ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ফাইল ছবি
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ফের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। সোমবার নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি এ শোকজ নোটিশ জারি করে।
এর আগে রোববার রিটার্নিং অফিসার এক চিঠিতে রুমিন ফারহানাকে সশরীরে হাজির হয়ে কারণ দর্শাতে বলেন।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির নোটিশে বলা হয়েছে- কেন তার বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- সেই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি বেলা ২টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা আদালতের সিভিল জজ আদালতে অবস্থিত নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ এলাকায় রুমিন ফারহানা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে জনসভা করেন। এ সময় কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে গেলে রুমিন ফারহানা ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধভাবে ‘মব’ সৃষ্টি করে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় গত রোববার সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেন।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্যান্ডেল নির্মাণ করে জনসভা চলাকালে রুমিন ফারহানা আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনসহ ভয়ভীতি ও হুমকিমূলক আচরণ করেন। এতে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। অভিযোগের স্বপক্ষে এনটিভিতে প্রচারিত সংবাদের ভিডিও লিংক সংযুক্ত করা হয়।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির মতে, এসব ঘটনায় রুমিন ফারহানা জনপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এবং প্রার্থীর আচরণবিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
নোটিশে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শোকজ নোটিশ দ্রুত প্রার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
