রাজধানীতে মন্দিরের ভেতরে সেবায়েতের লাশ, থানায় অভিযোগ
jugantor
রাজধানীতে মন্দিরের ভেতরে সেবায়েতের লাশ, থানায় অভিযোগ

  মিরপুর প্রতিনিধি  

২০ আগস্ট ২০২২, ০৪:২৬:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বর কেন্দ্রীয় মন্দিরের সেবায়েত পরিক্ষিত দাসের আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে গভীর রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পরিক্ষিত দাসের ফাঁস লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় লাশটি মন্দিরের সিঁড়ির দ্বিতীয় তলার রেলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।

এ ঘটনায় শুক্রবার নিহত পরিক্ষিত দাসের ছেলে ভক্ত দাস মন্দির পরিচালনা কমিটির শীর্ষ ৩ নেতার বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা হলেন- মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি বিপ্লব বিজয়ী হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন সাহা ও দপ্তর সম্পাদক বাদল সরকার।

থানায় অভিযোগে ভক্ত দাস জানান, তার বাবা মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি মন্দিরের ভিতর একটি রুমে আরও ২ জনের সঙ্গে থাকতেন। ঘটনার দিন লোকমুখে শুনতে পান তার বাবা মন্দিরের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে তারা গ্রাম থেকে ঢাকায় আসেন।

তিনি জানান, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের গিয়ে বাবার মৃতদেহ দেখতে পান। তার বাবা আত্মহত্যা করতে পারে না। এরপর একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পান ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫০ মিনিটে তার বাবা ব্যাগ হাতে মন্দির হতে বাহির হলে সুমন সাহা আমার বাবাকে বাঁধা দেয়। এর কিছু সময় পর ১ ও ৩ নম্বর বিবাদী মন্দিরে এসে তার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে তার বাবা তাদের হাত ও পা ধরে মাফ চায়। কিন্তু বিবাদীরা তার বাবাকে মন্দিরে রেখে চলে যায়। এর পরের দিন মন্দিরের লোক জন তার বাবাকে মন্দিরের ২য় তলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না আমার বাবা আত্মহত্যা করতে পারে। তার কোনো কারণও আমাদের জানা নেই। আমাদের বিশ্বাস এর পেছনে কোনো গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে।

কাফরুল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীতে মন্দিরের ভেতরে সেবায়েতের লাশ, থানায় অভিযোগ

 মিরপুর প্রতিনিধি 
২০ আগস্ট ২০২২, ০৪:২৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বর কেন্দ্রীয় মন্দিরের সেবায়েত পরিক্ষিত দাসের আত্মহত্যার ঘটনা নিয়ে গভীর রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পরিক্ষিত দাসের ফাঁস লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় লাশটি মন্দিরের সিঁড়ির দ্বিতীয় তলার রেলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল।

এ ঘটনায় শুক্রবার নিহত পরিক্ষিত দাসের ছেলে ভক্ত দাস মন্দির  পরিচালনা কমিটির শীর্ষ ৩ নেতার বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা হলেন- মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি বিপ্লব বিজয়ী হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন সাহা ও দপ্তর সম্পাদক বাদল সরকার।

থানায় অভিযোগে ভক্ত দাস জানান, তার বাবা মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি মন্দিরের ভিতর একটি রুমে আরও ২ জনের সঙ্গে থাকতেন। ঘটনার দিন লোকমুখে শুনতে পান তার বাবা মন্দিরের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে তারা গ্রাম থেকে  ঢাকায় আসেন।

তিনি জানান, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের গিয়ে বাবার মৃতদেহ দেখতে পান। তার বাবা আত্মহত্যা করতে পারে না। এরপর একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পান ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫০ মিনিটে তার বাবা ব্যাগ হাতে মন্দির হতে বাহির হলে সুমন সাহা আমার বাবাকে বাঁধা দেয়। এর কিছু সময় পর ১ ও ৩ নম্বর বিবাদী মন্দিরে এসে তার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। এক পর্যায়ে তার বাবা তাদের হাত ও পা ধরে মাফ চায়। কিন্তু বিবাদীরা তার বাবাকে মন্দিরে রেখে চলে যায়। এর পরের দিন মন্দিরের লোক জন তার বাবাকে মন্দিরের ২য় তলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান।
 
তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না আমার বাবা আত্মহত্যা করতে পারে। তার কোনো কারণও আমাদের জানা নেই। আমাদের বিশ্বাস এর পেছনে কোনো গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে।

কাফরুল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন