‘প্রতিষ্ঠার ৭১ বছর, উন্নয়নে অগ্রযাত্রায় মোংলা বন্দর’
jugantor
‘প্রতিষ্ঠার ৭১ বছর, উন্নয়নে অগ্রযাত্রায় মোংলা বন্দর’

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭:৫২:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭১ তম বন্দর দিবস অদ্য ১ ডিসেম্বর, ২০২১ পালন করা হচ্ছে। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত। এ বন্দর ১৯৫০ সালের ০১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘‘দি সিটি অব লিয়নস’’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে।

২০০১ হতে ২০০৮ অর্থ বছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকুলতার কারণে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে।

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করে। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে, যার কারণে প্রতি বছর বিদেশী জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতি বছরের ন্যায় দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বন্দর ভবনসহ মোংলা ও খুলনাস্থ বন্দর এলাকায় আলোকসজ্জা করা হয়। রাত ১২:০১ ঘটিকায় বন্দরে অবস্থানরত দেশী, বিদেশী সকল জাহাজে একযোগ হুইসেল বাজানো হয়। বন্দরের অগ্রগতি কামনা করে মোংলা বন্দরের সকল মসজিদে দোয়া মাহফিল করা হয়। সকাল ১০:০০ ঘটিকায় কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে বন্দরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এর পর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী কেক কেটে দিবসের শুভ উদযাপন শুরু করেন। শুরুতেই অত্র বন্দরের উপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন।

পবিত্র কুরআন তেলওয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠ শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠানের সভাপতি রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।
অনুষ্ঠানের সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, এক সময়ের লোকশানী বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেন, যার ফল শ্রুতিতে মোংলা বন্দর এখন জাহাজ আগমনে নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর আন্তর্জাতিক বন্দরে রূপান্তরিত হতে চলছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টিতে মোংলা বন্দর ক্রমাগত লাভজনক বন্দরে রূপান্তির হয়েছে, এধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং অচিরেই মোংলা বন্দর বিশ্বের অন্যতম বন্দর হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

অনেক চড়াই উত্তরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ।

মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলামান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ-

১) ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (ভিটিএমআইএস) প্রবর্তন।
২) সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন।
৩) মোংলা বন্দরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি/সরঞ্জাম সংগ্রহ।
৪) পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং।
৫) মোংলা বন্দরের আধুনিক বর্জ্য ও নিঃসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা।
৬) মোংলা বন্দরের জন্য সহায়ক জলযান সংগ্রহ।
৭) ষ্ট্যাটেজিক মাস্টার প্লান ফর মোংলা পোর্ট (নিজস্ব অর্থায়নে)।
৮) মোংলা বন্দরের ২ টি অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ (পিপিপি এর মাধ্যমে)।

উল্লেখ্য প্রকল্পগুলোর বেশির ভাগই প্রায় সম্পন্ন হতে চলেছে, প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা আরো বেড়ে যাবে।

ভবিষ্যৎ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছেঃ

১) জয়মনিরগোলে মাল্টি-পারপাস জেটি নির্মাণ।
২) জয়মনিরগোলে কার পার্কিং ইয়ার্ড নির্মাণ।
৩) আকরাম পয়েন্টে ভাসমান জেটি নির্মাণ।
৪) হিরণ পয়েন্ট পাইলট ষ্টেশনের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং জ্যাফর্ড পয়েন্টে লাইট হাউজ এ্যাটেনডেন্টের জন্য ভবন
নির্মাণ।
৫) নদী শাসন কার্যক্রম গ্রহণ।
৬) উন্নত ও আধুনিক লাইট টাওয়ার নির্মাণ।
৭) হেলিকপ্টার ও যাবতীয় সুবিধাদিসহ হ্যালিপ্যাড নির্মাণ।
৮) সহায়ক জলযান সংগ্রহ (২য় পর্যায়)
৯) সহায়ক জলযান সংগ্রহ (৩য় পর্যায়)
১০) উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন উদ্ধারকারী জলযান সংগ্রহ।
১১) কার ক্যারিয়ার সংগ্রহ।
১২) জয়মনিগোলে কন্টেইনার, কয়লা, LNG, হ্যান্ডলিং নির্মাণ এবং হারবারিয়ায় ভাসমান জেটি নির্মাণ।
১৩) অয়েল স্পিল ভেসেল সংগ্রহ।
১৪) পানি শোধনাগার নির্মাণ (২য় পর্যায়)।
১৫) জয়মনিরগোলে কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ (২য় পর্যায়)।
১৬) নেভিগেশনাল এইডস সংগ্রহ।
১৭) মেগা শপিং কমেপ্লেক্সসহ বন্দর কেন্দ্রিক শহর নির্মাণ।
১৮) পশুর চ্যানেলে নাব্যতা ও ১০ সিডি অর্জনের জন্য ড্রেজিং।
১৯) ভিটিএমআই এস সম্প্রসারণ।

‘প্রতিষ্ঠার ৭১ বছর, উন্নয়নে অগ্রযাত্রায় মোংলা বন্দর’

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৭১ তম বন্দর দিবস অদ্য ১ ডিসেম্বর, ২০২১ পালন করা হচ্ছে। মোংলা বন্দর বিশ্ব ঐতিহ্যের ধারক সুন্দরবনের পাদদেশে অবস্থিত। এ বন্দর ১৯৫০ সালের ০১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 

একই বছর ১১ ডিসেম্বর পশুর নদীর জয়মনিরগোলে ‘‘দি সিটি অব লিয়নস’’ নামক ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ নোঙ্গরের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৭ সালের পোর্ট অব চালনা অথরিটি এ্যাক্ট অনুসারে প্রথমে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পরবর্তীতে মোংলা পোর্ট অথরিটি নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। 

২০০১ হতে ২০০৮ অর্থ বছর পর্যন্ত এ বন্দর নানামুখী প্রতিকুলতার কারণে লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। বিগত ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ০৭টি জাহাজ ও সম্পূর্ণ অর্থ বছরে ৯৫টি জাহাজ আগমন করে এবং ২০০৪-২০০৫ অর্থ বছরে বন্দর ১১ কোটি টাকা লোকসান করে। 

২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে মোংলা বন্দর উন্নয়নের জন্য সরকার অগ্রাধিকার ও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে এবং বন্দরের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ শুরু করে। ফলে ক্রমান্বয়ে মোংলা বন্দর গতিশীল হতে থাকে, যার কারণে প্রতি বছর বিদেশী জাহাজ আগমনের রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতি বছরের ন্যায় দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বন্দর ভবনসহ মোংলা ও খুলনাস্থ বন্দর এলাকায় আলোকসজ্জা করা হয়। রাত ১২:০১ ঘটিকায় বন্দরে অবস্থানরত দেশী, বিদেশী সকল জাহাজে একযোগ হুইসেল বাজানো হয়। বন্দরের অগ্রগতি কামনা করে মোংলা বন্দরের সকল মসজিদে দোয়া মাহফিল করা হয়। সকাল ১০:০০ ঘটিকায় কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে বন্দরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এর পর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী কেক কেটে দিবসের শুভ উদযাপন শুরু করেন। শুরুতেই অত্র বন্দরের উপর নির্মিত উন্নয়নমূলক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন। 

পবিত্র কুরআন তেলওয়াত, গীতা ও বাইবেল পাঠ শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অনুষ্ঠানের সভাপতি রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। 
অনুষ্ঠানের সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, এক সময়ের লোকশানী বন্দর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেন, যার ফল শ্রুতিতে মোংলা বন্দর এখন জাহাজ আগমনে নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে, বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক দূরদর্শিতায় অচিরেই মোংলা বন্দর আন্তর্জাতিক বন্দরে রূপান্তরিত হতে চলছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টিতে মোংলা বন্দর ক্রমাগত লাভজনক বন্দরে রূপান্তির হয়েছে, এধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে এবং অচিরেই মোংলা বন্দর বিশ্বের অন্যতম বন্দর হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

অনেক চড়াই উত্তরাই পেরিয়ে আসা মোংলা বন্দর বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ।
 
মোংলা বন্দরকে আরো আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্য বেশ কিছু প্রকল্প চলামান রয়েছে ও কিছু প্রকল্প ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য হাতে নেয়া হয়েছে।

চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ-

১) ভেসেল ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (ভিটিএমআইএস) প্রবর্তন।
২) সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপন।
৩) মোংলা বন্দরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রপাতি/সরঞ্জাম সংগ্রহ।
৪) পশুর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং।
৫) মোংলা বন্দরের আধুনিক বর্জ্য ও নিঃসৃত তেল অপসারণ ব্যবস্থাপনা।
৬) মোংলা বন্দরের জন্য সহায়ক জলযান সংগ্রহ।
৭) ষ্ট্যাটেজিক মাস্টার প্লান ফর মোংলা পোর্ট (নিজস্ব অর্থায়নে)।
৮) মোংলা বন্দরের ২ টি অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ (পিপিপি এর মাধ্যমে)।

উল্লেখ্য প্রকল্পগুলোর বেশির ভাগই প্রায় সম্পন্ন হতে চলেছে, প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা আরো বেড়ে যাবে।

ভবিষ্যৎ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছেঃ

১) জয়মনিরগোলে মাল্টি-পারপাস জেটি নির্মাণ।
২) জয়মনিরগোলে কার পার্কিং ইয়ার্ড নির্মাণ।
৩) আকরাম পয়েন্টে ভাসমান জেটি নির্মাণ।
৪) হিরণ পয়েন্ট পাইলট ষ্টেশনের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং জ্যাফর্ড পয়েন্টে লাইট হাউজ এ্যাটেনডেন্টের জন্য ভবন 
    নির্মাণ।
৫) নদী শাসন কার্যক্রম গ্রহণ।
৬) উন্নত ও আধুনিক লাইট টাওয়ার নির্মাণ।
৭) হেলিকপ্টার ও যাবতীয় সুবিধাদিসহ হ্যালিপ্যাড নির্মাণ।
৮) সহায়ক জলযান সংগ্রহ (২য় পর্যায়)
৯) সহায়ক জলযান সংগ্রহ (৩য় পর্যায়)
১০) উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন উদ্ধারকারী জলযান সংগ্রহ।
১১) কার ক্যারিয়ার সংগ্রহ।
১২) জয়মনিগোলে কন্টেইনার, কয়লা, LNG, হ্যান্ডলিং নির্মাণ এবং হারবারিয়ায় ভাসমান জেটি নির্মাণ।
১৩) অয়েল স্পিল ভেসেল সংগ্রহ।
১৪) পানি শোধনাগার নির্মাণ (২য় পর্যায়)।
১৫) জয়মনিরগোলে কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ (২য় পর্যায়)।
১৬) নেভিগেশনাল এইডস সংগ্রহ।
১৭) মেগা শপিং কমেপ্লেক্সসহ বন্দর কেন্দ্রিক শহর নির্মাণ।
১৮) পশুর চ্যানেলে নাব্যতা ও ১০ সিডি অর্জনের জন্য ড্রেজিং।
১৯) ভিটিএমআই এস সম্প্রসারণ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন