মোহাম্মদপুরে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান ও জরিমানা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বসিলায় অনুমোদনহীন আরাম হাউজিং এবং দয়াল হাউজিং এলাকায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন সময় নকশা বিহীন কয়েকটি ভবনে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া। এ সময় নকশা বিহীন কয়েকটি ভবনের আংশিক অপসারণসহ জরিমানা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়ে দুপুরে শেষ হয়।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক জোন-৫/১) মোহাম্মদপুর বসিলা অনুমোদনহীন আরাম হাউজিং এবং দয়াল হাউজিং এলাকায় রাজউক নকশা বিহীন ভবন নির্মাণ করায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করি। নকশা বিহীন নির্মাণাধীন সব ভবনে ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। রাজউকের নোটিশ অমান্য করে প্রায় সব ভবন মালিক নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন। কয়েকটি নকশা বিহীন ভবনে প্রাথমিক ভাবে সতর্ক করে কাজ বন্ধ করি দিই। এছাড়াও কয়েকটি বহুতল ভবনের আংশিক ভেঙে ফেলাসহ দুইটি ভবনে মোট তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তারা যেন পরবর্তীতে রাজউকের অনুমোদন ব্যতীত ইমারত নির্মাণ না করে সে বিষয়ে মুচলেকা প্রদান করেন। যারা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করবেন, তারা যেন রাজউক থেকে অনুমোদন নিয়ে নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করে এই বিষয়ে সচেতন করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রাজউক এখনো এই এলাকায় ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র দিচ্ছে না, সে কারণে আমরা নকশা অনুমোদন এর আবেদন করতে পারছি না। অথচ ভবন নির্মাণ করলে নোটিশ করছে। আমাদের মালামাল নষ্ট হচ্ছে। আজতো কিছু ভবনের আংশিক উচ্ছেদ ও করল। হয় রাজউক আমাদের ছাড়পত্র দিক অথবা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিক। একটা সুরাহা করে তার পর রাজউকের এই ধরনের অভিযান চালানো উচিত। ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদানের অনুমতি দিয়ে এভাবে রাজউক অভিযান চলমান রাখলে কেউ নকশা ছাড়া ভবন করতে সাহস পাবে না।

মোবাইল কোর্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, জোন-৫ এর পরিচালক, মো. হামিদুল হক, অথরাইজড অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুন, সহ অথরাইজড অফিসার মো. মেহেদী হাসান, প্রধান ইমারত পরিদর্শক ফাত্তাহ্ এবং মো. সাব্বির আহমেদ, ইমারত পরিদর্শক আব্দুল সাত্তার, তুহিন রেজাসহ রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন