স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সড়কপথে পণ্য পরিবহনে অচলাবস্থা নিরসনের অনুরোধ বিজিএমইএ’র
jugantor
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সড়কপথে পণ্য পরিবহনে অচলাবস্থা নিরসনের অনুরোধ বিজিএমইএ’র

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২০:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন আজ থেকে তিন দিনের জন্য কর্মবিরতি শুরু করায় পোশাক শিল্পে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে গতকাল রাতে বিজিএমইএ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মানড়বান (কচি) এর নেতৃত্বে বিজিএমইএ এর একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এমপি এর সাথে তার বাসভবনে জরুরি সাক্ষাৎ করে তাদের উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন এবং শিল্পের সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে অনতিবিলম্বে সড়কপথে পণ্য পরিবহন পরিস্থিতি স্বাভাবিককরনে উদ্যোগ গ্রহনের অনুরোধ জানান।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন, সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন এবং পরিচালক মোঃ খসরু চৌধুরী।

বিজিএমইএ এর প্রতিনিধিদল বলেন, পোশাক শিল্পের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গণহারে টিকাদান কার্যক্রম নেয়ায় এসব দেশে দোকানপাট খুলছে। যার ফলশ্রুতিতে এখন পোশাক শিল্পে প্রচুর ক্রয়াদেশ আসছে।

তারা বলেন, পোশাক শিল্প একটি টাইম বাউন্ড শিল্প। এ শিল্পে প্রতিটি ঘন্টার মূল্য আছে এবং উদ্যোক্তাদেরকে ক্রেতাদের শর্ত (স্বল্পতম সময়ের মধ্যে উৎপাদন) মেনে নিয়ে উৎপাদন ও রপ্তানি সম্পাদন করতে হয়। তাই, এ মুহুর্তে কর্মবিরতির কারনে সড়কপথে পণ্য পরিবহন বন্ধ হলে তা শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তারা সড়কপথে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে আশু পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। মন্ত্রী অতি দ্রুত পরিবহন নেতাদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের বিষয়ে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল আরও বলেন, মহামারির কারনে দোকান ফাঁকা বলে অনেক ক্রেতা এয়ার ফ্রেইটে পণ্য পাঠাতে বলেছে। ক্রেতাদের তুমুল চাহিদার কারনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কনটেইনার কার্গোর জট সৃষ্টি হয়েছে। অথচ, রপ্তানি পণ্য তাৎক্ষনিক স্ক্যানিং করার জন্য বিমান বন্দরে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্থাপিত EDS (Explosive Detection Systems) মেশিন নাই। বর্তমানে একটি EDS মেশিন সচল আছে এবং আরেকটি EDS মেশিন দীর্ঘদিন ধরে বিকল আছে।

তারা বলছেন বেনাপোল দিয়ে কোলকাতা বিমান বন্দর থেকে স্ক্যানিং করার জন্য। এতে করে একদিকে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুনড়ব হবে, অন্যদিকে শিল্পে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ রপ্তানি পণ্য তাৎক্ষনিক স্ক্যানিং করার জন্য বিমান বন্দরে ইডিএস মেশিনগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ইডিএস মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি করার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহনের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান।

মাননীয় মন্ত্রী বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের বক্তব্যের সাথে একমত পোষন করে বিষয়টি সুরাহার আশ্বাস দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সড়কপথে পণ্য পরিবহনে অচলাবস্থা নিরসনের অনুরোধ বিজিএমইএ’র

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন আজ থেকে তিন দিনের জন্য কর্মবিরতি শুরু করায় পোশাক শিল্পে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে গতকাল রাতে বিজিএমইএ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মানড়বান (কচি) এর নেতৃত্বে বিজিএমইএ এর একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এমপি এর সাথে তার বাসভবনে জরুরি সাক্ষাৎ করে তাদের উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন এবং শিল্পের সকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখার স্বার্থে অনতিবিলম্বে সড়কপথে পণ্য পরিবহন পরিস্থিতি স্বাভাবিককরনে উদ্যোগ গ্রহনের অনুরোধ জানান। 

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন, সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন এবং পরিচালক মোঃ খসরু চৌধুরী। 

বিজিএমইএ এর প্রতিনিধিদল বলেন, পোশাক শিল্পের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে গণহারে টিকাদান কার্যক্রম নেয়ায় এসব দেশে দোকানপাট খুলছে। যার ফলশ্রুতিতে এখন পোশাক শিল্পে প্রচুর ক্রয়াদেশ আসছে। 

তারা বলেন, পোশাক শিল্প একটি টাইম বাউন্ড শিল্প। এ শিল্পে প্রতিটি ঘন্টার মূল্য আছে এবং উদ্যোক্তাদেরকে ক্রেতাদের শর্ত (স্বল্পতম সময়ের মধ্যে উৎপাদন) মেনে নিয়ে উৎপাদন ও রপ্তানি সম্পাদন করতে হয়। তাই, এ মুহুর্তে কর্মবিরতির কারনে সড়কপথে পণ্য পরিবহন বন্ধ হলে তা শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তারা সড়কপথে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে আশু পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। মন্ত্রী অতি দ্রুত পরিবহন নেতাদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের বিষয়ে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন। 

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল আরও বলেন, মহামারির কারনে দোকান ফাঁকা বলে অনেক ক্রেতা এয়ার ফ্রেইটে পণ্য পাঠাতে বলেছে। ক্রেতাদের তুমুল চাহিদার কারনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কনটেইনার কার্গোর জট সৃষ্টি হয়েছে। অথচ, রপ্তানি পণ্য তাৎক্ষনিক স্ক্যানিং করার জন্য বিমান বন্দরে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্থাপিত EDS (Explosive Detection Systems) মেশিন নাই। বর্তমানে একটি EDS মেশিন সচল আছে এবং আরেকটি EDS মেশিন দীর্ঘদিন ধরে বিকল আছে। 

তারা বলছেন বেনাপোল দিয়ে কোলকাতা বিমান বন্দর থেকে স্ক্যানিং করার জন্য। এতে করে একদিকে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুনড়ব হবে, অন্যদিকে শিল্পে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ রপ্তানি পণ্য তাৎক্ষনিক স্ক্যানিং করার জন্য বিমান বন্দরে ইডিএস মেশিনগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ইডিএস মেশিনের সংখ্যা বৃদ্ধি করার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহনের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। 

মাননীয় মন্ত্রী বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের বক্তব্যের সাথে একমত পোষন করে বিষয়টি সুরাহার আশ্বাস দেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর