনিবার দুপুরে মিরপুর ১২ নম্বরের ডিওএইচএস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ডিওএইচএস অ্যাভিনিউ ২-এর ১২ নম্বর রোডের ৮৮৯ নম্বর বাড়িতে ‘আনোয়ার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস লিমিট্ডে নামে একটি অফিস খুলে প্রতারণা করে আসছিল ওই চক্রটি।

বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের প্রলোভনে ফেসবুকে জেলা ও গ্রামভিত্তিক চটকদার বিজ্ঞাপন দিত চক্রটি। চাকরি দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নিলেও বেকারদের চাকরি দিতে পারতেন না তারা।

এই চক্রটি বেকার যুবকদের আকৃষ্ট করতে অনেক সময় সুন্দরী নারীদের টোপ হিসেবেও ব্যবহার করত।

শনিবার চক্রটির ফাঁদে পড়ে তাদের অফিসে এসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন ১৭ চাকরিপ্রত্যাশী। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে এবং চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করে। আটকদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৮০টি চাকরির আবেদন ফরম ও নিয়োগের ৫০টি খালি ফরম জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় রাতে আব্দুর রহিম খান নামে এক ভুক্তভোগী পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন— মনিরুল ইসলাম, জীবন আহম্মদ, জান্নাত ইসলাম সাথী, জাহেদুল ইসলাম ও ছাব্বির আহমেদ।

পল্লবী থানার এসআই সজিব খান যুগান্তরকে বলেন, বিভিন্ন গ্রাম ও জেলাভিত্তিক নিয়োগের কথা বলে চক্রটি অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিত। চাকরির সন্ধানে চক্রটির অফিসে এসে প্রতারিত হতেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। আমরা ১৭ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছি।

তিনি বলেন, ভিকটিমরা এখানে এসে চাকরির জন্য ফরম পূরণ করেন। সুযোগ বুঝে চক্রটি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করেন। চক্রটি টাকা নিলেও কাউকে চাকরি দিতে পারেনি।

৯৯৯-এ ফোন করে প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিলেন চাকরিপ্রত্যাশীরা

 মিরপুর প্রতিনিধি 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চক্র
ছবি-যুগান্তর

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রকে ধরিয়ে দিলেন ভুক্তভোগী চাকরিপ্রত্যাশীরা। 

শনিবার দুপুরে মিরপুর ১২ নম্বরের ডিওএইচএস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ডিওএইচএস অ্যাভিনিউ ২-এর ১২ নম্বর রোডের ৮৮৯ নম্বর বাড়িতে ‘আনোয়ার সিকিউরিটিজ অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস লিমিট্ডে নামে একটি অফিস খুলে প্রতারণা করে আসছিল ওই চক্রটি। 

বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের প্রলোভনে ফেসবুকে জেলা ও গ্রামভিত্তিক চটকদার বিজ্ঞাপন দিত চক্রটি। চাকরি দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নিলেও বেকারদের চাকরি দিতে পারতেন না তারা। 

এই চক্রটি বেকার যুবকদের আকৃষ্ট করতে অনেক সময় সুন্দরী নারীদের টোপ হিসেবেও ব্যবহার  করত।

শনিবার চক্রটির ফাঁদে পড়ে তাদের অফিসে এসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন ১৭ চাকরিপ্রত্যাশী। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে এবং চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করে। আটকদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।  

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৮০টি চাকরির আবেদন ফরম ও নিয়োগের  ৫০টি খালি ফরম জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় রাতে আব্দুর রহিম খান নামে এক ভুক্তভোগী পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন— মনিরুল ইসলাম, জীবন আহম্মদ, জান্নাত ইসলাম সাথী, জাহেদুল ইসলাম ও ছাব্বির আহমেদ। 

পল্লবী থানার এসআই সজিব খান যুগান্তরকে বলেন, বিভিন্ন গ্রাম ও জেলাভিত্তিক নিয়োগের কথা বলে চক্রটি অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিত। চাকরির সন্ধানে চক্রটির অফিসে এসে প্রতারিত হতেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। আমরা ১৭ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছি। 

তিনি বলেন, ভিকটিমরা এখানে এসে চাকরির জন্য ফরম পূরণ করেন। সুযোগ বুঝে চক্রটি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করেন। চক্রটি টাকা নিলেও কাউকে চাকরি দিতে পারেনি। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন