চালকের লাইসেন্স না পেলেই গাড়ি ভাঙচুর

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০১৮, ১৫:১৯ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

বাস ভাঙছে শিক্ষার্থীরা, ছবি যুগান্তর

জাবালে নূর বাসের ধাক্কায় দুই সহপাঠী নিহতের ঘটনায় সকাল থেকেই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দুই শিক্ষার্থী হত্যার বিচারসহ ৯ দফা দাবিতে উত্তরায় সড়ক অবরোধে আটকেপড়া বাসের লাইসেন্স পরীক্ষা করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

যেসব চালক ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পারছেন না, তাদের বাস ভাঙচুর করা হচ্ছে। এতে করে বাসযাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।


দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা কয়েকটি ভাগে দলবদ্ধ হয়ে অবরোধে আটকেপড়া বাসচালকের লাইসেন্স আছে কিনা তা পরীক্ষা করছেন। যেসব চালক লাইসেন্স দেখাতে পারছেন না, আন্দোলনকারীরা তাদের বাস ভাঙচুর করছেন এবং তাদের কেউ কেউ আবার লাইসেন্সবিহীন চালকের ওপর অতর্কিত হামলাও চালাচ্ছেন। যারা লাইসেন্স দেখাচ্ছেন, তাদের ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।

অবরোধ থেকে নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগ, নিরাপদ সড়ক ও ঘাতক জাবালে নূরের চালকদের দ্রুতবিচার এবং ফাঁসি দাবি ছাড়াও বেশ কয়েকটি দাবি করা হয়েছে।

দাবিগুলো হল- নৌপরিবহনমন্ত্রী সব সংসদীয় কমিটি, মালিক-শ্রমিক ফেডারেশন ও মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ, ক্ষতিগ্রস্ত সব পরিবারের ন্যায্য দাবি পূরণ, পেশাদার লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতা, সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি, বিগত দিনের সব দোষীকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংলগ্ন এলাকায় ওভারব্রিজ, সব প্রকার দলীয় আচরণ ত্যাগ করে সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা, পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বোচ্চ আইন প্রণয়ন, ক্ষতিগ্রস্তদের বাস্তবসম্মত ক্ষতিপূরণ, গাড়ির ফিটনেস ও শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর করা।


রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের ছাত্র ইকবাল বলেন, আমাদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাসচালকদের লাইসেন্স পরীক্ষা করা একটি অংশ। বৈধ লাইসেন্স ছাড়া আমরা কাউকে গাড়ি চালাতে দেব না। 

এদিকে উত্তরা এয়ারপোর্টের দুই পাশের প্রধান সড়কগুলোতে সকাল থেকে শুরু হয়েছে শিক্ষার্থীদের অবরোধ কর্মসূচি। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীরা রাস্তার ওপর খণ্ড খণ্ডভাবে বিক্ষোভ করে কুর্মিটোলা হোটেল রেডিসনের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন।