উদ্ধার অভিযানে গিয়ে রেলের মহাপরিচালককে যা বললেন মেয়র আতিক
jugantor
উদ্ধার অভিযানে গিয়ে রেলের মহাপরিচালককে যা বললেন মেয়র আতিক

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৩৮:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

উদ্ধার অভিযানে গিয়ে রেলের মহাপরিচালককে যা বললেন মেয়র আতিক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িল ফ্লাইওভার এবং রেললাইন সংলগ্ন জলাধার এলাকায় উদ্ধার অভিযানে গিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদারের সঙ্গে।

এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, এখানে ওয়ান পয়েন্ট এইট ফোর একর জমি। এখানে প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছে, তারা স্লোগান দিচ্ছে। সাংবাদিকরা ভর্তি….একটা সাইনবোর্ড করেছে বিরাট বড়… উইদাউট এনি পারমিশন….

মেয়র আতিক ফোনে আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আপনারা জলাধার পাঁচ তারকা হোটেল ও শপিং কমপ্লেক্সের জন্য বরাদ্দ দিচ্ছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোনো ধরনের জলাধার ভরাট করা যাবে না। সেখানে কীভাবে বরাদ্দ দিলেন? আপনি কি জানেন না এটা জলাধার? খবর নেন, দ্রুত এই বরাদ্দ বাতিল করেন।

রেলের মহাপরিচালককে তিনি আরও বলেন, আপনি তাদের (বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠান) বলে দেন এখানে আমি করতে দেব না। আমি এটা ভেঙে দিচ্ছি।

এরপর একটি আধাপাকা স্থাপনা এবং বিলবোর্ড গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও স্থাপনা ভাঙার কাজে যোগ দেয়।

প্রসঙ্গত, কুড়িল ফ্লাইওভার সংলগ্ন এলাকায় বিশালাকার একটি জলাধার রয়েছে। জলাধারের এক পাশে রেললাইন ও কুড়িল ফ্লাইওভার খিলক্ষেত-প্রগতি সরণি অংশ, অন্য পাশে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে।

এই জলাধারে খিলক্ষেত, নিকুঞ্জসহ আশপাশের এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশিত হয়। জায়গার মালিক বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের। গত ডিসেম্বরে নিজেদের অব্যবহৃত ১ দশমিক ৮৪ একর রেলভূমি একটি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দিয়েছে রেলওয়ে। সেখানে একটি পাঁচ তারকা হোটেল ও শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য জলাশয়টি ভরাটের কাজ করছে।

উদ্ধার অভিযানে গিয়ে রেলের মহাপরিচালককে যা বললেন মেয়র আতিক

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
উদ্ধার অভিযানে গিয়ে রেলের মহাপরিচালককে যা বললেন মেয়র আতিক
ছবি : যুগান্তর

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িল ফ্লাইওভার এবং রেললাইন সংলগ্ন জলাধার এলাকায় উদ্ধার অভিযানে গিয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদারের সঙ্গে।

এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, এখানে ওয়ান পয়েন্ট এইট ফোর একর জমি। এখানে প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছে, তারা স্লোগান দিচ্ছে। সাংবাদিকরা ভর্তি….একটা সাইনবোর্ড করেছে বিরাট বড়… উইদাউট এনি পারমিশন….

মেয়র আতিক ফোনে আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আপনারা জলাধার পাঁচ তারকা হোটেল ও শপিং কমপ্লেক্সের জন্য বরাদ্দ দিচ্ছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কোনো ধরনের জলাধার ভরাট করা যাবে না। সেখানে কীভাবে বরাদ্দ দিলেন? আপনি কি জানেন না এটা জলাধার? খবর নেন, দ্রুত এই বরাদ্দ বাতিল করেন।

রেলের মহাপরিচালককে তিনি আরও বলেন, আপনি তাদের (বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠান) বলে দেন এখানে আমি করতে দেব না। আমি এটা ভেঙে দিচ্ছি।

এরপর  একটি আধাপাকা স্থাপনা এবং বিলবোর্ড গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও স্থাপনা ভাঙার কাজে যোগ দেয়।

প্রসঙ্গত, কুড়িল ফ্লাইওভার সংলগ্ন এলাকায় বিশালাকার একটি জলাধার রয়েছে। জলাধারের এক পাশে রেললাইন ও কুড়িল ফ্লাইওভার খিলক্ষেত-প্রগতি সরণি অংশ, অন্য পাশে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে। 

এই জলাধারে খিলক্ষেত, নিকুঞ্জসহ আশপাশের এলাকার বৃষ্টির পানি নিষ্কাশিত হয়। জায়গার মালিক বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের। গত ডিসেম্বরে নিজেদের অব্যবহৃত ১ দশমিক ৮৪ একর রেলভূমি একটি প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দিয়েছে রেলওয়ে।  সেখানে একটি পাঁচ তারকা হোটেল ও শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য জলাশয়টি ভরাটের কাজ করছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন