Logo
Logo
×

সারাদেশ

গোপালগঞ্জ-১ আসন

কারাগার থেকে ভোটের লড়াই দুই প্রার্থীর

Icon

কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২০ এএম

কারাগার থেকে ভোটের লড়াই দুই প্রার্থীর

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে বইছে ভিন্নধর্মী নির্বাচনি হাওয়া। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন এমন দুজন, যারা বর্তমানে কারাগারে বন্দি।

আইনি জটিলতা কাটিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এখন ‘কারাগার বনাম মাঠের’ লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন স্থানীয় ভোটাররা।

কারাবন্দি এই দুই প্রার্থী হলেন-স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল আলম শিমুল এবং গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী কাবির মিয়া।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল। দাখিলকৃত হলফনামা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে।

তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে জামিন না পেলে সমর্থক ও আত্মীয়স্বজনই তার পক্ষে মাঠে কাজ করবেন। কারান্তরীণ প্রার্থীর প্রতি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি ভোটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন তার অনুসারীরা।

অন্যদিকে, কাশিমপুর কারাগারে বন্দি থেকেই ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী কাবির মিয়া। তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা সাতটি। শুরুতে যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও দমে যাননি তিনি। উচ্চ আদালতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে প্রাণসঞ্চার হয়েছে। ‘মুক্তি’ না মিললে কারাগার থেকেই তিনি এ নির্বাচনি যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ফৌজদারি অপরাধে অন্তত দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত না হন, তবে তার নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। এ আইনি সুযোগেই বিচারাধীন মামলায় বন্দি থাকা অবস্থায় তারা লড়ছেন।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, ‘মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত সব বিষয় আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোপালগঞ্জ-১ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের পাশাপাশি এ দুই কারাবন্দি প্রার্থীর অংশগ্রহণ নির্বাচনে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। ভোটারদের মধ্যে এটি আলোচনার প্রধান বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম