এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের
jugantor
এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:২৮:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

এতিম ও হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টার ‘নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’।

শনিবার দুপুরে যমুনা ফিউচার পার্ক ৫ম তলায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে কুরআন ও শীতবস্ত্র তুলে দেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও যুগান্তর প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দেন যমুনা গ্রুপের পরিচালক সোনিয়া সারিয়াত। উপস্থিত ছিলেন যমুনা ফিউচার পার্ক ‘হোলসেল ক্লাব’ কর্মকর্তা ইফফাত জাহান আনিকা ও ‘নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’র প্রকল্প পরিচালক মাওলানা তোফায়েল গাজালি।

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সব সময় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। সর্বদা দেশপ্রেম নিয়ে, কী করলে দেশ ও দেশের মানুষের মঙ্গল হবে, সেই চিন্তা করতেন। তার শিক্ষায় আমরা চলছি, তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। তিনি মানুষকে ভালোবাসতেন। সাহায্য-সহযোগিতা করতেন। এতিমদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। আমরা এতিম ও হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। মহৎ এ কাজ সর্বদাই করব। আমরা সারা দেশেই সুবিধাবঞ্চিত শিশু তথা দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াব। এদের পাশে সমাজের বিত্তবান মানুষ দাঁড়ালে সমাজ সুন্দর হবে। এসব শিশু আলোকিত হয়ে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ধর্ম অনুসারীদের হৃদয় থেকে ভালোবাসতেন জানিয়ে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, তার নামে আমরা এই ফাউন্ডেশন তৈরি করেছি, যেন কুরআন শিক্ষা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সেটি গ্রহণ করে মানুষ যেন হাফেজ হতে পারে। এর ব্রত কবুল করে আল্লাহ যেন মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামকে জান্নাতবাসী করেন।

তিনি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্রত নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে যমুনা গ্রুপ। বরাবরই ইসলামের সেবক হিসেবে কাজ করেছে তার পরিবার। অসহায় মানুষ ও ইসলামের সেবার মাধ্যমেই নুরুল ইসলাম চলতেন। আমরা তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। এক জীবনে সফলতার সর্বোচ্চ চূঁড়ায় পৌঁছেছিলেন তিনি। তৈরি করেছেন বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল হিসেবে পরিচিত ‘যমুনা ফিউচার পার্ক’সহ অগণিত প্রতিষ্ঠান। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ভূমিকা রেখেছিলেন দেশ গঠনেও। গেল বছর ১৩ জুলাই ৭৪ বছর বয়সে মারা যান যমুনা গ্রুপের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম।

মহান এই মানুষের স্মরণে ‘নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’ গড়ে তুলেছেন তার পরিবার ও যমুনা গ্রুপ। ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিনিয়ত সাহায্য-সহযোগিতা করছেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আর্থিকসহ শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে এতিমখানা, মসজিদ নির্মাণ, হজ প্রশিক্ষণ, বেওয়ারিশ লাশ দাফন ও ব্লাডব্যাংক প্রতিষ্ঠার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন।

রাজধানীর উত্তরখানে নির্মিত হচ্ছে নুরুল ইসলাম মাদ্রাসা ও এতিমখানা। নিরাপদ পানি প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র মানুষের বাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউবওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদভিত্তিক কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র চালু করেছে।

এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এতিম ও হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে যমুনা গ্রুপের স্বপ্নদ্রষ্টার ‘নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’। 

শনিবার দুপুরে যমুনা ফিউচার পার্ক ৫ম তলায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে কুরআন ও শীতবস্ত্র তুলে দেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও যুগান্তর প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি। 

এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহার সামগ্রী তুলে দেন যমুনা গ্রুপের পরিচালক সোনিয়া সারিয়াত। উপস্থিত ছিলেন যমুনা ফিউচার পার্ক ‘হোলসেল ক্লাব’ কর্মকর্তা ইফফাত জাহান আনিকা ও ‘নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’র প্রকল্প পরিচালক মাওলানা তোফায়েল গাজালি।

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সব সময় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। সর্বদা দেশপ্রেম নিয়ে, কী করলে দেশ ও দেশের মানুষের মঙ্গল হবে, সেই চিন্তা করতেন। তার শিক্ষায় আমরা চলছি, তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। তিনি মানুষকে ভালোবাসতেন। সাহায্য-সহযোগিতা করতেন। এতিমদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। আমরা এতিম ও হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছি। মহৎ এ কাজ সর্বদাই করব। আমরা সারা দেশেই সুবিধাবঞ্চিত শিশু তথা দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াব। এদের পাশে সমাজের বিত্তবান মানুষ দাঁড়ালে সমাজ সুন্দর হবে। এসব শিশু আলোকিত হয়ে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। 

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ধর্ম অনুসারীদের হৃদয় থেকে ভালোবাসতেন জানিয়ে অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, তার নামে আমরা এই ফাউন্ডেশন তৈরি করেছি, যেন কুরআন শিক্ষা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সেটি গ্রহণ করে মানুষ যেন হাফেজ হতে পারে। এর ব্রত কবুল করে আল্লাহ যেন মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামকে জান্নাতবাসী করেন। 

তিনি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ব্রত নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে যমুনা গ্রুপ। বরাবরই ইসলামের সেবক হিসেবে কাজ করেছে তার পরিবার। অসহায় মানুষ ও ইসলামের সেবার মাধ্যমেই নুরুল ইসলাম চলতেন। আমরা তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। এক জীবনে সফলতার সর্বোচ্চ চূঁড়ায় পৌঁছেছিলেন তিনি। তৈরি করেছেন বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল হিসেবে পরিচিত ‘যমুনা ফিউচার পার্ক’সহ অগণিত প্রতিষ্ঠান। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ভূমিকা রেখেছিলেন দেশ গঠনেও। গেল বছর ১৩ জুলাই ৭৪ বছর বয়সে মারা যান যমুনা গ্রুপের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম। 

মহান এই মানুষের স্মরণে ‘নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন’ গড়ে তুলেছেন তার পরিবার ও যমুনা গ্রুপ। ফাউন্ডেশন থেকে প্রতিনিয়ত সাহায্য-সহযোগিতা করছেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের। মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আর্থিকসহ শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে এতিমখানা, মসজিদ নির্মাণ, হজ প্রশিক্ষণ, বেওয়ারিশ লাশ দাফন ও ব্লাডব্যাংক প্রতিষ্ঠার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশন। 

রাজধানীর উত্তরখানে নির্মিত হচ্ছে নুরুল ইসলাম মাদ্রাসা ও এতিমখানা। নিরাপদ পানি প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র মানুষের বাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউবওয়েল স্থাপন করা হচ্ছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদভিত্তিক কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র চালু করেছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন