বেঁচে রইলেন শুধু নবদম্পতি
jugantor
বেঁচে রইলেন শুধু নবদম্পতি

  উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৫ আগস্ট ২০২২, ১৯:২৭:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

হৃদয় (২৫) ও রিয়া মনির (২১) বিয়ে হয়েছে শনিবার। সোমবার স্বজনেরা নবদম্পতিকে নিয়ে কনের বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে উত্তরার জসিমউদ্দিন মোড় সংলগ্ন সড়কে বিআরটির প্রকল্পের গার্ডার পড়ে তাদের প্রাইভেটকারের ওপর।

প্রাইভেটকারে আরোহী ছিলেন সাত জন বলে স্বজনরা জানায়। তারা হলেন- হৃদয়ের বাবা রুবেল (৬০), হৃদয়ের শাশুড়ি ফাহিমা (৪০), কনে রিয়া মনির খালা ঝরনা (২৮), ঝরনার দুই সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। শুধু বেঁচে গেছেন হৃদয় ও রিয়া। নব দম্পতিকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বজনেরা জানান, শনিবার হৃদয় ও রিয়ার বিয়ে হয়। তারা সোমবার ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। হৃদয়ের পরিবার দক্ষিণখান থানার কাওলা আফিল মেম্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া। আর কনে রিয়া মনির বাড়ি আশুলিয়ার খেজুরবাগানে আসরাফউদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায়।

হৃদয়ের চাচাতো ভাই রাকিব (১৯) বলেন, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তারা দুর্ঘটনার খবর পান। কিন্তু এতো সময় পরও গাড়ি থেকে মরদেহগুলো বের করতে পারেননি উদ্ধারকারীরা। ভেতরে যদি কেউ বেঁচে থেকেও থাকেন তাহলে এতোক্ষণে মারা গেছেন। রাকিব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকার কীভাবে এভাবে অব্যবস্থাপনার মধ্যে কাজ করছে? আমরা কার কাছে বিচার দিব! আমাদের অন্তত লাশগুলো বের করে দিক। কিন্তু এখানে তো কোনো উন্নত যন্ত্রপাতি নেই।’

দুর্ঘটনাস্থলে স্বজনেরা আসছেন। তাদের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা লিভার দিয়ে গার্ডার উঁচুর করে তুলে গাড়ি বের করার চেষ্টা করছেন। তবে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চেষ্টায়ও গার্ডার সরেনি। এখন ক্রেন আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

বেঁচে রইলেন শুধু নবদম্পতি

 উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৫ আগস্ট ২০২২, ০৭:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হৃদয় (২৫) ও রিয়া মনির (২১) বিয়ে হয়েছে শনিবার। সোমবার স্বজনেরা নবদম্পতিকে নিয়ে কনের বাবার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথে উত্তরার জসিমউদ্দিন মোড় সংলগ্ন সড়কে বিআরটির প্রকল্পের গার্ডার পড়ে তাদের প্রাইভেটকারের ওপর।

প্রাইভেটকারে আরোহী ছিলেন সাত জন বলে স্বজনরা জানায়। তারা হলেন- হৃদয়ের বাবা রুবেল (৬০), হৃদয়ের শাশুড়ি ফাহিমা (৪০), কনে রিয়া মনির খালা ঝরনা (২৮), ঝরনার দুই সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (২)। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। শুধু বেঁচে গেছেন হৃদয় ও রিয়া। নব দম্পতিকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বজনেরা জানান, শনিবার হৃদয় ও রিয়ার বিয়ে হয়। তারা সোমবার ছেলের বাড়ি থেকে মেয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। হৃদয়ের পরিবার দক্ষিণখান থানার কাওলা আফিল মেম্বারের বাড়ির ভাড়াটিয়া। আর কনে রিয়া মনির বাড়ি আশুলিয়ার খেজুরবাগানে আসরাফউদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায়। 

হৃদয়ের চাচাতো ভাই রাকিব (১৯) বলেন, বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তারা দুর্ঘটনার খবর পান। কিন্তু এতো সময় পরও গাড়ি থেকে মরদেহগুলো বের করতে পারেননি উদ্ধারকারীরা। ভেতরে যদি কেউ বেঁচে থেকেও থাকেন তাহলে এতোক্ষণে মারা গেছেন। রাকিব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকার কীভাবে এভাবে অব্যবস্থাপনার মধ্যে কাজ করছে? আমরা কার কাছে বিচার দিব! আমাদের অন্তত লাশগুলো বের করে দিক। কিন্তু এখানে তো কোনো উন্নত যন্ত্রপাতি নেই।’

দুর্ঘটনাস্থলে স্বজনেরা আসছেন। তাদের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা লিভার দিয়ে গার্ডার উঁচুর করে তুলে গাড়ি বের করার চেষ্টা করছেন। তবে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চেষ্টায়ও গার্ডার সরেনি। এখন ক্রেন আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন