Logo
Logo
×

সারাদেশ

দশমিনায় নির্বাচন পরিচালনায় বেকায়দায় পড়তে পারে প্রশাসন

Icon

মো. মামুন তানভীর, দশমিনা (পটুয়াখালী)

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

দশমিনায় নির্বাচন পরিচালনায় বেকায়দায় পড়তে পারে প্রশাসন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ র্নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসন নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়তে পারে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা প্রশাসন। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কর্মকর্তা শূন্য থাকায় ও বিকল্প পন্থা অবলম্বন করে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সংগ্রহ করতে গেলে নির্বাচনে হতে পারে বিতর্ক ও সৃষ্টি হতে পারে বিশৃঙ্খলা। এতে নির্বাচন হবে প্রশ্নবিদ্ধ। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৩ জন ভোটারের বিপরীতে ২৪৮টি ভোট কক্ষ ও ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের জন্য ৪৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণে ২৪৮ জন সহকারী প্রিসাইডিং ও ৪৯৬ জন পোলিংয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়ম অনুযায়ী ওই ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের জন্য উপজেলার সরকারি দপ্তর প্রধানদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা; কিন্তু উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বেশিরভাগ সরকারি দপ্তরের পদ শূন্য।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা, মৎস্য দপ্তর, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঘূর্ণিঝড়, সমবায়, মাধ্যমিক, সমাজসেবাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। ওই সব দপ্তরের কর্মকর্তারা অন্য উপজেলা থেকে দশমিনায় এসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। কেউ কেউ ভারপ্রাপ্ত। নির্বাচনকালীন তারা মূল দায়িত্বের উপজেলাগুলোতে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার দুটি পদও ফাঁকা। অন্যদিকে উপজেলার ৬ষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তারা কোনো নির্বাচনেই প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন না। ফলে ভোট গ্রহণের আগে দ্রুত সময় শূন্যস্থান পূরণ না করে উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে যদি গ্রেড হিসাব করে সরকারি স্কুল-কলেজ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ করতে যান- তাহলে পড়তে পারেন বিপাকে। কারণ সরকারি স্কুল-কলেজে চাকরি করা শিক্ষকরা স্থানীয় হওয়ায় তাদের সিংহভাগ কোনো না কোনো রাজনৈতিক দললের সমর্থক ও তাদের পছন্দের প্রার্থী থাকায় হতে পারে বিতর্ক এবং সৃষ্টি হতে পারে বিশৃঙ্খলা।

এদিকে উপজেলার ৪৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টিই ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার নিজেই ভারপ্রাপ্ত। 

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাসুদ হাওলাদার (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে সরকারি কলেজ থেকে পূরণ করা হবে। কারও বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলে তাকে নির্বাচনি দায়িত্বে রাখা হবে না।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। এ সংক্রান্ত জেলায় একটি মিটিং আছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব। নির্বাচন কমিশনও আমাদের নির্দেশনা দিচ্ছে। নির্বাচনে বিতর্কমুক্ত একটি প্যানেল তৈরির চেষ্টা করব।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম