বাংলাদেশে ইউনিলিভারের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নিয়ে বই প্রকাশ
jugantor
বাংলাদেশে ইউনিলিভারের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নিয়ে বই প্রকাশ

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:৫০:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা উদযাপনে 'যাত্রা (জার্নি): লাল সবুজের দেশে ইউনিলিভার এর গল্প' শীর্ষক বই প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল)।

২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকায় রেডিসন ব্লু হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। কোম্পানির অভ্যন্তরীণ প্রকাশনা (বিক্রির জন্য নয়) হিসেবে প্রকাশিত এই বইটিতে বাংলাদেশে ব্যবসারত অন্যতম বৃহত্তম ও প্রাচীনতম বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার এর পথচলা ও সাফল্যের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।

সাড়ে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় আগে এই ভূখণ্ডে নিজেদের কার্যক্রম শুরু করার সময় বহুজাতিক কোম্পানির নাম ছিলো ‘লিভার ব্রাদার্স’, সময়ের বিবর্তনে যা এখন সবার কাছে ‘ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড’ (ইউবিএল) নামে পরিচিত।

২০১৮ সালে বই প্রকাশের এই উদ্যোগটির কাজ শুরু হয়। কোম্পানিটির বর্তমান ও সাবেক কর্মী, অংশীদার ও স্টেকহোল্ডারদের স্মৃতিচারণার ভিত্তিতেই মূলত: বইটি রচিত হয়েছে, যেখানে কোম্পানির শুরুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও রোমাঞ্চকর সব অভিজ্ঞতার গল্প ওঠে এসেছে।

স্মৃতিচারণামূলক গল্পকথার মাধ্যমে বইটিতে বাংলাদেশে ইউনিলিভার এর যাত্রাপথে অর্জিত সফলতা ও মাইলফলক গুলোর গল্প উঠে এসেছে, যেখানে সাবান তৈরির ছোট একটি কারখানা দিয়ে যাত্রা শুরু করে দেশের সবচেয়ে বড় কনজ্যুমার ব্র্যান্ডস হয়ে ওঠা, ওয়াশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের আচরণগত পরিবর্তনসাধনে কাজ করা, দাঁতের যত্ন ও পুষ্টি নিয়ে কাজ করা, নতুন নতুন উদ্ভাবন চিন্তা কাজে লাগিয়ে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সাবান-শ্যাম্পুর মিনি-প্যাক পৌঁছে দেওয়া এবং জনপ্রিয় করে তোলা, ১৯৯২ সালে ফাইসন্স কোম্পানিকে অধিগ্রহণ এবং ২০২০ সালে প্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডে রূপান্তরের মতো রোমাঞ্চকর সব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এইচ.ই. রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর এমপি সহ স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের ৪০ জন শীর্ষস্থানীয় ও বিশিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে ইউনিলিভারের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নিয়ে বই প্রকাশ

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা উদযাপনে 'যাত্রা (জার্নি): লাল সবুজের দেশে ইউনিলিভার এর গল্প' শীর্ষক বই প্রকাশ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল)। 

২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকায় রেডিসন ব্লু হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। কোম্পানির অভ্যন্তরীণ প্রকাশনা (বিক্রির জন্য নয়) হিসেবে প্রকাশিত এই বইটিতে বাংলাদেশে ব্যবসারত অন্যতম বৃহত্তম ও প্রাচীনতম বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার এর পথচলা ও সাফল্যের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। 

সাড়ে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় আগে এই ভূখণ্ডে নিজেদের কার্যক্রম শুরু করার সময় বহুজাতিক কোম্পানির নাম ছিলো ‘লিভার ব্রাদার্স’, সময়ের বিবর্তনে যা এখন সবার কাছে ‘ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড’ (ইউবিএল) নামে পরিচিত।    

২০১৮ সালে বই প্রকাশের এই উদ্যোগটির কাজ শুরু হয়। কোম্পানিটির বর্তমান ও সাবেক কর্মী, অংশীদার ও স্টেকহোল্ডারদের স্মৃতিচারণার ভিত্তিতেই মূলত: বইটি রচিত হয়েছে, যেখানে কোম্পানির শুরুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও রোমাঞ্চকর সব অভিজ্ঞতার গল্প ওঠে এসেছে।

স্মৃতিচারণামূলক গল্পকথার মাধ্যমে বইটিতে বাংলাদেশে ইউনিলিভার এর যাত্রাপথে অর্জিত সফলতা ও মাইলফলক গুলোর গল্প উঠে এসেছে, যেখানে সাবান তৈরির ছোট একটি কারখানা দিয়ে যাত্রা শুরু করে দেশের সবচেয়ে বড় কনজ্যুমার ব্র্যান্ডস হয়ে ওঠা, ওয়াশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের আচরণগত পরিবর্তনসাধনে কাজ করা, দাঁতের যত্ন ও পুষ্টি নিয়ে কাজ করা, নতুন নতুন উদ্ভাবন চিন্তা কাজে লাগিয়ে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে সাবান-শ্যাম্পুর মিনি-প্যাক পৌঁছে দেওয়া এবং জনপ্রিয় করে তোলা, ১৯৯২ সালে ফাইসন্স কোম্পানিকে অধিগ্রহণ এবং ২০২০ সালে প্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডে রূপান্তরের মতো রোমাঞ্চকর সব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। 

বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এইচ.ই. রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ আসাদুজ্জামান নূর এমপি সহ স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের ৪০ জন শীর্ষস্থানীয় ও বিশিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন