ঘাতক বাসচালক আটক, ৯ বাসে অগ্নিসংযোগকারীদের খুঁজছে পুলিশ
jugantor
ঘাতক বাসচালক আটক, ৯ বাসে অগ্নিসংযোগকারীদের খুঁজছে পুলিশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:০৪:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় অনাবিল পরিবহণের বাসচাপায় একে শিক্ষার্থীর নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস ও চালককে আটক করেছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে চালকের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এদিকে এ ঘটনায় ৯টি বাসে যারা আগুন দিয়েছে তাদের খুঁজছে পুলিশ।

ঘটনাকে উপলক্ষ্য করে কোনো সুযোগসন্ধানী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব বাসে আগুন লাগানোসহ ভাঙচুর করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন তারা।

সোমবার রাতে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ।

তিনি বলেন, ঘটনার পর চালক পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে। তিনি বর্তমানে থানায় আছেন। তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। যতদূর জানি উত্তেজিত জনতা এসব আগুন ধরিয়েছে। আমরা নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন তারা ভাঙচুর করেননি বা আগুন দেননি। অন্য কেউ এসে এসব করেছে। সুযোগসন্ধানী কেউ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়।

সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর সড়কটি খুলে দেওয়া হবে বলে জানান ডিসি মো. আ. আহাদ।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডিআইটি রোডে সোনালী ব্যাংকের সামনে বাসচাপায় মাইনুদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হন।

এই ঘটনার জেরে স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা কমপক্ষে ৯টি বাসে অগ্নিসংযোগ ও তিনটি বাস ভাঙচুর করেছেন। ভাঙচুর করা ও আগুন দেওয়া বাসের বেশিরভাই অনাবিল পরিবহণের।

স্থানীয়দের দাবি, রাতে ফাঁকা রাস্তা পেয়ে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আবার কেউ কেউ বলছেন, বাস ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের পর বাসের হেলপার ওই শিক্ষার্থীকে ধাক্কা মেরে রাস্তায় ফেলে দেয় অন্য একটি বাস। পেছন থেকে আসা অনাবিলের বাসটির নিচে পিষ্ট হন তিনি।

তবে এই দুই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

রাকিব নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গিয়ে বলেন,রাইদা পরিবহণের একটি বাস রামপুরা থেকে মালিবাগের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে মাঈনুদ্দিন রাইদা বাসে উঠতে চেষ্টা করে। বাসে ওঠার পর কোনো কারণে সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে দেওয়া হয়।

বাঁ পাশ দিয়েই বেপরোয়া গতিতে অনাবিল পরিবহনের একটি বাস আসছিল। বাসটি তাকে চাপা দেয়। এরপর তারা ২০-২২ জন মিলে বাসটিকে রামপুরা থেকে মালিবাগের দিকে ধাওয়া আটক করেন।

ঘাতক বাসচালক আটক, ৯ বাসে অগ্নিসংযোগকারীদের খুঁজছে পুলিশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৩:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় অনাবিল পরিবহণের বাসচাপায় একে শিক্ষার্থীর নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস ও চালককে আটক করেছে পুলিশ। 

প্রাথমিকভাবে চালকের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। 

এদিকে এ ঘটনায় ৯টি বাসে যারা আগুন দিয়েছে তাদের খুঁজছে পুলিশ।

ঘটনাকে উপলক্ষ্য করে কোনো সুযোগসন্ধানী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব বাসে আগুন লাগানোসহ ভাঙচুর করেছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন তারা।

সোমবার রাতে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ।

তিনি বলেন, ঘটনার পর চালক পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে। তিনি বর্তমানে থানায় আছেন। তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। যতদূর জানি উত্তেজিত জনতা এসব আগুন ধরিয়েছে। আমরা নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন তারা ভাঙচুর করেননি বা আগুন দেননি। অন্য কেউ এসে এসব করেছে। সুযোগসন্ধানী কেউ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়।

সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর সড়কটি খুলে দেওয়া হবে বলে জানান ডিসি মো. আ. আহাদ।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ডিআইটি রোডে সোনালী ব্যাংকের সামনে বাসচাপায় মাইনুদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হন। 

এই ঘটনার জেরে স্থানীয় বিক্ষুব্ধরা কমপক্ষে ৯টি বাসে অগ্নিসংযোগ ও তিনটি বাস ভাঙচুর করেছেন। ভাঙচুর করা ও আগুন দেওয়া বাসের বেশিরভাই অনাবিল পরিবহণের।

স্থানীয়দের দাবি, রাতে ফাঁকা রাস্তা পেয়ে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আবার কেউ কেউ বলছেন, বাস ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের পর বাসের হেলপার ওই শিক্ষার্থীকে ধাক্কা মেরে রাস্তায় ফেলে দেয় অন্য একটি বাস। পেছন থেকে আসা অনাবিলের বাসটির নিচে পিষ্ট হন তিনি।

তবে এই দুই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। 

রাকিব নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশের কাছে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গিয়ে বলেন,রাইদা পরিবহণের একটি বাস রামপুরা থেকে মালিবাগের দিকে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে মাঈনুদ্দিন রাইদা বাসে উঠতে চেষ্টা করে। বাসে ওঠার পর কোনো কারণে সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে দেওয়া হয়।

বাঁ পাশ দিয়েই বেপরোয়া গতিতে অনাবিল পরিবহনের একটি বাস আসছিল। বাসটি তাকে চাপা দেয়। এরপর তারা ২০-২২ জন মিলে বাসটিকে রামপুরা থেকে মালিবাগের দিকে ধাওয়া আটক করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন