জন্মদিনেই রামপুরায় বাসচাপায় নিহত এসএসসি পরীক্ষার্থী মাইনুদ্দিন
jugantor
জন্মদিনেই রামপুরায় বাসচাপায় নিহত এসএসসি পরীক্ষার্থী মাইনুদ্দিন

  অনলাইন ডেস্ক  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ১০:০৮:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর রামপুরা বাজারের কাছে বাসচাপায় মাইনুদ্দিন নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা অন্তত ১২টি বাসে আগুন দিয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেন, সোমবারই ছিল নিহত শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন ইসলামের জন্মদিন।

তার বাবা রামপুরা মহল্লায় চায়ের দোকান পরিচালনা করেন এবং দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মাইনুদ্দিন সবার ছোট।

সোমবার রাত ১০টার পরের ওই ঘটনায় জের ধরে সংঘটিত সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনার পর রাত দেড়টা নাগাদ পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এর আগে সম্প্রতি ঢাকা সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের একজন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ছাত্ররা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছিল।

সোমবার দুপুরেই রামপুরায় সহপাঠীকে ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামানোর অভিযোগে অন্তত চল্লিশটি বাস আটক করেছিলেন স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশের সহায়তায় মালিকদের সঙ্গে আলোচনার পর বাসগুলো ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা।

এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অনাবিল পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাসে চাপা পড়ে শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন ইসলামের মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটল।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস বলছে— ওই শিক্ষার্থী রামপুরায় তিতাস রোডে নিজের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ডিআইটি রোডের সোনালী ব্যাংকের সামনে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন রাত ১০টার দিকে।

এ সময় একটি বাস সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠাচ্ছিল। অন্যদিকে আব্দুল্লাহপুর থেকে সায়েদাবাদগামী 'অনাবিল' পরিবহণের একটি বাস দ্রুত গতিতে সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় মাইনুদ্দিনকে চাপা দেয় বলে রামপুরা থানা পুলিশ জানিয়েছে।

পরে লোকজন ধাওয়া দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে বাসটি ধরতে সক্ষম হন ও চালককে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন। রামপুরা থানা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত দুজনকে আটক করা হয়েছে এবং রাতেই পরিস্থিতি তারা নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন।

তবে তার আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা অনেক বাসে আগুন দেন ও ভাঙচুর করেন। ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়েছে যে, মোট বারটি বাসের আগুন তাদের নেভাতে হয়েছে।

জন্মদিনেই রামপুরায় বাসচাপায় নিহত এসএসসি পরীক্ষার্থী মাইনুদ্দিন

 অনলাইন ডেস্ক 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১০:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর রামপুরা বাজারের কাছে বাসচাপায় মাইনুদ্দিন নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় সোমবার রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা অন্তত ১২টি বাসে আগুন দিয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের বলেন, সোমবারই ছিল নিহত শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন ইসলামের জন্মদিন।

তার বাবা রামপুরা মহল্লায় চায়ের দোকান পরিচালনা করেন এবং দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মাইনুদ্দিন সবার ছোট।

সোমবার রাত ১০টার পরের ওই ঘটনায় জের ধরে সংঘটিত সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আনার পর রাত দেড়টা নাগাদ পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এর আগে সম্প্রতি ঢাকা সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের একজন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ছাত্ররা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছিল।

সোমবার দুপুরেই রামপুরায় সহপাঠীকে ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামানোর অভিযোগে অন্তত চল্লিশটি বাস আটক করেছিলেন স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশের সহায়তায় মালিকদের সঙ্গে আলোচনার পর বাসগুলো ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা।

এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অনাবিল পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাসে চাপা পড়ে শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন ইসলামের মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটল।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস বলছে— ওই শিক্ষার্থী রামপুরায় তিতাস রোডে নিজের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ডিআইটি রোডের সোনালী ব্যাংকের সামনে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন রাত ১০টার দিকে।

এ সময় একটি বাস সেখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠাচ্ছিল। অন্যদিকে আব্দুল্লাহপুর থেকে সায়েদাবাদগামী 'অনাবিল' পরিবহণের একটি বাস দ্রুত গতিতে সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় মাইনুদ্দিনকে চাপা দেয় বলে রামপুরা থানা পুলিশ জানিয়েছে।

পরে লোকজন ধাওয়া দিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে বাসটি ধরতে সক্ষম হন ও চালককে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেন। রামপুরা থানা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত দুজনকে আটক করা হয়েছে এবং রাতেই পরিস্থিতি তারা নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হন।

তবে তার আগেই বিক্ষুব্ধ জনতা অনেক বাসে আগুন দেন ও ভাঙচুর করেন। ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়েছে যে, মোট বারটি বাসের আগুন তাদের নেভাতে হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন