অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ আয়োজন করল এমজিআই ও ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ
jugantor
অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ আয়োজন করল এমজিআই ও ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

২২ জুন ২০২২, ২০:৪১:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ডাউন সিনড্রোম কোনো রোগ নয়। বরং এটি একটি বিশেষ শারীরিক অবস্থা। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিরা দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদেরকে সামাজিকভাবে আত্মনির্ভরশীল ও প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম।

এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ডিএসএসবি) সামাজিকভাবে অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত ডাউন সিনড্রোম জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর কার্যালয় ফ্রেশ হাউজ-এ একটি সচেতনতামূলক এ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য একীভুত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপে আমডা বাংলাদেশ, ডিএসএসবি ও এমজিআই-এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সেলফ এ্যাডভোকেট গ্রুপ, পিতামাতা অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসএসবিয়ের চেয়ারম্যান সরদার এ রাজ্জাক সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন এবং ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সংস্থার গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের উপর সকলকে অবহিত করেন। এর পর ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের বর্তমান কার্যক্রমের উপর একটি ভিডিও উপস্থাপন করা হয়। এর পর ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অ্যাডভোকেটরা ওয়ার্কশপে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভূক্তি, মানবাধিকার, একীভূত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সেইফগার্ডিং, যাতায়াত ব্যবস্থা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের দাবি ও অধিকারের কথা তুলে ধরেন।

সুবিধাবঞ্চিত ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জব প্লেসমেন্ট ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে পরিবারের সদস্যদের সচেতনতা ও উদ্বুদ্বকরণ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে এ সব বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সেলফ অ্যাডভোকেটদের পিতামাতা ও অভিভাবকরা।

তারা আরও বলেন, এ সব চাকুরি প্রত্যাশী যুবাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।

ওয়ার্কশপে এমজিআই-এর ডিরেক্টর তাহমিনা মোস্তফা, তানজিমা মোস্তফা ও ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তায়েফ বিন ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও, এমজিআই-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (এডমিন) সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র জিএম (এইচআর) আতিক উজ জামান খান, সিনিয়র জিএম (ব্র্যান্ড) কাজী মো. মহিউদ্দিন, সিনিয়র ডিজিএম (সেলস) ইয়াছিন মোল্লা, ডিজিএম (এডমিন) মো. ওমর ফারুক, সিএমও (সেলস) আশফাকুর রহমানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন এমজিআই-এর ডিরেক্টর তাহমিনা মোস্তফা। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে আমাদের সবারই ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য করণীয় রয়েছে, যা সম্পর্কে আমরা এখনও সেভাবে অবগত নই। ব্যক্তিগত জীবনে একজন মা হিসেবে আজকের এই আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিরাও যেন ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে যাব।

এমজিআই-এর পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা তার বক্তব্যে বলেন, এমজিআই থেকে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে আমরা সবসময়ই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্যই আমাদের কর্তব্য আছে। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে সোশ্যাল ও কর্পোরেট উভয় ক্ষেত্রেই একত্রীকরণের সুযোগ গড়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী এবং এমজিআই-এর পক্ষ থেকে আমরাও সেরকম ভবিষ্যৎ গঠনে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।

ওয়ার্কশপ শেষে, অংশগ্রহণকারীদের দুটি ব্র্যান্ড নিউ ল্যাপটপসহ ফ্রেশ ব্র্যান্ড-এর স্টেশনারি, কলম, নোটবুক এবং অন্যান্য পণ্য উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ আয়োজন করল এমজিআই ও ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
২২ জুন ২০২২, ০৮:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ডাউন সিনড্রোম কোনো রোগ নয়। বরং এটি একটি বিশেষ শারীরিক অবস্থা। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিরা দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদেরকে সামাজিকভাবে আত্মনির্ভরশীল ও প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম। 

এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ (ডিএসএসবি) সামাজিকভাবে অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত ডাউন সিনড্রোম জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর কার্যালয় ফ্রেশ হাউজ-এ একটি সচেতনতামূলক এ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য একীভুত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপে আমডা বাংলাদেশ, ডিএসএসবি ও এমজিআই-এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সেলফ এ্যাডভোকেট গ্রুপ, পিতামাতা অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসএসবিয়ের চেয়ারম্যান সরদার এ রাজ্জাক সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন এবং ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সংস্থার গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের উপর সকলকে অবহিত করেন। এর পর ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশের বর্তমান কার্যক্রমের উপর একটি ভিডিও উপস্থাপন করা হয়। এর পর ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অ্যাডভোকেটরা ওয়ার্কশপে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভূক্তি, মানবাধিকার, একীভূত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সেইফগার্ডিং, যাতায়াত ব্যবস্থা প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের দাবি ও অধিকারের কথা তুলে ধরেন।

সুবিধাবঞ্চিত ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জব প্লেসমেন্ট ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে পরিবারের সদস্যদের সচেতনতা ও উদ্বুদ্বকরণ অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে এ সব বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সেলফ অ্যাডভোকেটদের পিতামাতা ও অভিভাবকরা। 

তারা আরও বলেন, এ সব চাকুরি প্রত্যাশী যুবাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই।

ওয়ার্কশপে এমজিআই-এর ডিরেক্টর তাহমিনা মোস্তফা, তানজিমা মোস্তফা ও ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তায়েফ বিন ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়াও, এমজিআই-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (এডমিন) সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র জিএম (এইচআর) আতিক উজ জামান খান, সিনিয়র জিএম (ব্র্যান্ড) কাজী মো. মহিউদ্দিন, সিনিয়র ডিজিএম (সেলস) ইয়াছিন মোল্লা, ডিজিএম (এডমিন) মো. ওমর ফারুক, সিএমও (সেলস) আশফাকুর রহমানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন এমজিআই-এর ডিরেক্টর তাহমিনা মোস্তফা। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে আমাদের সবারই ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য করণীয় রয়েছে, যা সম্পর্কে আমরা এখনও সেভাবে অবগত নই। ব্যক্তিগত জীবনে একজন মা হিসেবে আজকের এই আয়োজনে উপস্থিত হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিরাও যেন ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে যাব।

এমজিআই-এর পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা তার বক্তব্যে বলেন, এমজিআই থেকে আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে আমরা সবসময়ই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্যই আমাদের কর্তব্য আছে। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে সোশ্যাল ও কর্পোরেট উভয় ক্ষেত্রেই একত্রীকরণের সুযোগ গড়ে উঠবে বলে আমরা আশাবাদী এবং এমজিআই-এর পক্ষ থেকে আমরাও সেরকম ভবিষ্যৎ গঠনে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।

ওয়ার্কশপ শেষে, অংশগ্রহণকারীদের দুটি ব্র্যান্ড নিউ ল্যাপটপসহ ফ্রেশ ব্র্যান্ড-এর স্টেশনারি, কলম, নোটবুক এবং অন্যান্য পণ্য উপহার হিসেবে দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর