ভাঙারির দোকানে বিস্ফোরণে আহত আরও ১ জনের মৃত্যু
jugantor
ভাঙারির দোকানে বিস্ফোরণে আহত আরও ১ জনের মৃত্যু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ আগস্ট ২০২২, ১৪:২৩:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার উত্তরার কামারপাড়ায় ভাঙারির দোকানে বিস্ফোরণের ঘটনায় মো. আল-আমিন (৩০) নামে দগ্ধ আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

আহত ওই যুবক মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৩টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

বিস্ফোরণে দগ্ধ আল-আমিনের শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আল-আমিনকে নিয়ে গত শনিবারের ওই বিস্ফোরণে মোট ৬ জনের মৃত্যু হল।

বাকি যে দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

গত ৬ অগাস্ট ওই বিস্ফোরণের পর তুরাগ থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, উত্তরা কামারপাড়ার ওই ভাঙারির দোকানের পাশে রিকশা গ্যারেজ রয়েছে। ভাঙারির দোকানে পুরনো ফেলে দেওয়া মালপত্রের গুদাম ছিল। সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ নানা দাহ্য পদার্থও ছিল।

সেদিন দুপুরে ভাঙারির দোকানে পারফিউমের বোতল খোলার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। তাতে রিকশার গ্যারেজে থাকা আটজন গুরুতর আহত হন।

তাদের মধ্যে রিকশা গ্যারেজের মালিক গাজী মাজহারুল ইসলাম (৪৭), রিকশা চালক মাসুম আলী (৩৫), মিজানুর (৩৫), আলমগীর হোসেন আলম (২৩), নূর হোসেন (৬০) এবং আল-আমিনের (৩০) মৃত্যু হয়েছে।

দগ্ধ মো. শরিফুল ইসলাম (৩২) ও মো. শাহিন (২৬) এখনও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. আইউব হোসেন।

ভাঙারির দোকানে বিস্ফোরণে আহত আরও ১ জনের মৃত্যু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ আগস্ট ২০২২, ০২:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার উত্তরার কামারপাড়ায় ভাঙারির দোকানে বিস্ফোরণের ঘটনায় মো. আল-আমিন (৩০) নামে দগ্ধ আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

আহত ওই যুবক মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৩টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

বিস্ফোরণে দগ্ধ আল-আমিনের শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। আল-আমিনকে নিয়ে গত শনিবারের ওই বিস্ফোরণে মোট ৬ জনের মৃত্যু হল।

বাকি যে দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

গত ৬ অগাস্ট ওই বিস্ফোরণের পর তুরাগ থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, উত্তরা কামারপাড়ার ওই ভাঙারির দোকানের পাশে রিকশা গ্যারেজ রয়েছে। ভাঙারির দোকানে পুরনো ফেলে দেওয়া মালপত্রের গুদাম ছিল। সেখানে হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ নানা দাহ্য পদার্থও ছিল।

সেদিন দুপুরে ভাঙারির দোকানে পারফিউমের বোতল খোলার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। তাতে রিকশার গ্যারেজে থাকা আটজন গুরুতর আহত হন।

তাদের মধ্যে রিকশা গ্যারেজের মালিক গাজী মাজহারুল ইসলাম (৪৭), রিকশা চালক মাসুম আলী (৩৫), মিজানুর (৩৫), আলমগীর হোসেন আলম (২৩), নূর হোসেন (৬০) এবং আল-আমিনের (৩০) মৃত্যু হয়েছে।

দগ্ধ মো. শরিফুল ইসলাম (৩২) ও মো. শাহিন (২৬) এখনও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. আইউব হোসেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন