মাটিকাটা থামাতে গিয়ে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষ

  ঝালকাঠি প্রতিনিধি ২৫ অক্টোবর ২০১৮, ২০:৪৫ | অনলাইন সংস্করণ

মাটিকাটা থামাতে গিয়ে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষ

ঝালকাঠির রাজাপুরে বিরোধপূর্ণ একটি জমির মাটিকাটা নিয়ে দুপক্ষের উত্তেজনা থামাতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে একপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে।

এতে রাজাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আলম ও কনস্টেবল সাহেব আলীসহ পাঁচজন আহত হন। উপজেলার পুটিয়াখালী গ্রামে বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন নারীকে আটক করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুটিয়াখালী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার চাচা আব্দুল হকের জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী পাখি বেগম আব্দুল হকের বিরুদ্ধে রাজাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

বুধবার সকালে অভিযোগের তদন্তে গিয়ে উভয়পক্ষকে জমির কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলে পুলিশ। কিন্তু বিকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে মাটিকাটা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে খবর পেয়ে রাজাপুর থানার এসআই ফিরোজ আলম ও কনস্টেবল সাহেব আলী ঘটনাস্থলে যান।

এ সময় আব্দুল হকের স্ত্রী মারিয়া বেগমের সঙ্গে এসআই ফিরোজ ও কনস্টেবল সাহেব আলী আশালীন কথা বলেন। মারিয়া বেগম পুলিশের কথার প্রতিবাদ করলে উভয়ের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

একপর্যায়ে এসআই ফিরোজ মারিয়া বেগমকে মারধর করলে শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হন মারিয়া বেগম, তার মেয়ে হাবিবা ও আসমা।

এ সময় আব্দুল হকের ছেলে জাহিদ হোসেন ও মনির হোসেনসহ তাদের পক্ষের লোকজন মিলে পুলিশকেও পাল্টা আঘাত করে। এতে কনস্টেবল সাহেব আলীর মাথা ফেটে যায় এবং এসআই ফিরোজ আহত হন।

এ ঘটনায় বুধবার রাতেই এসআই ফিরোজ বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ আজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

আহত ফিরোজ ও সাহেব আলীকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মোবাইল ফোনে মারিয়া বেগমের ছেলে জাহিদ হোসেন বলেন, পুলিশ অন্যায়ভাবে আমার মা ও বোনদের অশালীন আচরণ ও মারধর করেছে। এসআই ফিরোজ আমাদের প্রতিপক্ষ আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে জমি দখল করিয়ে দিতে এসেছিলেন। আমরা পুলিশের অবৈধ কাজে বাধা দিলে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

রাজাপুর থানার ওসি মো. শামসুল আরেফিন বলেন, বিরোধপূর্ণ জমির মাটিকাটা নিয়ে সংঘর্ষ থামাতে গেলে একপক্ষ পুলিশের ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হামলায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×