শেকৃবিতে পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টা, ক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা
jugantor
শেকৃবিতে পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টা, ক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা

  শেকৃবি প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ২২:০৯:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী কর্মিসভার কারণে পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টায় বহু শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

দীর্ঘদিন করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে সেশনজট কমাতে শেকৃবি প্রশাসন চেষ্টা করে গেলেও এবার কর্মিসভার কারণে পরীক্ষা পেছানোর জন্য ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীকে উপাচার্য এবং ডিনদের কাছে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ৭৮ ব্যাচের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ডিনদের কাছে পরীক্ষা পেছানোর জন্য ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী গেলে পরীক্ষা দিতে চাওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।

ছাত্রলীগের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দ্বিতীয় বর্ষের এক ক্লাস প্রতিনিধি বলেন, কীভাবে তাড়াতাড়ি অনার্স শেষ করা যায় সেজন্য আমরা জোর চেষ্টা চালিয়েছে যাচ্ছি। বহুদিন পরীক্ষা না হওয়ায় আমরা পিছিয়ে পড়ছি। আর এদিকে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির কারণে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও সেশনজটে পড়তে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত পরীক্ষা দিতে চাই। কোনো পরীক্ষা পিছিয়ে জটে পড়তে চাই না। সেশনজটের অভিশাপ থেকে বের হতে চাই আমরা।

পরীক্ষা পেছানোর ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস বলেন, কিছু শিক্ষার্থী পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টা করছে। তবে ভিসি মহোদয় যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই হবে। আমি একক সিদ্ধান্ত দেওয়ার কেউ না। তবে আমি পরীক্ষা পেছানোর পক্ষে না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, আমার কাছে ছাত্ররা এসেছিল আমি ফিরিয়ে দিয়েছি। তাদের পরীক্ষা হবে বলে দিয়েছি। ডিনকে দায়িত্ব দেওয়া আছে তিনি তার চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

শেকৃবিতে পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টা, ক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা

 শেকৃবি প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১০:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী কর্মিসভার কারণে পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টায় বহু শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

দীর্ঘদিন করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে সেশনজট কমাতে শেকৃবি প্রশাসন চেষ্টা করে গেলেও এবার কর্মিসভার কারণে পরীক্ষা পেছানোর জন্য ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীকে উপাচার্য এবং ডিনদের কাছে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ৭৮ ব্যাচের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ডিনদের কাছে পরীক্ষা পেছানোর জন্য ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী গেলে পরীক্ষা দিতে চাওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।

ছাত্রলীগের ভয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দ্বিতীয় বর্ষের এক ক্লাস প্রতিনিধি বলেন, কীভাবে তাড়াতাড়ি অনার্স শেষ করা যায় সেজন্য আমরা জোর চেষ্টা চালিয়েছে যাচ্ছি। বহুদিন পরীক্ষা না হওয়ায় আমরা পিছিয়ে পড়ছি। আর এদিকে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির কারণে আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও সেশনজটে পড়তে হচ্ছে। আমরা নিয়মিত পরীক্ষা দিতে চাই। কোনো পরীক্ষা পিছিয়ে জটে পড়তে চাই না। সেশনজটের অভিশাপ থেকে বের হতে চাই আমরা।

পরীক্ষা পেছানোর ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস বলেন, কিছু শিক্ষার্থী পরীক্ষা পেছানোর চেষ্টা করছে। তবে ভিসি মহোদয় যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই হবে। আমি একক সিদ্ধান্ত দেওয়ার কেউ না। তবে আমি পরীক্ষা পেছানোর পক্ষে না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, আমার কাছে ছাত্ররা এসেছিল আমি ফিরিয়ে দিয়েছি। তাদের পরীক্ষা হবে বলে দিয়েছি। ডিনকে দায়িত্ব দেওয়া আছে তিনি তার চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন।

শেকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন