বগুড়ায় মিছিলে দাঁড়ানো নিয়ে জেলা বিএনপি নেতা নাইনকে মারপিট

  বগুড়া ব্যুরো ২৯ অক্টোবর ২০১৮, ২২:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাইনকে প্রকাশ্যে মারপিট
বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাইনকে প্রকাশ্যে মারপিট। ছবি: যুগান্তর

বগুড়ায় মিছিল-সমাবেশের ব্যানারে দাঁড়ানো নিয়ে সোমবার দুপুরে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাইনকে প্রকাশ্যে দুদফা মারপিট করা হয়েছে।

এ হামলার ঘটনায় জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের ইন্ধন ও অপর যুগ্ম সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর পরিমল দাসকে দায়ী করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে নালিশ করা হয়েছে। তারা বিচার না করলে নাইন হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। তার সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক পরিমল দাস জানান, খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক মিছিল-সমাবেশের ব্যানারে দাঁড়ানো নিয়ে জুনিয়ররা তাকে মারপিট করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বরং তিনি মারপিট থেকে তাকে বাঁচিয়েছেন।

জেলা বিএনপির ৪ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাইন জানান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময় ব্যানারে দাঁড়ানো নিয়ে ১০ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক পরিমল দাস তাকে কিলঘুষি দেন। তখন সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে তিনি রক্ষা পান।

তিনি জানান, কর্মসূচি শেষে তিনি (নাইন) মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন। এ সময় পরিমলের নেতৃত্বে শহর ছাত্রদলের সহসভাপতি জেমস, স্বেচ্ছাসেবক দলের ক্যাডার দুখুসহ কয়েকজন পেছন থেকে ধাওয়া করে তার ওপর হামলা চালায়। অকথ্যভাষায় গালিগালাজের পর তাকে বেদম মারপিট করা হয়। জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন ও সহসভাপতি মতিউর রহমান মতি তাকে রক্ষা করেন। অন্যথায় তিনি মারা যেতেন।

নাইন আরও অভিযোগ করেন, ৩০ বছর ধরে রাজনীতি করছেন। কখনও নিজ দলের এমন হামলার শিকার হননি।

তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিত এ হামলার পিছনে জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের ইন্ধন রয়েছে। তার ওপর হামলা করতে আগেই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হামলার ঘটনায় তিনি দলীয় ফোরামে বিচার চেয়েছেন। মহাসচিবকে অবহিত করার চেষ্টা করছেন। বিচার না পেলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×