মোংলা বন্দরে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন
jugantor
মোংলা বন্দরে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন

  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  

১৭ আগস্ট ২০২২, ২১:১০:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভয়াল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালের এইদিনে কিছুসংখ্যক বিপথগামী সেনাসদস্যদের হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শাহাদাত বরণ করেন।

বাঙালি জাতির মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে। ০১ আগস্ট থেকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের মূল ফটক, বন্দর ভবন, জেটি এবং খুলনাস্থ পোর্ট এরিয়ার মূল ফটক মোংলা বন্দরের আওতাধীন খুলনা ও মোংলা স্কুলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বাণী সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের মধ্যদিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়।

১৫ আগস্ট, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন স্থাপনায় জাতীয় পতাকা ও বন্দর পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বাদ ফজর সকল মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সকাল ১০:০০ ঘটিকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের জাতীয় কর্মসূচির আলোকে দিবসটি পালনে জন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনপূর্বক ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক বক্তৃতা, রচনা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল এবং ডকুমেন্টরি (বঙ্গবন্ধুর জীবনী-১৯২০-৭৫) প্রর্দশনের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় মবক’র জেটি অভ্যন্তরে পরিচালক (প্রশাসন) এর সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক আলোচনা’ সভা শুরু হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে মো. ইমতয়িাজ হোসেন, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) এবং বিভাগীয় প্রধানসহ বন্দরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ও সিবিএ এর নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আরো একটি আলোচনা অনুষ্ঠান পৃথক ভাবে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের খুলনাস্থ পোর্ট অডিটেরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন), কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার।

অনুষ্ঠানে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলনে, “আজকের এই শোক দিবসে, শোক কে শক্তিতে পরিণত করে আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করবো। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকলকে সম্মিলিতভাবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”

এর আগে সকাল ৯:৪৫ ঘটিকায় মোংলা বন্দরের সদর দপ্তর চত্বরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা একটি বৃক্ষ রোপন করে বৃক্ষরোপন অভিযান-২০২২ এর শুভ উদ্বোধন করেন।

এছাড়াও বন্দর ঘোষিত ১৫ আগস্টের কর্মসূচীর মধ্যে ছিল খুলনার হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা:) এতিমখানা, বাগরেহাটের খান জাহান আলী ট্রাস্ট ও এমিতখানা এবং মোংলা, দিগরাজের আল-জামেয়াতুল আরাবিয়া মজিদুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোট ২৯৩ জন এতিমকে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়।

বন্দরের মসজিদ সমূহে পবিত্র কোরআন খতমের আয়োজন ও বাদ যোহর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন স্থাপনার জামে মসজিদ সমূহে দোয়া মাহফিল এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শাহাদাৎ বরণকারী সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

মোংলা বন্দরে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন

 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 
১৭ আগস্ট ২০২২, ০৯:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভয়াল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালের এইদিনে কিছুসংখ্যক বিপথগামী সেনাসদস্যদের হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শাহাদাত বরণ করেন। 

বাঙালি জাতির মহান নেতা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করে। ০১ আগস্ট থেকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ের মূল ফটক, বন্দর ভবন, জেটি এবং খুলনাস্থ পোর্ট এরিয়ার মূল ফটক মোংলা বন্দরের আওতাধীন খুলনা ও মোংলা স্কুলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বাণী সম্বলিত ব্যানার প্রদর্শনের মধ্যদিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়।

১৫ আগস্ট, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন স্থাপনায় জাতীয় পতাকা ও বন্দর পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বাদ ফজর সকল মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। 

সকাল ১০:০০ ঘটিকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের জাতীয় কর্মসূচির আলোকে দিবসটি পালনে জন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনপূর্বক ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক বক্তৃতা, রচনা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল এবং ডকুমেন্টরি (বঙ্গবন্ধুর জীবনী-১৯২০-৭৫) প্রর্দশনের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। 

সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় মবক’র জেটি অভ্যন্তরে পরিচালক (প্রশাসন) এর সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক আলোচনা’ সভা শুরু হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে মো. ইমতয়িাজ হোসেন, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) এবং বিভাগীয় প্রধানসহ বন্দরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ ও সিবিএ এর নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আরো একটি আলোচনা অনুষ্ঠান পৃথক ভাবে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের খুলনাস্থ পোর্ট অডিটেরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন), কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ তরফদার।

অনুষ্ঠানে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলনে, “আজকের এই শোক দিবসে, শোক কে শক্তিতে পরিণত করে আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করবো। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকলকে সম্মিলিতভাবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।” 

এর আগে সকাল ৯:৪৫ ঘটিকায় মোংলা বন্দরের সদর দপ্তর চত্বরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা একটি বৃক্ষ রোপন করে বৃক্ষরোপন অভিযান-২০২২ এর শুভ উদ্বোধন করেন।

এছাড়াও বন্দর ঘোষিত ১৫ আগস্টের কর্মসূচীর মধ্যে ছিল খুলনার হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা:) এতিমখানা, বাগরেহাটের খান জাহান আলী ট্রাস্ট ও এমিতখানা এবং মোংলা, দিগরাজের আল-জামেয়াতুল আরাবিয়া মজিদুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার মোট ২৯৩ জন এতিমকে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়। 

বন্দরের মসজিদ সমূহে পবিত্র কোরআন খতমের আয়োজন ও বাদ যোহর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন স্থাপনার জামে মসজিদ সমূহে দোয়া মাহফিল এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের শাহাদাৎ বরণকারী সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন