উন্মুক্ত হলো ‘ধ্বনি’ সফটওয়্যার
jugantor
উন্মুক্ত হলো ‘ধ্বনি’ সফটওয়্যার

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৩৯:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ইজনোরশেন সফলতার সাথে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের ধ্বনি সফটওয়্যারটি বাস্তবায়ন করছে।

এই সফটওয়্যারটি মূলত কৃত্রিম বুদ্বিমত্তা, মশেনি লার্নিং, এবং ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং এর মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাভাষাকে ইন্টারন্যাশনাল ফোনেটিক অ্যালফাবেট বা আইপিএ-তে রূপান্তর করতে পারে।

আইপিএ বা ইন্টারন্যাশনাল ফোনেটিক অ্যালফাবেট হল আর্ন্তজাতিক ধ্বনিভিত্তিক লিপ্যন্তরকরণকরণ পদ্ধতি বা আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি, যার উদ্দশ্যে হল বিশ্বের সব ভাষার সব ধ্বনিকে এক লিপিতে প্রমতিভাবে উপস্থাপন করা।

‘ধ্বননি’ সফটওয়্যারটি বাংলা থেকে আইপিএ-তে রূপান্তরের সেই কাজটইি করবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক শুক্রবার এক র্ভাচুয়াল অনুষ্ঠানে সফটওয়ারটি উদ্বোধন করেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য বৈশ্বিক প্ল্যাটর্ফমে নেতৃস্থানীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠা করা, বিশেষ করে বাংলা ভাষার ডিজিটাইজশেন নিশ্চিত করা।

‘ধ্বনি’ এর মাধ্যমে পৃথিবীর সকল বাংলা ভাষাভাষী যেমন উপকৃত হবে, তেমনি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সদস্য ও বাক-দৃষ্টি- শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীও এর সুফল পাবে।

উন্মুক্ত হলো ‘ধ্বনি’ সফটওয়্যার

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইজনোরশেন সফলতার সাথে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের ধ্বনি সফটওয়্যারটি বাস্তবায়ন করছে।

এই সফটওয়্যারটি মূলত কৃত্রিম বুদ্বিমত্তা, মশেনি লার্নিং, এবং ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং এর মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাভাষাকে ইন্টারন্যাশনাল ফোনেটিক অ্যালফাবেট বা আইপিএ-তে রূপান্তর করতে পারে।

আইপিএ বা ইন্টারন্যাশনাল ফোনেটিক অ্যালফাবেট হল আর্ন্তজাতিক ধ্বনিভিত্তিক লিপ্যন্তরকরণকরণ পদ্ধতি বা আন্তর্জাতিক ধ্বনিলিপি, যার উদ্দশ্যে হল বিশ্বের সব ভাষার সব ধ্বনিকে এক লিপিতে প্রমতিভাবে উপস্থাপন করা। 

‘ধ্বননি’ সফটওয়্যারটি বাংলা থেকে আইপিএ-তে রূপান্তরের সেই কাজটইি করবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক শুক্রবার এক র্ভাচুয়াল অনুষ্ঠানে সফটওয়ারটি উদ্বোধন করেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য বৈশ্বিক প্ল্যাটর্ফমে নেতৃস্থানীয় ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠা করা, বিশেষ করে বাংলা ভাষার ডিজিটাইজশেন নিশ্চিত করা।

‘ধ্বনি’ এর মাধ্যমে পৃথিবীর সকল বাংলা ভাষাভাষী যেমন উপকৃত হবে, তেমনি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সদস্য ও বাক-দৃষ্টি- শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীও এর সুফল পাবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন