বাজারে এসেছে আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড
jugantor
বাজারে এসেছে আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

১৯ জুন ২০২১, ২১:৪৫:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

চাকুরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের জন্য প্রত্যেক বছরের জুন মাসের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় “ট্যাক্স রিবেট বা কর রেয়াত”। সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিবেট এবং বিনিয়োগের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” নামক নতুন মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারে এনেছে আইডিএলসি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট।

যাদের সঞ্চয়পত্রের সীমা ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিবেটের জন্য প্রয়োজন তুলনামূলক নিরাপদ একটি খাত এবং নিয়মিত ভালো রিটার্ন- তাদের জন্য “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” বিবেচ্য হতে পারে। এ ফান্ডের ৪০% থেকে ৬০% সরকারি সিকিউরিটিজ এ বিনিয়োগ করা হয় বিধায় এটি একই সাথে নিরাপদ বিনিয়োগ ও নিয়মিত ভাল রিটার্ন অর্জনের সুযোগ দেয়।

উল্লেখ্য, এফডিআর-এ বিনিয়োগ ট্যাক্স রিবেটের জন্য প্রযোজ্য নয় এবং ডিপিএস এর ট্যাক্স রিবেট পাওয়ার বিনিয়োগ সীমা ৬০,০০০ টাকা। এ মর্মে, ট্যাক্স রিবেটের জন্য যাদের ৬০,০০০ টাকার অধিক বিনিয়োগ প্রয়োজন, তাদের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগ ও নিয়মিত ভাল রিটার্নের সুযোগ বিবেচনায় “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” প্রাধান্য পেতে পারে।

ক্যাপিটাল মার্কেটে সরাসরি বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্বাভাবিকতই যে প্রশ্নটা আসে তা হলো, “নিরাপদ বিনিয়োগের উপায় কী?” যেহেতু, ট্যাক্স রিবেট এর জন্যে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা যায়, তাই এ সময় যে প্রশ্নটা সবার মনেই উঁকি দেয় তা হলো, “আমার আসলে কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত?” কোন খাতে মোট কতটুকু পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যাবে এবং কোন খাতে কী পরিমাণ বিনিয়োগ এর জন্য ট্যাক্স রিবেট প্রযোজ্য হবে - এ বিষয়ে খাতভিত্তিক ‘করযোগ্য বিনিয়োগ সীমা’ নির্ধারিত করা আছে। সীমা বিবেচনায় এবং নিশ্চিত রিটার্নের জন্য সঞ্চয়পত্রই এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক জনপ্রিয় বিনিয়োগ খাত।

তবে যাদের একটি বৃহৎ অংকের করযোগ্য আয় রয়েছে, এবং সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, তাদের জন্য ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগই পর্যাপ্ত ট্যাক্স রিবেট প্রদানে সক্ষম হয়। “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” মূলত সরকারি সিকিউরিটিজ এ বিনিয়োগ- কেন্দ্রিক। যে কারণে এ ফান্ডে বিনিয়োগ করলে ইকুইটি মার্কেটের ঝুঁকি অনেকটা নেই বললেই চলে।

বাজারে এসেছে আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
১৯ জুন ২০২১, ০৯:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাকুরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের জন্য প্রত্যেক বছরের জুন মাসের একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় “ট্যাক্স রিবেট বা কর রেয়াত”। সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিবেট এবং বিনিয়োগের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” নামক নতুন মিউচ্যুয়াল ফান্ড বাজারে এনেছে আইডিএলসি এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট।

যাদের সঞ্চয়পত্রের সীমা ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিবেটের জন্য প্রয়োজন তুলনামূলক নিরাপদ একটি খাত এবং নিয়মিত ভালো রিটার্ন- তাদের জন্য “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” বিবেচ্য হতে পারে। এ ফান্ডের ৪০% থেকে ৬০% সরকারি সিকিউরিটিজ এ বিনিয়োগ করা হয় বিধায় এটি একই সাথে নিরাপদ বিনিয়োগ ও নিয়মিত ভাল রিটার্ন অর্জনের সুযোগ দেয়।

উল্লেখ্য, এফডিআর-এ বিনিয়োগ ট্যাক্স রিবেটের জন্য প্রযোজ্য নয় এবং ডিপিএস এর ট্যাক্স রিবেট পাওয়ার বিনিয়োগ সীমা ৬০,০০০ টাকা। এ মর্মে, ট্যাক্স রিবেটের জন্য যাদের ৬০,০০০ টাকার অধিক বিনিয়োগ প্রয়োজন, তাদের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগ ও নিয়মিত ভাল রিটার্নের সুযোগ বিবেচনায় “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” প্রাধান্য পেতে পারে।

ক্যাপিটাল মার্কেটে সরাসরি বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্বাভাবিকতই যে প্রশ্নটা আসে তা হলো, “নিরাপদ বিনিয়োগের উপায় কী?” যেহেতু, ট্যাক্স রিবেট এর জন্যে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা যায়, তাই এ সময় যে প্রশ্নটা সবার মনেই উঁকি দেয় তা হলো, “আমার আসলে কোথায় বিনিয়োগ করা উচিত?” কোন খাতে মোট কতটুকু পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যাবে এবং কোন খাতে কী পরিমাণ বিনিয়োগ এর জন্য ট্যাক্স রিবেট প্রযোজ্য হবে - এ বিষয়ে খাতভিত্তিক ‘করযোগ্য বিনিয়োগ সীমা’ নির্ধারিত করা আছে। সীমা বিবেচনায় এবং নিশ্চিত রিটার্নের জন্য সঞ্চয়পত্রই এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক জনপ্রিয় বিনিয়োগ খাত।

তবে যাদের একটি বৃহৎ অংকের করযোগ্য আয় রয়েছে, এবং সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগ সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, তাদের জন্য ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগই পর্যাপ্ত ট্যাক্স রিবেট প্রদানে সক্ষম হয়। “আইডিএলসি ইনকাম ফান্ড” মূলত সরকারি সিকিউরিটিজ এ বিনিয়োগ- কেন্দ্রিক। যে কারণে এ ফান্ডে বিনিয়োগ করলে ইকুইটি মার্কেটের ঝুঁকি অনেকটা নেই বললেই চলে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন