ডেমরায় স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী
jugantor
ডেমরায় স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২৯:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ডেমরায় স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছেন তার স্বামী।

অভিযুক্ত স্বামীর নাম মামুন (২৪)। তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতে মামলা করেছেন নিহতের বাবা।

নিহত গৃহবধূর নাম চাম্পা আক্তার (২২)। তিনি ডেমরার পূর্ব বক্সনগর মাইনুদ্দীনের বাড়িতে স্বামীর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন।

পলাতক মামুন নাটোরের সিংড়া থানার লাল বানু বেওয়ানা গ্রামের মৃত নূর ইসলামের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হাজীনগর এলাকার আর রাফি হাসপাতালে কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে চাম্পাকে অচেতন অবস্থায় তার স্বামী মামুন রিকশা করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতাল থেকে বলা হয়-তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা আনার কথা বলে পালিয়ে যান মামুন।

ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, লাশ ফেলে পালানোর পর গভীর রাতে আমরা প্রথমে মৃতের পরিচয় পাচ্ছিলাম না। পরে তার বাবার পরিচয় পেয়ে ফোন করে থানায় এনে সব কথা শুনি।

নিহতের বাবার বরাতে তিনি বলেন, চাম্পা ৭-৮ বছর ধরে গাজীপুরে একটি কারখানায় কাজ করতেন। বাবার অমতে গত পাঁচ মাস আগে মামুনের সঙ্গে বিয়ের পর তারা ডেমরায় বসবাস শুরু করেন।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বাবা হযরত সরদার থানায় মামলা করেছেন। তবে আসামিকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

ডেমরায় স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ডেমরায় স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছেন তার স্বামী। 

অভিযুক্ত স্বামীর নাম মামুন (২৪)। তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতে মামলা করেছেন নিহতের বাবা। 

নিহত গৃহবধূর নাম চাম্পা আক্তার (২২)। তিনি ডেমরার পূর্ব বক্সনগর মাইনুদ্দীনের বাড়িতে স্বামীর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন। 

পলাতক মামুন নাটোরের সিংড়া থানার লাল বানু বেওয়ানা গ্রামের মৃত নূর ইসলামের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হাজীনগর এলাকার আর রাফি হাসপাতালে কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, বুধবার রাত ১২টার দিকে চাম্পাকে অচেতন অবস্থায় তার স্বামী মামুন রিকশা করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতাল থেকে বলা হয়-তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এ সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশা আনার কথা বলে পালিয়ে যান মামুন। 

ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, লাশ ফেলে পালানোর পর গভীর রাতে আমরা প্রথমে মৃতের পরিচয় পাচ্ছিলাম না। পরে তার বাবার পরিচয় পেয়ে ফোন করে থানায় এনে সব কথা শুনি। 

নিহতের বাবার বরাতে তিনি বলেন, চাম্পা ৭-৮ বছর ধরে গাজীপুরে একটি কারখানায় কাজ করতেন। বাবার অমতে গত পাঁচ মাস আগে মামুনের সঙ্গে বিয়ের পর তারা ডেমরায় বসবাস শুরু করেন। 

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় নিহতের বাবা হযরত সরদার থানায় মামলা করেছেন। তবে আসামিকে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন